ঢাকা ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ Logo ব্রাজিলের পতাকা টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে স্কুলছাত্রের মৃত্যু Logo মাদক ব্যবসা ছাড়ুন, না হলে এলাকা ছাড়ুন : এমপি আবু তালিব Logo ইরান সংঘাতে না জড়াতে চীনকে অনুরোধ করেছিলেন ট্রাম্প Logo প্রথমার্ধ শেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র Logo পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে: পাকিস্তান হাইকমিশনার Logo শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাবিতে নবীনবরণ, ‘পাইলট প্রকল্প’ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার ইঙ্গিত Logo এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ Logo আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা Logo পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের

কার হাতে ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী পারমাণবিক ‘জার বোম্বা’

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:১৮:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • ৪৫ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পারমাণবিক অস্ত্র হলো জার বোম্বা; যা তৈরি করেছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন(বর্তমান রাশিয়া)। তারা মাত্র দুটি এমন বোমা তৈরি করেছিল। জার বোম্বা তিন স্তরবিশিষ্ট হাইড্রোজেন বোমা, যা থার্মোনিউক্লিয়ার অস্ত্র নামে পরিচিত। এর শক্তি ৫০ মেগাটন টিএনটি (৫০,০০০ কিলোটন)। ওজন প্রায় ২৭ টন।

বিশিষ্ট সোভিয়েত পরমাণু বিজ্ঞানী, ভিন্নামতাবলম্বী এবং মানবাধিকার কর্মী আন্দ্রে শাখারভ এই হাইড্রোজেন বোমার জনক হিসেবে ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।

কমিউনিস্ট শাসনামলে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সময় ১৯৫৩ সালে আবিষ্কৃত হয় এবং ১৯৬১ সালের ৩০ অক্টোবর সফলভাবে পরীক্ষা করা হয়। এটি সফলভাবে পরীক্ষা করা হয় আর্কটিক মহাসাগরের নোভেয়া জেমলিয়া দ্বীপপুঞ্জে। এর শকওয়েভ প্রায় তিনবার পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করেছিল। বিস্ফোরণের ফলে ১৬০ কিলোমিটার (১০০ মাইল) উচ্চতার মাশরুম আকৃতির মেঘমালা তৈরি হয়েছিল। বিস্ফোরণের আলো ১,০০০ কিলোমিটার (৬২০ মাইল) দূর থেকেও দেখা গিয়েছিল।প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূর থেকেও এর তাপে তৃতীয় মাত্রার পোড়া ঘটার সম্ভাবনা ছিল।

প্রথমে এর মূল নাম ছিল এএন৬০২ হাইড্রোজেন বোমা। এই বোমার শক্তি ছিল ৫০ মেগাটন টিএনটি, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিরোশিমায় ফেলা বোমার চেয়ে প্রায় ৩৩৩৩ গুণ বেশি শক্তিশালী। এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল স্নায়ুযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের পারমাণবিক সক্ষমতা প্রদর্শন করে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা থেকে নিরুৎসাহিত হতে বাধ্য করা।

জার বোম্বা বর্তমানে সামরিকভাবে কার্যকর অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। এর বিশাল আকার ও ওজন (প্রায় ২৭ টন) এটিকে দূরবর্তী স্থানে পরিবহন করা অত্যন্ত কঠিন করে তোলে।

জার বোম্বা মূলত তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রযুক্তিগত ক্ষমতা এবং পারমাণবিক শক্তির প্রতীক হিসেবে প্রদর্শিত হয়।

সূত: ইউকিপিডিয়া

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

কার হাতে ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী পারমাণবিক ‘জার বোম্বা’

আপডেট সময় ০২:১৮:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পারমাণবিক অস্ত্র হলো জার বোম্বা; যা তৈরি করেছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন(বর্তমান রাশিয়া)। তারা মাত্র দুটি এমন বোমা তৈরি করেছিল। জার বোম্বা তিন স্তরবিশিষ্ট হাইড্রোজেন বোমা, যা থার্মোনিউক্লিয়ার অস্ত্র নামে পরিচিত। এর শক্তি ৫০ মেগাটন টিএনটি (৫০,০০০ কিলোটন)। ওজন প্রায় ২৭ টন।

বিশিষ্ট সোভিয়েত পরমাণু বিজ্ঞানী, ভিন্নামতাবলম্বী এবং মানবাধিকার কর্মী আন্দ্রে শাখারভ এই হাইড্রোজেন বোমার জনক হিসেবে ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।

কমিউনিস্ট শাসনামলে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সময় ১৯৫৩ সালে আবিষ্কৃত হয় এবং ১৯৬১ সালের ৩০ অক্টোবর সফলভাবে পরীক্ষা করা হয়। এটি সফলভাবে পরীক্ষা করা হয় আর্কটিক মহাসাগরের নোভেয়া জেমলিয়া দ্বীপপুঞ্জে। এর শকওয়েভ প্রায় তিনবার পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করেছিল। বিস্ফোরণের ফলে ১৬০ কিলোমিটার (১০০ মাইল) উচ্চতার মাশরুম আকৃতির মেঘমালা তৈরি হয়েছিল। বিস্ফোরণের আলো ১,০০০ কিলোমিটার (৬২০ মাইল) দূর থেকেও দেখা গিয়েছিল।প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূর থেকেও এর তাপে তৃতীয় মাত্রার পোড়া ঘটার সম্ভাবনা ছিল।

প্রথমে এর মূল নাম ছিল এএন৬০২ হাইড্রোজেন বোমা। এই বোমার শক্তি ছিল ৫০ মেগাটন টিএনটি, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিরোশিমায় ফেলা বোমার চেয়ে প্রায় ৩৩৩৩ গুণ বেশি শক্তিশালী। এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল স্নায়ুযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের পারমাণবিক সক্ষমতা প্রদর্শন করে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা থেকে নিরুৎসাহিত হতে বাধ্য করা।

জার বোম্বা বর্তমানে সামরিকভাবে কার্যকর অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। এর বিশাল আকার ও ওজন (প্রায় ২৭ টন) এটিকে দূরবর্তী স্থানে পরিবহন করা অত্যন্ত কঠিন করে তোলে।

জার বোম্বা মূলত তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রযুক্তিগত ক্ষমতা এবং পারমাণবিক শক্তির প্রতীক হিসেবে প্রদর্শিত হয়।

সূত: ইউকিপিডিয়া