ঢাকা ০৪:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

চট্টগ্রাম বন্দরের বিষয়ে সব সিদ্ধান্ত জনগণকে জানিয়ে নিতে হবে: ফরহাদ মজহার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:১৯:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৬৮ বার পড়া হয়েছে

কবি, প্রাবন্ধিক ও চিন্তক ফরহাদ মজহার বলেছেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দর শুধু একটি অর্থনৈতিক স্থাপনা নয়। এটি জনগণের সম্পদ ও সামরিক স্থাপনাও। কোনো গোপনীয় চুক্তি হতে পারে না। বন্দরের বিষয়ে সকল সিদ্ধান্ত জনগণকে জানিয়ে নিতে হবে।’

শুক্রবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বন্দর সুরক্ষা কমিটির আয়োজনে ‘চট্টগ্রাম বন্দর সুরক্ষা বনাম বন্দর অচলের রাজনীতি’ শীর্ষক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। প্রসঙ্গক্রমে ফরজাদ মাজহার বলেন, ‘বন্দর ইস্যুকে শুধু অর্থনৈতিক দিক থেকে দেখলে চলবে না। এটি সরাসরি সামরিক প্রশ্ন। জনগণের সম্পদের বিষয়ে চুক্তির ভার আমলাদের ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না। অবশ্যই জনগণকে পরিষ্কারভাবে জানাতে হবে। তাদের মত নিতে হবে।’

বন্দর সুরক্ষা কমিটির আহ্বায়ক ফরহাদ মজাহারের সভাপতিত্বে ও সচস্য সচিব মেজর (অব.) আহমেদন ফেরদৌসের সঞ্চালনায় মতবিনিয়ম সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির চট্টগ্রাম সমন্বয়ক সাংবাদিক সালেহ নোমান। লিখিত বক্তব্য রাখেন আরেক সমন্বয়ক ফিল্ম মেকার মোহাম্মদ রোমেল। উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দরের চলমান আন্দোলেনের নেতৃত্বে থাকা শ্রমিক নেতা হুমায়ুন কবির ও ইব্রাহিম খোকন, জুলাই যোদ্ধা তৌহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক আব্দুল্লাহ তুহিন।

চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে বৃহৎ টার্মিনাল নিউ মুরিং টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার ভার মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়াল্ডকে দেওয়ার প্রতিবাদে গত ৩১ জানুয়ারি থেকে বৃস্পতিবার পর্যন্ত টানা ছয়দিন কর্মবিরতি ছিল বন্দরজুড়ে। শ্রমিকদের এই কর্মবিরতির ফলে বন্দর অচল হয়ে যাওয়ার বিষয়টিকে বিদেশিদের সঙ্গে চুক্তির পেছনে যুক্তি হিসেবে ব্যবহারের আশঙ্কা করছেন চিন্তক ফরহাদ মজহার।

তিনি বলেন, চুক্তি বাতিলের দাবিতে আন্দোলনের কারণে বন্দর অচল হয়েছে। এবার শ্রমিকদের দোষী করেই যুক্তি দিয়ে চুক্তির পক্ষের যুক্তি দেওয়া হবে। এটি দ্বিমুখী তলোয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এখন দক্ষতা, অদক্ষতার প্রশ্ন সামনে আনা হয়েছে। আমাদের শ্রমিকদের দক্ষ করে তুলতে পারি না কেন আমরা? বন্দর পিছিয়ে রাখা হচ্ছে কেন?

গণসার্বভৌমত্বের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে ফরহাদ মজাহার বলেন, চব্বিশের পাঁচ আগস্টের পর জনগণের ক্ষমতা ছিল। আমরা সেটাকে আবার ফিরিয়ে দিয়েছি পুরাতন ব্যবস্থায়। এই শব্দের অর্থ বুঝতে না পারায় জনগণের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এখন সরকার, সংসদ বা রাষ্ট্র চাইলেই জনগণের মতামত না নিয়ে বিদেশিদের কাছে ইজারা দিতে পারছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

চট্টগ্রাম বন্দরের বিষয়ে সব সিদ্ধান্ত জনগণকে জানিয়ে নিতে হবে: ফরহাদ মজহার

আপডেট সময় ০১:১৯:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কবি, প্রাবন্ধিক ও চিন্তক ফরহাদ মজহার বলেছেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দর শুধু একটি অর্থনৈতিক স্থাপনা নয়। এটি জনগণের সম্পদ ও সামরিক স্থাপনাও। কোনো গোপনীয় চুক্তি হতে পারে না। বন্দরের বিষয়ে সকল সিদ্ধান্ত জনগণকে জানিয়ে নিতে হবে।’

শুক্রবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বন্দর সুরক্ষা কমিটির আয়োজনে ‘চট্টগ্রাম বন্দর সুরক্ষা বনাম বন্দর অচলের রাজনীতি’ শীর্ষক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। প্রসঙ্গক্রমে ফরজাদ মাজহার বলেন, ‘বন্দর ইস্যুকে শুধু অর্থনৈতিক দিক থেকে দেখলে চলবে না। এটি সরাসরি সামরিক প্রশ্ন। জনগণের সম্পদের বিষয়ে চুক্তির ভার আমলাদের ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না। অবশ্যই জনগণকে পরিষ্কারভাবে জানাতে হবে। তাদের মত নিতে হবে।’

বন্দর সুরক্ষা কমিটির আহ্বায়ক ফরহাদ মজাহারের সভাপতিত্বে ও সচস্য সচিব মেজর (অব.) আহমেদন ফেরদৌসের সঞ্চালনায় মতবিনিয়ম সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির চট্টগ্রাম সমন্বয়ক সাংবাদিক সালেহ নোমান। লিখিত বক্তব্য রাখেন আরেক সমন্বয়ক ফিল্ম মেকার মোহাম্মদ রোমেল। উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দরের চলমান আন্দোলেনের নেতৃত্বে থাকা শ্রমিক নেতা হুমায়ুন কবির ও ইব্রাহিম খোকন, জুলাই যোদ্ধা তৌহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক আব্দুল্লাহ তুহিন।

চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে বৃহৎ টার্মিনাল নিউ মুরিং টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার ভার মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়াল্ডকে দেওয়ার প্রতিবাদে গত ৩১ জানুয়ারি থেকে বৃস্পতিবার পর্যন্ত টানা ছয়দিন কর্মবিরতি ছিল বন্দরজুড়ে। শ্রমিকদের এই কর্মবিরতির ফলে বন্দর অচল হয়ে যাওয়ার বিষয়টিকে বিদেশিদের সঙ্গে চুক্তির পেছনে যুক্তি হিসেবে ব্যবহারের আশঙ্কা করছেন চিন্তক ফরহাদ মজহার।

তিনি বলেন, চুক্তি বাতিলের দাবিতে আন্দোলনের কারণে বন্দর অচল হয়েছে। এবার শ্রমিকদের দোষী করেই যুক্তি দিয়ে চুক্তির পক্ষের যুক্তি দেওয়া হবে। এটি দ্বিমুখী তলোয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এখন দক্ষতা, অদক্ষতার প্রশ্ন সামনে আনা হয়েছে। আমাদের শ্রমিকদের দক্ষ করে তুলতে পারি না কেন আমরা? বন্দর পিছিয়ে রাখা হচ্ছে কেন?

গণসার্বভৌমত্বের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে ফরহাদ মজাহার বলেন, চব্বিশের পাঁচ আগস্টের পর জনগণের ক্ষমতা ছিল। আমরা সেটাকে আবার ফিরিয়ে দিয়েছি পুরাতন ব্যবস্থায়। এই শব্দের অর্থ বুঝতে না পারায় জনগণের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এখন সরকার, সংসদ বা রাষ্ট্র চাইলেই জনগণের মতামত না নিয়ে বিদেশিদের কাছে ইজারা দিতে পারছে।