ঢাকা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থনকে বিশ্বব্যাপী প্রচার করতে চায় আর্জেন্টিনা Logo বাংলাদেশের সামনে এখন তিনটি বড় লড়াই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী Logo নেতানিয়াহুকে মানসিকভাবে সুস্থ রাখতে মাঝেমধ্যে কঠিন হতে হয়: ট্রাম্প Logo সরকারের কাঁধে হাসিনা ও আওয়ামী লীগের ভূত সওয়ার হয়েছে: মামুনুল হক Logo ২৩ জুন উপলক্ষে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo দেশের স্বার্থে প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রে যাব, আমাদের কাউকে খুশি করার জন্য নাচতে হবে না Logo সব মন্ত্রণালয়ে তিনি আজান দেন একামতও দেন, মাঝেমধ্যে সংসদে ফতোয়াও দেন Logo নারীকে ‘আপনি কি সেই মাল’ বলা ওসি এনামুল প্রত্যাহার Logo যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ‘বাজি’ ধরলে কখনো ‘পস্তাতে হবে না’: রাষ্ট্রদূত Logo রোহিঙ্গাদের জন্য নতুন জমি বরাদ্দে জাতিসংঘের প্রস্তাবে বাংলাদেশের ‘না’

ফরিদপুর ঈদের নামাজ পড়েই সংঘর্ষ, বহু আহত

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:৩৮:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষেই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুই গ্রামের বাসিন্দারা।

আজ শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর ও ছোট হামেরদী গ্রামে মধ্যে দুই ঘণ্টাব্যাপী দফায় দফায় চলে এ সংঘর্ষ। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২৫ জন লোক আহত হয়েছেন। এ সময় ৩০-৪০টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, দুইপক্ষের লোকজন ঢাল, সড়কি, রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে-অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এসময় এলাকায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদ জন্য দুজনকে আটক করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপিনাথপুর গ্ৰামের কুদ্দুস মুন্সী ও হাসান মুন্সীর সঙ্গে ছোট হামিরদী গ্ৰামের লিটন মাতুব্বরের লোকজনের দুই দিন আগে চা খাওয়ার সময় তর্কের জেরে ধরে মধ্য রাতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনার জের ধরে দুই গ্রামের বাসিন্দা রাতভর দেশীয় অস্ত্র জোগাড় শুরু করে সংঘর্ষের জন্য প্রস্তুতি নেয়।

পরে ঈদের নামাজ পড়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। থেমে থেমে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে কমপক্ষে ২৫ গ্ৰামবাসী গুরুতর আহত হয়। সংঘর্ষে ৩০-৪০টি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষ চলাকালে সুযোগ সন্ধানীরা ১০১২টি গবাদি পশু, নগদ অর্থসহ দামি মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করেন। দেশীয় অস্ত্র ঢাল, সড়কি, কালি ও ইটের আঘাতে গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে পুলিশ ও স্থানীয়রা। তাদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মধ্যরাতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর পর আজ ঈদের নামাজের পড়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফের সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কিছু বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে।

তিনি বলেন, আমি সঙ্গীয় ফোর্স ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে (ভাঙ্গা সার্কেল) সঙ্গে নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। পরবর্তীতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে গ্ৰামের মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থনকে বিশ্বব্যাপী প্রচার করতে চায় আর্জেন্টিনা

ফরিদপুর ঈদের নামাজ পড়েই সংঘর্ষ, বহু আহত

আপডেট সময় ০৩:৩৮:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষেই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুই গ্রামের বাসিন্দারা।

আজ শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর ও ছোট হামেরদী গ্রামে মধ্যে দুই ঘণ্টাব্যাপী দফায় দফায় চলে এ সংঘর্ষ। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২৫ জন লোক আহত হয়েছেন। এ সময় ৩০-৪০টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, দুইপক্ষের লোকজন ঢাল, সড়কি, রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে-অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এসময় এলাকায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদ জন্য দুজনকে আটক করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপিনাথপুর গ্ৰামের কুদ্দুস মুন্সী ও হাসান মুন্সীর সঙ্গে ছোট হামিরদী গ্ৰামের লিটন মাতুব্বরের লোকজনের দুই দিন আগে চা খাওয়ার সময় তর্কের জেরে ধরে মধ্য রাতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনার জের ধরে দুই গ্রামের বাসিন্দা রাতভর দেশীয় অস্ত্র জোগাড় শুরু করে সংঘর্ষের জন্য প্রস্তুতি নেয়।

পরে ঈদের নামাজ পড়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। থেমে থেমে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে কমপক্ষে ২৫ গ্ৰামবাসী গুরুতর আহত হয়। সংঘর্ষে ৩০-৪০টি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষ চলাকালে সুযোগ সন্ধানীরা ১০১২টি গবাদি পশু, নগদ অর্থসহ দামি মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করেন। দেশীয় অস্ত্র ঢাল, সড়কি, কালি ও ইটের আঘাতে গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে পুলিশ ও স্থানীয়রা। তাদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মধ্যরাতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর পর আজ ঈদের নামাজের পড়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফের সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কিছু বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে।

তিনি বলেন, আমি সঙ্গীয় ফোর্স ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে (ভাঙ্গা সার্কেল) সঙ্গে নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। পরবর্তীতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে গ্ৰামের মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।