ঢাকা ০৬:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

সরকারি খাদ্য গোডাউনে ৫৬২ মেট্রিক টন ধান-চালের হদিস মেলেনি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:৫৬:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১২০ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামে সরকারি খাদ্য গোডাউনে ৫২১ মেট্রিক টন ধান ও সাড়ে ৪১ মেট্রিক টন চালের হদিস পাওয়া পায়নি। এ ছাড়াও গোডাউনে নিম্নমানের চালের মজুত পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। রবিবার (১১ জানুয়ারি) কুড়িগ্রাম সদরের সরকারি খাদ্য গুদামে পরিচালিত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযানে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, কুড়িগ্রামের সহকারী পরিচালক সাবদারুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদক প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাবদারুল ইসলামের নেতৃত্বে এই অভিযান উপসহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান চৌধুরী এবং আতিকুর রহমান অংশ নেন। এ সময় খাদ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি এলএসডি) উপস্থিত ছিলেন।

অভিযান সূত্রে জানা গেছে, সরকারি খাদ্য গুদামে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিম্নমানের চাল সংগ্রহ করা, নতুন বস্তার পরিবর্তে পুরাতন বস্তা ক্রয় এবং গুদামের খাদ্যশস্য অন্যত্র বিক্রি করে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হয় এমন অভিযোগে অভিযান চালায় দুদক। অভিযানে জেলা সদরের ১২টি গুদামের খাদ্য মজুত যাচাই করা হয়। এতে বিভিন্ন গুদামে প্রায় ৫২১ মেট্রিক টন ধান এবং ১ হাজার ৩৭২ বস্তা চাল ঘাটতি পাওয়া গেছে। ৩০ কেজি ওজনের বস্তার এসব চালের ওজন প্রায় ৪১ মেট্রিক টন। এ ছাড়াও একটি গুদামে ৫০ কেজি ওজনের ২ হাজার ৪০৭ বস্তা ( প্রায় ১২০ মেট্রিকটন) চাল পাওয়া গেছে যার মজুদের কোনও নথি দেখাতে পারেনি খাদ্য বিভাগ।

অভিযানে খাদ্য পরিদর্শক ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, এলএসডি) শরীফ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। তবে গুদামের এই পরিমাণ খাদ্যশস্য ঘাটতির বিষয়ে তিনি কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি।

দুদক সহকারী পরিচালক সাবদারুল ইসলাম বলেন, ধান-চাল ঘাটতি এবং অতিরিক্ত চালের বস্তা মজুতের বিষয়ে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা কোনও রেজিস্টার, রেকর্ড বই বা কোনও প্রকার ডকুমেন্টস দেখাতে পারেনি। এ বিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক একটি যাচাই কমিটি করে দিয়েছেন। তারা বিষয়গুলো যাচাই করে প্রতিবেদন দেবেন। সেটি সহ আমরা আমাদের অভিযানের সার্বিক বিষয় প্রতিবেদন আকারে আমরা প্রধান কার্যালয়ে পাঠাবো। তাদের নির্দেশনা মোতাবেক পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী হামিদুল হক ও ওসি (এলএসডি) শরীফ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তারা কেউ ফোন রিসিভ করেননি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

সরকারি খাদ্য গোডাউনে ৫৬২ মেট্রিক টন ধান-চালের হদিস মেলেনি

আপডেট সময় ১১:৫৬:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

কুড়িগ্রামে সরকারি খাদ্য গোডাউনে ৫২১ মেট্রিক টন ধান ও সাড়ে ৪১ মেট্রিক টন চালের হদিস পাওয়া পায়নি। এ ছাড়াও গোডাউনে নিম্নমানের চালের মজুত পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। রবিবার (১১ জানুয়ারি) কুড়িগ্রাম সদরের সরকারি খাদ্য গুদামে পরিচালিত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযানে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, কুড়িগ্রামের সহকারী পরিচালক সাবদারুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদক প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাবদারুল ইসলামের নেতৃত্বে এই অভিযান উপসহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান চৌধুরী এবং আতিকুর রহমান অংশ নেন। এ সময় খাদ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি এলএসডি) উপস্থিত ছিলেন।

অভিযান সূত্রে জানা গেছে, সরকারি খাদ্য গুদামে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিম্নমানের চাল সংগ্রহ করা, নতুন বস্তার পরিবর্তে পুরাতন বস্তা ক্রয় এবং গুদামের খাদ্যশস্য অন্যত্র বিক্রি করে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হয় এমন অভিযোগে অভিযান চালায় দুদক। অভিযানে জেলা সদরের ১২টি গুদামের খাদ্য মজুত যাচাই করা হয়। এতে বিভিন্ন গুদামে প্রায় ৫২১ মেট্রিক টন ধান এবং ১ হাজার ৩৭২ বস্তা চাল ঘাটতি পাওয়া গেছে। ৩০ কেজি ওজনের বস্তার এসব চালের ওজন প্রায় ৪১ মেট্রিক টন। এ ছাড়াও একটি গুদামে ৫০ কেজি ওজনের ২ হাজার ৪০৭ বস্তা ( প্রায় ১২০ মেট্রিকটন) চাল পাওয়া গেছে যার মজুদের কোনও নথি দেখাতে পারেনি খাদ্য বিভাগ।

অভিযানে খাদ্য পরিদর্শক ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, এলএসডি) শরীফ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। তবে গুদামের এই পরিমাণ খাদ্যশস্য ঘাটতির বিষয়ে তিনি কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি।

দুদক সহকারী পরিচালক সাবদারুল ইসলাম বলেন, ধান-চাল ঘাটতি এবং অতিরিক্ত চালের বস্তা মজুতের বিষয়ে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা কোনও রেজিস্টার, রেকর্ড বই বা কোনও প্রকার ডকুমেন্টস দেখাতে পারেনি। এ বিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক একটি যাচাই কমিটি করে দিয়েছেন। তারা বিষয়গুলো যাচাই করে প্রতিবেদন দেবেন। সেটি সহ আমরা আমাদের অভিযানের সার্বিক বিষয় প্রতিবেদন আকারে আমরা প্রধান কার্যালয়ে পাঠাবো। তাদের নির্দেশনা মোতাবেক পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী হামিদুল হক ও ওসি (এলএসডি) শরীফ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তারা কেউ ফোন রিসিভ করেননি।