ঢাকা ০৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo স্পিকারের সহধর্মিণী ও জামায়াত এমপির মায়ের মৃত্যুতে সংসদে মোনাজাত করলেন চিফ হুইপ Logo কার হাতে ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী পারমাণবিক ‘জার বোম্বা’ Logo যেকোনো সময়ের চেয়ে এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী Logo ইরানের আবাসিক এলাকায় যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলায় আহত ৯ সাধারণ নাগরিক Logo অনিয়মে জড়িত আইন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল Logo পেট্রোল-ডিজেলের বাংলা কী জানেন? Logo ফ্যানে ‘খট-খট’ শব্দ, সার্ভিসিংয়ের আগে নিজেই যা করবেন Logo ওমরাহ ও ভিজিট ফোরামের সভায় যোগ দিতে সৌদি গেলেন ধর্মমন্ত্রী Logo ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে ‌‘কঠিন ফাঁদে’ আটকে গেছে যুক্তরাষ্ট্র Logo ইসলামী অর্থায়ন সেবা চালু করছে উজবেকিস্তান

কার হাতে ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী পারমাণবিক ‘জার বোম্বা’

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:১৮:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পারমাণবিক অস্ত্র হলো জার বোম্বা; যা তৈরি করেছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন(বর্তমান রাশিয়া)। তারা মাত্র দুটি এমন বোমা তৈরি করেছিল। জার বোম্বা তিন স্তরবিশিষ্ট হাইড্রোজেন বোমা, যা থার্মোনিউক্লিয়ার অস্ত্র নামে পরিচিত। এর শক্তি ৫০ মেগাটন টিএনটি (৫০,০০০ কিলোটন)। ওজন প্রায় ২৭ টন।

বিশিষ্ট সোভিয়েত পরমাণু বিজ্ঞানী, ভিন্নামতাবলম্বী এবং মানবাধিকার কর্মী আন্দ্রে শাখারভ এই হাইড্রোজেন বোমার জনক হিসেবে ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।

কমিউনিস্ট শাসনামলে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সময় ১৯৫৩ সালে আবিষ্কৃত হয় এবং ১৯৬১ সালের ৩০ অক্টোবর সফলভাবে পরীক্ষা করা হয়। এটি সফলভাবে পরীক্ষা করা হয় আর্কটিক মহাসাগরের নোভেয়া জেমলিয়া দ্বীপপুঞ্জে। এর শকওয়েভ প্রায় তিনবার পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করেছিল। বিস্ফোরণের ফলে ১৬০ কিলোমিটার (১০০ মাইল) উচ্চতার মাশরুম আকৃতির মেঘমালা তৈরি হয়েছিল। বিস্ফোরণের আলো ১,০০০ কিলোমিটার (৬২০ মাইল) দূর থেকেও দেখা গিয়েছিল।প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূর থেকেও এর তাপে তৃতীয় মাত্রার পোড়া ঘটার সম্ভাবনা ছিল।

প্রথমে এর মূল নাম ছিল এএন৬০২ হাইড্রোজেন বোমা। এই বোমার শক্তি ছিল ৫০ মেগাটন টিএনটি, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিরোশিমায় ফেলা বোমার চেয়ে প্রায় ৩৩৩৩ গুণ বেশি শক্তিশালী। এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল স্নায়ুযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের পারমাণবিক সক্ষমতা প্রদর্শন করে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা থেকে নিরুৎসাহিত হতে বাধ্য করা।

জার বোম্বা বর্তমানে সামরিকভাবে কার্যকর অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। এর বিশাল আকার ও ওজন (প্রায় ২৭ টন) এটিকে দূরবর্তী স্থানে পরিবহন করা অত্যন্ত কঠিন করে তোলে।

জার বোম্বা মূলত তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রযুক্তিগত ক্ষমতা এবং পারমাণবিক শক্তির প্রতীক হিসেবে প্রদর্শিত হয়।

সূত: ইউকিপিডিয়া

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

স্পিকারের সহধর্মিণী ও জামায়াত এমপির মায়ের মৃত্যুতে সংসদে মোনাজাত করলেন চিফ হুইপ

কার হাতে ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী পারমাণবিক ‘জার বোম্বা’

আপডেট সময় ০২:১৮:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পারমাণবিক অস্ত্র হলো জার বোম্বা; যা তৈরি করেছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন(বর্তমান রাশিয়া)। তারা মাত্র দুটি এমন বোমা তৈরি করেছিল। জার বোম্বা তিন স্তরবিশিষ্ট হাইড্রোজেন বোমা, যা থার্মোনিউক্লিয়ার অস্ত্র নামে পরিচিত। এর শক্তি ৫০ মেগাটন টিএনটি (৫০,০০০ কিলোটন)। ওজন প্রায় ২৭ টন।

বিশিষ্ট সোভিয়েত পরমাণু বিজ্ঞানী, ভিন্নামতাবলম্বী এবং মানবাধিকার কর্মী আন্দ্রে শাখারভ এই হাইড্রোজেন বোমার জনক হিসেবে ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।

কমিউনিস্ট শাসনামলে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সময় ১৯৫৩ সালে আবিষ্কৃত হয় এবং ১৯৬১ সালের ৩০ অক্টোবর সফলভাবে পরীক্ষা করা হয়। এটি সফলভাবে পরীক্ষা করা হয় আর্কটিক মহাসাগরের নোভেয়া জেমলিয়া দ্বীপপুঞ্জে। এর শকওয়েভ প্রায় তিনবার পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করেছিল। বিস্ফোরণের ফলে ১৬০ কিলোমিটার (১০০ মাইল) উচ্চতার মাশরুম আকৃতির মেঘমালা তৈরি হয়েছিল। বিস্ফোরণের আলো ১,০০০ কিলোমিটার (৬২০ মাইল) দূর থেকেও দেখা গিয়েছিল।প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূর থেকেও এর তাপে তৃতীয় মাত্রার পোড়া ঘটার সম্ভাবনা ছিল।

প্রথমে এর মূল নাম ছিল এএন৬০২ হাইড্রোজেন বোমা। এই বোমার শক্তি ছিল ৫০ মেগাটন টিএনটি, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিরোশিমায় ফেলা বোমার চেয়ে প্রায় ৩৩৩৩ গুণ বেশি শক্তিশালী। এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল স্নায়ুযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের পারমাণবিক সক্ষমতা প্রদর্শন করে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা থেকে নিরুৎসাহিত হতে বাধ্য করা।

জার বোম্বা বর্তমানে সামরিকভাবে কার্যকর অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। এর বিশাল আকার ও ওজন (প্রায় ২৭ টন) এটিকে দূরবর্তী স্থানে পরিবহন করা অত্যন্ত কঠিন করে তোলে।

জার বোম্বা মূলত তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রযুক্তিগত ক্ষমতা এবং পারমাণবিক শক্তির প্রতীক হিসেবে প্রদর্শিত হয়।

সূত: ইউকিপিডিয়া


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481