ঢাকা ০১:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ইরানে নওরোজের আবহে ঈদুল ফিতর উদযাপন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:১০:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
  • ৯৮ বার পড়া হয়েছে

ইরানের মুসলমানরা আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন। শনিবার (২১ মার্চ) একযোগে পারস্য নববর্ষ নওরোজের প্রথম দিনের সঙ্গে পালিত হয়েছে ঈদ। দেশটির রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় হোজ্জত-ওল-ইসলাম হাজ আলী আকবারির নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয় ঈদের প্রধান জামাত।

এদিন ভোর ৪টায় গ্র্যান্ড মোসাল্লার ফটক খুলে দেওয়া হয় এবং সকাল ৬টা ৩০ মিনিট থেকে শুরু হয় বিভিন্ন আয়োজন। সকাল ৮টায় ঈদের নামাজ ও খুতবা শুরু হয়, যেখানে অসংখ্য ধর্মপ্রাণ মুসল্লি একত্রিত হয়ে ইবাদতে অংশ নেন।

ঈদুল ফিতর ইসলাম ধর্মের অন্যতম প্রধান উৎসব, যা পবিত্র রমজান মাসের সমাপ্তি নির্দেশ করে। শাওয়াল মাসের নতুন চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ এ দিনের ঘোষণা দেয়।

ঈদের দিন বিশেষ জামাতের নামাজ আদায় করা হয়, যা সাধারণত খোলা ময়দান বা বড় মসজিদে অনুষ্ঠিত হয় এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও কৃতজ্ঞতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।

পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুযায়ী, মুসলমানরা রমজানের শেষ দিন পর্যন্ত রোজা পালন করেন এবং ঈদের নামাজের আগে জাকাতুল ফিতর আদায় করেন, যা দরিদ্রদের সহায়তায় প্রদান করা হয়।

‘রোজা ভাঙার উৎসব’ হিসেবে পরিচিত ঈদুল ফিতরে রোজা রাখা নিষিদ্ধ এবং ২৯ বা ৩০ দিনের সিয়াম সাধনার সমাপ্তি উদযাপন করা হয়।

ইরানে শনিবার ঈদ উদযাপিত হলেও, চাঁদ দেখার ভিন্নতার কারণে অন্যান্য অনেক মুসলিম দেশে শুক্রবার ঈদ পালিত হয়েছে।

স্থানীয়ভাবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ঈদের তারিখ নির্ধারণ করা হয়, যার ফলে বিশ্বজুড়ে এই উৎসবের তারিখে কিছুটা পার্থক্য দেখা যায়।

সার্বিকভাবে, ঈদুল ফিতর আধ্যাত্মিক পুনর্জাগরণ ও সামাজিক আনন্দের এক অনন্য সংমিশ্রণ, যা এক মাসের সংযম ও ইবাদতের পর মুসলমানদের জন্য বয়ে আনে আনন্দ ও শান্তির বার্তা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ইরানে নওরোজের আবহে ঈদুল ফিতর উদযাপন

আপডেট সময় ০৫:১০:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

ইরানের মুসলমানরা আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন। শনিবার (২১ মার্চ) একযোগে পারস্য নববর্ষ নওরোজের প্রথম দিনের সঙ্গে পালিত হয়েছে ঈদ। দেশটির রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় হোজ্জত-ওল-ইসলাম হাজ আলী আকবারির নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয় ঈদের প্রধান জামাত।

এদিন ভোর ৪টায় গ্র্যান্ড মোসাল্লার ফটক খুলে দেওয়া হয় এবং সকাল ৬টা ৩০ মিনিট থেকে শুরু হয় বিভিন্ন আয়োজন। সকাল ৮টায় ঈদের নামাজ ও খুতবা শুরু হয়, যেখানে অসংখ্য ধর্মপ্রাণ মুসল্লি একত্রিত হয়ে ইবাদতে অংশ নেন।

ঈদুল ফিতর ইসলাম ধর্মের অন্যতম প্রধান উৎসব, যা পবিত্র রমজান মাসের সমাপ্তি নির্দেশ করে। শাওয়াল মাসের নতুন চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ এ দিনের ঘোষণা দেয়।

ঈদের দিন বিশেষ জামাতের নামাজ আদায় করা হয়, যা সাধারণত খোলা ময়দান বা বড় মসজিদে অনুষ্ঠিত হয় এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও কৃতজ্ঞতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।

পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুযায়ী, মুসলমানরা রমজানের শেষ দিন পর্যন্ত রোজা পালন করেন এবং ঈদের নামাজের আগে জাকাতুল ফিতর আদায় করেন, যা দরিদ্রদের সহায়তায় প্রদান করা হয়।

‘রোজা ভাঙার উৎসব’ হিসেবে পরিচিত ঈদুল ফিতরে রোজা রাখা নিষিদ্ধ এবং ২৯ বা ৩০ দিনের সিয়াম সাধনার সমাপ্তি উদযাপন করা হয়।

ইরানে শনিবার ঈদ উদযাপিত হলেও, চাঁদ দেখার ভিন্নতার কারণে অন্যান্য অনেক মুসলিম দেশে শুক্রবার ঈদ পালিত হয়েছে।

স্থানীয়ভাবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ঈদের তারিখ নির্ধারণ করা হয়, যার ফলে বিশ্বজুড়ে এই উৎসবের তারিখে কিছুটা পার্থক্য দেখা যায়।

সার্বিকভাবে, ঈদুল ফিতর আধ্যাত্মিক পুনর্জাগরণ ও সামাজিক আনন্দের এক অনন্য সংমিশ্রণ, যা এক মাসের সংযম ও ইবাদতের পর মুসলমানদের জন্য বয়ে আনে আনন্দ ও শান্তির বার্তা।