ঢাকা ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে: পাকিস্তান হাইকমিশনার Logo শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাবিতে নবীনবরণ, ‘পাইলট প্রকল্প’ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার ইঙ্গিত Logo এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ Logo আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা Logo পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের Logo আগস্টে সারা দেশে শোডাউনের চিন্তা আ.লীগের, ২ ডজন কমিটি গঠন Logo ইরানে হিজাববিহীন গান গাওয়ার অপরাধে গায়িকাকে ৭৪ দোররা মারার নির্দেশ Logo মেসির বাবার মৃত্যুর খবর প্রচার করে চাকরি হারালেন উপস্থাপিকাসহ পুরো টিম Logo ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১০ Logo ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ চেয়ে নিজেই হার মানলেন ট্রাম্প

হাদি হত্যাকারীদের ফেরত পাঠানো প্রসঙ্গে যা বলছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:৫১:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। তার সঙ্গে আলমগীর হোসেন নামে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে।

ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশের অভিযোগে রাজ্য পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানা গেছে।

এদিকে হাদি হত্যা মামলার আসামিদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন গণমাধ্যমকর্মীরা। তবে রাজ্য পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাদের বাংলাদেশে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া রাজ্য পুলিশের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না; এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ভারত সরকার।

কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশের উপদূতাবাস জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ভারত সরকারের কাছে কনস্যুলার এক্সেস চাওয়া হয়েছে। কনস্যুলার এক্সেসের মাধ্যমে বিদেশি নাগরিকদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশের কূটনীতিকরা যোগাযোগ করতে পারেন।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, হাদি হত্যাকাণ্ডের পর ফয়সাল মাসুদ ও আলমগীর হোসেন বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে বৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন।

পরবর্তীতে তারা ভারতের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান পরিবর্তন করে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। পুলিশের দাবি, সীমান্ত পেরিয়ে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের।

এর আগে কিছু বাংলাদেশি গণমাধ্যমে তাদের গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশিত হলেও সে সময় ভারতীয় পুলিশ ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ তা নাকচ করেছিল।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার বিজয়নগরে জুমার নামাজের পর রিক্সায় হাদি গুলিবিদ্ধ হন। বেশ কিছুদিন দেশে চিকিৎসা নেওয়ার পর গত ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি। তার মৃত্যুর পর তার হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জোরালো হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে: পাকিস্তান হাইকমিশনার

হাদি হত্যাকারীদের ফেরত পাঠানো প্রসঙ্গে যা বলছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ

আপডেট সময় ০৮:৫১:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। তার সঙ্গে আলমগীর হোসেন নামে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে।

ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশের অভিযোগে রাজ্য পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানা গেছে।

এদিকে হাদি হত্যা মামলার আসামিদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন গণমাধ্যমকর্মীরা। তবে রাজ্য পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাদের বাংলাদেশে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া রাজ্য পুলিশের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না; এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ভারত সরকার।

কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশের উপদূতাবাস জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ভারত সরকারের কাছে কনস্যুলার এক্সেস চাওয়া হয়েছে। কনস্যুলার এক্সেসের মাধ্যমে বিদেশি নাগরিকদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশের কূটনীতিকরা যোগাযোগ করতে পারেন।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, হাদি হত্যাকাণ্ডের পর ফয়সাল মাসুদ ও আলমগীর হোসেন বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে বৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন।

পরবর্তীতে তারা ভারতের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান পরিবর্তন করে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। পুলিশের দাবি, সীমান্ত পেরিয়ে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের।

এর আগে কিছু বাংলাদেশি গণমাধ্যমে তাদের গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশিত হলেও সে সময় ভারতীয় পুলিশ ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ তা নাকচ করেছিল।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার বিজয়নগরে জুমার নামাজের পর রিক্সায় হাদি গুলিবিদ্ধ হন। বেশ কিছুদিন দেশে চিকিৎসা নেওয়ার পর গত ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি। তার মৃত্যুর পর তার হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জোরালো হয়।