ঢাকা ০২:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

‘হ্যাঁ ভোট দিলে ১৬ই ডিসেম্বর-২৬শে মার্চ থাকবে না’: বিএনপি নেতার বক্তব্য

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৫০:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১০৬ বার পড়া হয়েছে
  • নিউজ ডেস্ক:
    গণভোট নিয়ে শেরপুরের শ্রীবরদী পৌর বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুল হক চৌধুরী অকুলের বক্তব্য ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। তার বক্তব্যের একটি ভিডিও মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাত থেকে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। বক্তব্যে তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে ১৯৭২ সালের সংবিধান, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, ১৬ই ডিসেম্বর ও ২৬শে মার্চ থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন।

গত ৫ জানুয়ারি রাতে শ্রীবরদী পৌর শহরের ৫নং ওয়াডের ফতেপুর এলাকায় একটি উঠান বৈঠকে ফজলুল হক চৌধুরী অকুল বক্তব্য দেন।

ভাইরাল হওয়া ৩ মিনিট ২৫ সেকেন্ডের ভিডিওতে ফজলুল হক চৌধুরী অকুল বলেন, একটি গণভোট হবে। সেখানে কোনোক্রমেই হ্যাঁ ভোট জয়যুক্ত হয় তাহলে এদেশে স্বাধীনতার পরে ৭২-এ যে সংবিধান ছিল, শেখ মুজিবুর রহমান করেছিল, ড. কামাল হোসেনের হাতে লেখা, এই সংবিধান পুরোপুরি মুছে ফেলা হবে। ৭১ সালের যে যুদ্ধটা হয়েছিল সেটা আর বাংলাদেশে থাকবে না। যে সংস্করণটা চাওয়া হচ্ছে সেখানে লিখা আছে ৭১ সালের যে যুদ্ধটা হয়েছে সেটা বাদ দিয়ে ২৪ এর যে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে, ৭১ সালের জায়গাটা জামায়াত ইসলাম নেবে। এর একটি কারণ হলো ৭১ সালের যুদ্ধ জামায়াত ইসলাম চায়নি, তারা ৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হোক সেটা তারা চাইনি। যারা আওয়ামী লীগ করেন তারা খেয়াল করে শুনবেন। যদি হ্যাঁ জয়যুক্ত হয় তাহলে আওয়ামী লীগ কিন্তু একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে স্থগিত হয়েছে, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারবে না। যদি হ্যাঁ জয়যুক্ত হয় তাহলে আওয়ামী লীগ একেবারে আজীবনের জন্য একেবারে কোনো মিছিল মিটিং ছাড়া সংবিধান অনুযায়ী বাতিল হয়ে যাবে। ২৪ সালের গণহত্যার জন্য আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, যদি হ্যাঁতে ভোট দেন। ১৬ই ডিসেম্বর থাকবে না, ২৬শে মার্চ থাকবে না, ৭১ সাল/মুক্তিযুদ্ধ থাকবে না। ৭১ সালে যে মা-বোনেরা যুদ্ধ করেছে, ইজ্জত দিয়েছে ৩০ লাখ মা-বোনেরা ইজ্জত দিয়েছে এটা থাকবে না। অর্থাৎ যারা আওয়ামী লীগ করেন ‘না’ ভোটের জন্য হলেও সকল দল মিলে দেশে নির্বাচন হোক। আওয়ামী লীগ দলটা রক্ষার জন্য হলেও জনগণকে ‘না’ ভোট দেওয়ার আহ্বান। এবার না হল সামনে যেন সকল দল একটা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারি, ৫ বছর পরে সকল দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারি। আপনারা যারা আওয়ামী লীগ করেন, দল রক্ষা করার জন্য কেন্দ্রে যাইতে হবে, দল রক্ষা করার জন্য ‘না’ ভোট দিতে হবে। সার্বভৌমত্ব, দেশ রক্ষার জন্য ৭১ যেভাবে আছে তার একটা ইতিহাস আছে, এটা রক্ষার জন্য হলেও ‘না’ ভোট দেবেন। যারা আওয়ামী লীগ করেন আপনাদের কেন্দ্রে অবশ্যই যেতে হবে, যদি আপনাদের দলকে রক্ষা করতে চান। যেহেতু আপনাদের এইবার কোনো প্রার্থী নেই, দয়া করে এইবার আপনারা আমাদের ভোট দেবেন আর বিএনপি যারা করে তারা আমাদেরকে অবশ্যই ভোট দেবে। ‘না’ ভোট দেওয়ার জন্য যারা কেন্দ্রে যাবেন- অবশ্যই কেন্দ্রে যেতে হবে, আওয়ামী লীগ রক্ষা করার জন্য হলেও আপনাদের কেন্দ্রে যেতে হবে।

এ বিষয়ে শ্রীবরদী পৌর বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুল হক চৌধুরী অকুলের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শ্রীবরদী পৌর বিএনপির সদস্য সচিব এস এম সোহান বলেন, ফজলুল হক চৌধুরী অকুল যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটি তার একান্ত বিষয়। তার বক্তব্যের দায়ভার দল নেবে না। পৌর বিএনপির এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য নেই।

তবে শ্রীবরদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন দুলাল বলেন, অকুলের বক্তব্যের ভিডিওটি কাটছাঁট করে উপস্থাপন করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করবেন এবং এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলেও জানিয়েছেন। সন্ধ্যার পর সংবাদ সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে।

এদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শেরপুর জেলা প্রধান সমন্বয়কারী ও শেরপুর-১ আসনের মনোনীত প্রার্থী প্রকৌশলী মো. লিখন মিয়া বলেন, আমি শ্রীবরদী পৌর বিএনপির আহ্বায়কের বক্তব্য দেখেছি। আমরা কেউই ‘না’ ভোটের পক্ষে নই। বিএনপি বরাবরই মিথ্যাচার করছে। তারা ভারতের ইশারায় রাজনীতি করছে। এ বিষয়ে আমরা দলীয়ভাবে বিবৃতি দেওয়ার কথা ভাবছি।

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান জানান, বিএনপি নেতার বক্তব্য তারা দেখেছেন, তবে এ বিষয়ে দলীয়ভাবে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, দেশের সংস্কারের লক্ষ্যে যে গণভোটের কথা বলা হচ্ছে, সেখানে আমরা অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে।

এ বিষয়ে শেরপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম জানান, তিনি ফজলুল হক চৌধুরী অকুলের সঙ্গে কথা বলেছেন। অকুল দাবি করেছেন, ভিডিওটি বিকৃত করা হয়েছে এবং এটি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি। তিনি নিজে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি জানাবেন।

জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, অকুল যেহেতু ভুল স্বীকার করেছেন, তাই এ বিষয়ে দলীয়ভাবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

‘হ্যাঁ ভোট দিলে ১৬ই ডিসেম্বর-২৬শে মার্চ থাকবে না’: বিএনপি নেতার বক্তব্য

আপডেট সময় ০৬:৫০:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • নিউজ ডেস্ক:
    গণভোট নিয়ে শেরপুরের শ্রীবরদী পৌর বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুল হক চৌধুরী অকুলের বক্তব্য ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। তার বক্তব্যের একটি ভিডিও মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাত থেকে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। বক্তব্যে তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে ১৯৭২ সালের সংবিধান, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, ১৬ই ডিসেম্বর ও ২৬শে মার্চ থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন।

গত ৫ জানুয়ারি রাতে শ্রীবরদী পৌর শহরের ৫নং ওয়াডের ফতেপুর এলাকায় একটি উঠান বৈঠকে ফজলুল হক চৌধুরী অকুল বক্তব্য দেন।

ভাইরাল হওয়া ৩ মিনিট ২৫ সেকেন্ডের ভিডিওতে ফজলুল হক চৌধুরী অকুল বলেন, একটি গণভোট হবে। সেখানে কোনোক্রমেই হ্যাঁ ভোট জয়যুক্ত হয় তাহলে এদেশে স্বাধীনতার পরে ৭২-এ যে সংবিধান ছিল, শেখ মুজিবুর রহমান করেছিল, ড. কামাল হোসেনের হাতে লেখা, এই সংবিধান পুরোপুরি মুছে ফেলা হবে। ৭১ সালের যে যুদ্ধটা হয়েছিল সেটা আর বাংলাদেশে থাকবে না। যে সংস্করণটা চাওয়া হচ্ছে সেখানে লিখা আছে ৭১ সালের যে যুদ্ধটা হয়েছে সেটা বাদ দিয়ে ২৪ এর যে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে, ৭১ সালের জায়গাটা জামায়াত ইসলাম নেবে। এর একটি কারণ হলো ৭১ সালের যুদ্ধ জামায়াত ইসলাম চায়নি, তারা ৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হোক সেটা তারা চাইনি। যারা আওয়ামী লীগ করেন তারা খেয়াল করে শুনবেন। যদি হ্যাঁ জয়যুক্ত হয় তাহলে আওয়ামী লীগ কিন্তু একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে স্থগিত হয়েছে, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারবে না। যদি হ্যাঁ জয়যুক্ত হয় তাহলে আওয়ামী লীগ একেবারে আজীবনের জন্য একেবারে কোনো মিছিল মিটিং ছাড়া সংবিধান অনুযায়ী বাতিল হয়ে যাবে। ২৪ সালের গণহত্যার জন্য আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, যদি হ্যাঁতে ভোট দেন। ১৬ই ডিসেম্বর থাকবে না, ২৬শে মার্চ থাকবে না, ৭১ সাল/মুক্তিযুদ্ধ থাকবে না। ৭১ সালে যে মা-বোনেরা যুদ্ধ করেছে, ইজ্জত দিয়েছে ৩০ লাখ মা-বোনেরা ইজ্জত দিয়েছে এটা থাকবে না। অর্থাৎ যারা আওয়ামী লীগ করেন ‘না’ ভোটের জন্য হলেও সকল দল মিলে দেশে নির্বাচন হোক। আওয়ামী লীগ দলটা রক্ষার জন্য হলেও জনগণকে ‘না’ ভোট দেওয়ার আহ্বান। এবার না হল সামনে যেন সকল দল একটা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারি, ৫ বছর পরে সকল দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারি। আপনারা যারা আওয়ামী লীগ করেন, দল রক্ষা করার জন্য কেন্দ্রে যাইতে হবে, দল রক্ষা করার জন্য ‘না’ ভোট দিতে হবে। সার্বভৌমত্ব, দেশ রক্ষার জন্য ৭১ যেভাবে আছে তার একটা ইতিহাস আছে, এটা রক্ষার জন্য হলেও ‘না’ ভোট দেবেন। যারা আওয়ামী লীগ করেন আপনাদের কেন্দ্রে অবশ্যই যেতে হবে, যদি আপনাদের দলকে রক্ষা করতে চান। যেহেতু আপনাদের এইবার কোনো প্রার্থী নেই, দয়া করে এইবার আপনারা আমাদের ভোট দেবেন আর বিএনপি যারা করে তারা আমাদেরকে অবশ্যই ভোট দেবে। ‘না’ ভোট দেওয়ার জন্য যারা কেন্দ্রে যাবেন- অবশ্যই কেন্দ্রে যেতে হবে, আওয়ামী লীগ রক্ষা করার জন্য হলেও আপনাদের কেন্দ্রে যেতে হবে।

এ বিষয়ে শ্রীবরদী পৌর বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুল হক চৌধুরী অকুলের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শ্রীবরদী পৌর বিএনপির সদস্য সচিব এস এম সোহান বলেন, ফজলুল হক চৌধুরী অকুল যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটি তার একান্ত বিষয়। তার বক্তব্যের দায়ভার দল নেবে না। পৌর বিএনপির এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য নেই।

তবে শ্রীবরদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন দুলাল বলেন, অকুলের বক্তব্যের ভিডিওটি কাটছাঁট করে উপস্থাপন করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করবেন এবং এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলেও জানিয়েছেন। সন্ধ্যার পর সংবাদ সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে।

এদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শেরপুর জেলা প্রধান সমন্বয়কারী ও শেরপুর-১ আসনের মনোনীত প্রার্থী প্রকৌশলী মো. লিখন মিয়া বলেন, আমি শ্রীবরদী পৌর বিএনপির আহ্বায়কের বক্তব্য দেখেছি। আমরা কেউই ‘না’ ভোটের পক্ষে নই। বিএনপি বরাবরই মিথ্যাচার করছে। তারা ভারতের ইশারায় রাজনীতি করছে। এ বিষয়ে আমরা দলীয়ভাবে বিবৃতি দেওয়ার কথা ভাবছি।

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান জানান, বিএনপি নেতার বক্তব্য তারা দেখেছেন, তবে এ বিষয়ে দলীয়ভাবে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, দেশের সংস্কারের লক্ষ্যে যে গণভোটের কথা বলা হচ্ছে, সেখানে আমরা অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে।

এ বিষয়ে শেরপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম জানান, তিনি ফজলুল হক চৌধুরী অকুলের সঙ্গে কথা বলেছেন। অকুল দাবি করেছেন, ভিডিওটি বিকৃত করা হয়েছে এবং এটি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি। তিনি নিজে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি জানাবেন।

জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, অকুল যেহেতু ভুল স্বীকার করেছেন, তাই এ বিষয়ে দলীয়ভাবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।