ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরগচি জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ করা হয়নি। বরং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আগ্রাসনের সঙ্গে জড়িত দেশগুলোর জাহাজের ওপর সীমিত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। অন্য দেশগুলোর জন্য নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে প্রস্তুত রয়েছে তেহরান।
শুক্রবার (২০ মার্চ) জাপানের কায়দো নিউজকে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রণালি বন্ধ করিনি। এটি খোলা রয়েছে।’
আরাগচি জোর দিয়ে বলেন, ইরান স্থায়ীভাবে যুদ্ধের অবসান চায়। তিনি জানান, ভবিষ্যতে যাতে কোনো হামলা না হয় সে নিশ্চয়তা এবং ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করাই যে কোনো সমাধানের শর্ত।
তিনি আরও বলেন, আগ্রাসী দেশগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোতেই কেবল সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে। অন্যদিকে, জাপানের মতো দেশ সহযোগিতা করলে তাদের জাহাজ চলাচলে ইরান নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিতসু মোতেগির সঙ্গে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাপানি জাহাজ চলাচল নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চললেও বিস্তারিত প্রকাশ করা সম্ভব নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আরাগচি তথাকথিত এই যুদ্ধকে ‘অবৈধ ও অযৌক্তিক আগ্রাসন’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ইরানের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে তেহরান-ওয়াশিংটনের পরোক্ষ আলোচনা চলাকালেই এই হামলা শুরু হয়।
তিনি বলেন, ইরানের প্রতিক্রিয়া আত্মরক্ষামূলক এবং যতদিন প্রয়োজন ততদিন তা চলবে।
ইরানি এই শীর্ষ কূটনীতিক আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে, বিশেষ করে জাপানকে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি আরও জানান, বিভিন্ন দেশ যুদ্ধের অবসানে মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে এবং ইরান যেকোনো উদ্যোগ বিবেচনায় নিতে প্রস্তুত। তবে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চললেও যুক্তরাষ্ট্র এখনো প্রকৃত সমাধানে আগ্রহ দেখায়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি

নিজস্ব সংবাদ : 






















