ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ইরানি তেলে সাময়িক ছাড়, ৩০ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা তুলছে যুক্তরাষ্ট্র Logo গণভোট হারাম হলে, সংসদ নির্বাচন হালাল হয় কীভাবে—প্রশ্ন জামায়াত আমিরের Logo সিরিয়ায় ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা সৌদি আরবের Logo ইরানে নওরোজের আবহে ঈদুল ফিতর উদযাপন Logo হরমুজ প্রণালী খোলা রয়েছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ইরান যুদ্ধের নিন্দা, কারবালায় ঈদের নামাজে লাখো শিয়া মুসল্লির সমাবেশ Logo নওরোজে পুতিনের বার্তা: কঠিন সময়ে ইরানের পাশে আছে রাশিয়া Logo বৃষ্টি উপেক্ষা করে ষাটগম্বুজ মসজিদে হাজারো মুসল্লি Logo ইসরায়েলের আয়রন ডোমের ‘গোপন তথ্য’ যেভাবে চলে যায় ইরানের হাতে Logo সুলতানি আমলের ঈদ আনন্দ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেছি: আসিফ মাহমুদ

দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় পর জাতীয় ঈদগাহে কোনো প্রধানমন্ত্রীর নামাজ আদায়

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:১৬:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দান-এ পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় আয়োজিত এ জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

এর মাধ্যমে দীর্ঘ ৩৫ বছর পর জাতীয় ঈদগাহে একজন পুরুষ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঈদের প্রধান জামাতে অংশগ্রহণ করলেন তারেক রহমান। এর আগে ১৯৮৯-৯০ সালে কাজী জাফর আহমদ দেশের পুরুষ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে নারীরা প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর একসঙ্গে ঈদের জামাতে অংশগ্রহণকে রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এর আগে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দিন আহমেদ এবং নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনুস প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে জাতীয় ঈদগাহের জামাতে অংশ নিয়েছিলেন। তবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৯৯০ সালের পর এই প্রথম এ ময়দানে নামাজ আদায় করলেন কেউ।

এ দিকে ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ-এর খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক। দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে খুতবা অনুষ্ঠিত হয় এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

নামাজ আদায়ের জন্য সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে দলে দলে মুসল্লিরা ঈদগাহের দিকে আসতে থাকেন। কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে জামাত শুরুর প্রায় দুই ঘণ্টা আগে থেকেই মুসল্লিদের প্রবেশ শুরু হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, পল্টন মোড় থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাব-এর সামনে পর্যন্ত দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঈদগাহে প্রবেশ করছেন মুসল্লিরা। অন্যদিকে মৎস্য ভবন এলাকা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রান্ত থেকেও সারিবদ্ধভাবে মানুষের আগমন লক্ষ্য করা যায়। ক্রমেই মুসল্লিদের পদচারণায় ভরে ওঠে ঈদগাহ ময়দান।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন-এর ব্যবস্থাপনায় ঈদগাহ ময়দান প্রস্তুত করা হয়। জামাতে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিচারপতি, রাজনৈতিক নেতা, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

নারীদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ, অযু ও নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়। পাশাপাশি মুসল্লিদের জন্য মেডিকেল টিম ও পর্যাপ্ত অযুখানার সুবিধা নিশ্চিত করা হয়। সব মিলিয়ে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়, যার মধ্যে সাড়ে তিন হাজার ছিল নারী মুসল্লি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানি তেলে সাময়িক ছাড়, ৩০ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা তুলছে যুক্তরাষ্ট্র

দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় পর জাতীয় ঈদগাহে কোনো প্রধানমন্ত্রীর নামাজ আদায়

আপডেট সময় ১১:১৬:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

রাজধানীর হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দান-এ পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় আয়োজিত এ জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

এর মাধ্যমে দীর্ঘ ৩৫ বছর পর জাতীয় ঈদগাহে একজন পুরুষ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঈদের প্রধান জামাতে অংশগ্রহণ করলেন তারেক রহমান। এর আগে ১৯৮৯-৯০ সালে কাজী জাফর আহমদ দেশের পুরুষ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে নারীরা প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর একসঙ্গে ঈদের জামাতে অংশগ্রহণকে রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এর আগে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দিন আহমেদ এবং নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনুস প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে জাতীয় ঈদগাহের জামাতে অংশ নিয়েছিলেন। তবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৯৯০ সালের পর এই প্রথম এ ময়দানে নামাজ আদায় করলেন কেউ।

এ দিকে ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ-এর খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক। দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে খুতবা অনুষ্ঠিত হয় এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

নামাজ আদায়ের জন্য সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে দলে দলে মুসল্লিরা ঈদগাহের দিকে আসতে থাকেন। কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে জামাত শুরুর প্রায় দুই ঘণ্টা আগে থেকেই মুসল্লিদের প্রবেশ শুরু হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, পল্টন মোড় থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাব-এর সামনে পর্যন্ত দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঈদগাহে প্রবেশ করছেন মুসল্লিরা। অন্যদিকে মৎস্য ভবন এলাকা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রান্ত থেকেও সারিবদ্ধভাবে মানুষের আগমন লক্ষ্য করা যায়। ক্রমেই মুসল্লিদের পদচারণায় ভরে ওঠে ঈদগাহ ময়দান।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন-এর ব্যবস্থাপনায় ঈদগাহ ময়দান প্রস্তুত করা হয়। জামাতে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিচারপতি, রাজনৈতিক নেতা, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

নারীদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ, অযু ও নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়। পাশাপাশি মুসল্লিদের জন্য মেডিকেল টিম ও পর্যাপ্ত অযুখানার সুবিধা নিশ্চিত করা হয়। সব মিলিয়ে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়, যার মধ্যে সাড়ে তিন হাজার ছিল নারী মুসল্লি।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481