ঢাকা ০৬:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

কার হাতে ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী পারমাণবিক ‘জার বোম্বা’

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:১৮:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পারমাণবিক অস্ত্র হলো জার বোম্বা; যা তৈরি করেছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন(বর্তমান রাশিয়া)। তারা মাত্র দুটি এমন বোমা তৈরি করেছিল। জার বোম্বা তিন স্তরবিশিষ্ট হাইড্রোজেন বোমা, যা থার্মোনিউক্লিয়ার অস্ত্র নামে পরিচিত। এর শক্তি ৫০ মেগাটন টিএনটি (৫০,০০০ কিলোটন)। ওজন প্রায় ২৭ টন।

বিশিষ্ট সোভিয়েত পরমাণু বিজ্ঞানী, ভিন্নামতাবলম্বী এবং মানবাধিকার কর্মী আন্দ্রে শাখারভ এই হাইড্রোজেন বোমার জনক হিসেবে ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।

কমিউনিস্ট শাসনামলে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সময় ১৯৫৩ সালে আবিষ্কৃত হয় এবং ১৯৬১ সালের ৩০ অক্টোবর সফলভাবে পরীক্ষা করা হয়। এটি সফলভাবে পরীক্ষা করা হয় আর্কটিক মহাসাগরের নোভেয়া জেমলিয়া দ্বীপপুঞ্জে। এর শকওয়েভ প্রায় তিনবার পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করেছিল। বিস্ফোরণের ফলে ১৬০ কিলোমিটার (১০০ মাইল) উচ্চতার মাশরুম আকৃতির মেঘমালা তৈরি হয়েছিল। বিস্ফোরণের আলো ১,০০০ কিলোমিটার (৬২০ মাইল) দূর থেকেও দেখা গিয়েছিল।প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূর থেকেও এর তাপে তৃতীয় মাত্রার পোড়া ঘটার সম্ভাবনা ছিল।

প্রথমে এর মূল নাম ছিল এএন৬০২ হাইড্রোজেন বোমা। এই বোমার শক্তি ছিল ৫০ মেগাটন টিএনটি, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিরোশিমায় ফেলা বোমার চেয়ে প্রায় ৩৩৩৩ গুণ বেশি শক্তিশালী। এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল স্নায়ুযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের পারমাণবিক সক্ষমতা প্রদর্শন করে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা থেকে নিরুৎসাহিত হতে বাধ্য করা।

জার বোম্বা বর্তমানে সামরিকভাবে কার্যকর অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। এর বিশাল আকার ও ওজন (প্রায় ২৭ টন) এটিকে দূরবর্তী স্থানে পরিবহন করা অত্যন্ত কঠিন করে তোলে।

জার বোম্বা মূলত তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রযুক্তিগত ক্ষমতা এবং পারমাণবিক শক্তির প্রতীক হিসেবে প্রদর্শিত হয়।

সূত: ইউকিপিডিয়া

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

কার হাতে ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী পারমাণবিক ‘জার বোম্বা’

আপডেট সময় ০২:১৮:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পারমাণবিক অস্ত্র হলো জার বোম্বা; যা তৈরি করেছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন(বর্তমান রাশিয়া)। তারা মাত্র দুটি এমন বোমা তৈরি করেছিল। জার বোম্বা তিন স্তরবিশিষ্ট হাইড্রোজেন বোমা, যা থার্মোনিউক্লিয়ার অস্ত্র নামে পরিচিত। এর শক্তি ৫০ মেগাটন টিএনটি (৫০,০০০ কিলোটন)। ওজন প্রায় ২৭ টন।

বিশিষ্ট সোভিয়েত পরমাণু বিজ্ঞানী, ভিন্নামতাবলম্বী এবং মানবাধিকার কর্মী আন্দ্রে শাখারভ এই হাইড্রোজেন বোমার জনক হিসেবে ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।

কমিউনিস্ট শাসনামলে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সময় ১৯৫৩ সালে আবিষ্কৃত হয় এবং ১৯৬১ সালের ৩০ অক্টোবর সফলভাবে পরীক্ষা করা হয়। এটি সফলভাবে পরীক্ষা করা হয় আর্কটিক মহাসাগরের নোভেয়া জেমলিয়া দ্বীপপুঞ্জে। এর শকওয়েভ প্রায় তিনবার পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করেছিল। বিস্ফোরণের ফলে ১৬০ কিলোমিটার (১০০ মাইল) উচ্চতার মাশরুম আকৃতির মেঘমালা তৈরি হয়েছিল। বিস্ফোরণের আলো ১,০০০ কিলোমিটার (৬২০ মাইল) দূর থেকেও দেখা গিয়েছিল।প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূর থেকেও এর তাপে তৃতীয় মাত্রার পোড়া ঘটার সম্ভাবনা ছিল।

প্রথমে এর মূল নাম ছিল এএন৬০২ হাইড্রোজেন বোমা। এই বোমার শক্তি ছিল ৫০ মেগাটন টিএনটি, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিরোশিমায় ফেলা বোমার চেয়ে প্রায় ৩৩৩৩ গুণ বেশি শক্তিশালী। এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল স্নায়ুযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের পারমাণবিক সক্ষমতা প্রদর্শন করে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা থেকে নিরুৎসাহিত হতে বাধ্য করা।

জার বোম্বা বর্তমানে সামরিকভাবে কার্যকর অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। এর বিশাল আকার ও ওজন (প্রায় ২৭ টন) এটিকে দূরবর্তী স্থানে পরিবহন করা অত্যন্ত কঠিন করে তোলে।

জার বোম্বা মূলত তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রযুক্তিগত ক্ষমতা এবং পারমাণবিক শক্তির প্রতীক হিসেবে প্রদর্শিত হয়।

সূত: ইউকিপিডিয়া