ঢাকা ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে উজ্জীবিত করেছে: রাষ্ট্রপতি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:৫০:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

২৫ মার্চের ভয়াল কালরাত ও ‘গণহত্যা দিবস’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ১৯৭১ সালের সেই সংকটময় মুহূর্তে মহান স্বাধীনতার ঘোষণা বিভ্রান্ত ও দ্বিধাগ্রস্ত জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে এবং সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনন্য প্রেরণা জুগিয়েছিল।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী যখন ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে নিরস্ত্র ও ঘুমন্ত বাঙালির ওপর ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞ চালায়, তখন পুরো জাতি এক স্তব্ধ ও বাকরুদ্ধ অবস্থায় পড়েছিল। সেই বিভীষিকাময় পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামের ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের আনুষ্ঠানিক বিদ্রোহ এবং কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তৎকালীন মেজর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা মুক্তিকামী মানুষকে অসীম সাহসী করে তোলে। এই ঘোষণা জাতিকে সুসংগঠিত করে প্রাণ উৎসর্গ করার মন্ত্রে উজ্জীবিত করেছিল, যার চূড়ান্ত পরিণতি ছিল ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর অর্জিত গৌরবময় বিজয়।

বাণীতে ২৫ মার্চের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস, তৎকালীন ইপিআর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ওই রাতে ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী ও সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ যেভাবে নির্মম গণহত্যার শিকার হয়েছিলেন, তা জাতীয় জীবনের সবচেয়ে বেদনাবিধুর অধ্যায়।

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর একটি অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে জনগণের ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হয়েছে। একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, শহীদদের স্বপ্ন ছিল একটি ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা, যেখানে দুর্নীতি, দুঃশাসন ও বৈষম্যের কোনো স্থান থাকবে না। ধর্ম-বর্ণ ও রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে সেই কাঙ্ক্ষিত দেশ গঠনে সবাইকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

পরিশেষে, তিনি ২৫ মার্চসহ স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে উজ্জীবিত করেছে: রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ০৯:৫০:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

২৫ মার্চের ভয়াল কালরাত ও ‘গণহত্যা দিবস’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ১৯৭১ সালের সেই সংকটময় মুহূর্তে মহান স্বাধীনতার ঘোষণা বিভ্রান্ত ও দ্বিধাগ্রস্ত জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে এবং সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনন্য প্রেরণা জুগিয়েছিল।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী যখন ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে নিরস্ত্র ও ঘুমন্ত বাঙালির ওপর ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞ চালায়, তখন পুরো জাতি এক স্তব্ধ ও বাকরুদ্ধ অবস্থায় পড়েছিল। সেই বিভীষিকাময় পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামের ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের আনুষ্ঠানিক বিদ্রোহ এবং কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তৎকালীন মেজর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা মুক্তিকামী মানুষকে অসীম সাহসী করে তোলে। এই ঘোষণা জাতিকে সুসংগঠিত করে প্রাণ উৎসর্গ করার মন্ত্রে উজ্জীবিত করেছিল, যার চূড়ান্ত পরিণতি ছিল ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর অর্জিত গৌরবময় বিজয়।

বাণীতে ২৫ মার্চের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস, তৎকালীন ইপিআর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ওই রাতে ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী ও সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ যেভাবে নির্মম গণহত্যার শিকার হয়েছিলেন, তা জাতীয় জীবনের সবচেয়ে বেদনাবিধুর অধ্যায়।

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর একটি অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে জনগণের ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হয়েছে। একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, শহীদদের স্বপ্ন ছিল একটি ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা, যেখানে দুর্নীতি, দুঃশাসন ও বৈষম্যের কোনো স্থান থাকবে না। ধর্ম-বর্ণ ও রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে সেই কাঙ্ক্ষিত দেশ গঠনে সবাইকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

পরিশেষে, তিনি ২৫ মার্চসহ স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।