ঢাকা ০৯:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ফরিদপুরে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:২৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১১৫ বার পড়া হয়েছে

ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা–সদরপুর–চরভদ্রাসন) জাতীয় সংসদীয় আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসেনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) আসনটির নির্বাচনী কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত ফরিদপুরের সিভিল জজ মোহাম্মদ রুহুল আমিনের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাকে শোকজ করা হয়।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রণীত নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা, ১৯৯২ এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮ (সংশোধিত)-এর একাধিক ধারা সুস্পষ্টভাবে লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রচারণাকালে মাওলানা সরোয়ার হোসেন অনুমোদনহীনভাবে নির্ধারিত বিধি লঙ্ঘন করে কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন বলে তদন্তে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টিগোচর হলে কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী এই শোকজ নোটিশ জারি করা হয়।
নোটিশে আরো বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থীকে লিখিতভাবে তার ব্যাখ্যা প্রদান করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে নির্বাচন আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে।

তবে এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসেনের পক্ষ থেকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালনে নির্বাচন কমিশন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এর আগেও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে একাধিক প্রার্থী ও নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ফরিদপুরে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ

আপডেট সময় ১২:২৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা–সদরপুর–চরভদ্রাসন) জাতীয় সংসদীয় আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসেনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) আসনটির নির্বাচনী কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত ফরিদপুরের সিভিল জজ মোহাম্মদ রুহুল আমিনের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাকে শোকজ করা হয়।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রণীত নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা, ১৯৯২ এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮ (সংশোধিত)-এর একাধিক ধারা সুস্পষ্টভাবে লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রচারণাকালে মাওলানা সরোয়ার হোসেন অনুমোদনহীনভাবে নির্ধারিত বিধি লঙ্ঘন করে কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন বলে তদন্তে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টিগোচর হলে কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী এই শোকজ নোটিশ জারি করা হয়।
নোটিশে আরো বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থীকে লিখিতভাবে তার ব্যাখ্যা প্রদান করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে নির্বাচন আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে।

তবে এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসেনের পক্ষ থেকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালনে নির্বাচন কমিশন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এর আগেও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে একাধিক প্রার্থী ও নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।