ঢাকা ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

৮ বছরের সর্বোচ্চ পতনের পর ঘুরে দাঁড়িয়েছে ডলার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:২৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১০৮ বার পড়া হয়েছে

অর্থনীতির সঙ্গে সুদের হারের ব্যবধান কমে আসা, মার্কিন আর্থিক স্থিতিশীলতা নিয়ে ক্রমাগত উদ্বেগ, বৈশ্বিক বাণিজ্য যুদ্ধ এবং ফেডারেল রিজার্ভের স্বাধীনতা নিয়ে সংশয় এসবের কারণই দরপতনের পেছনে কাজ করেছিল।

বেশিরভাগ মুদ্রার বিপরীতে গত বছরের মন্দা কাটিয়ে শুক্রবার ২০২৬ সালের শুরুতে মার্কিন ডলার শক্তিশালী অবস্থানে ফিরেছে। বিনিয়োগকারীরা এখন এই সপ্তাহের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছেন, যা ফেডারেল রিজার্ভের নীতি এবং বিশ্ব বাজারকে প্রভাবিত করতে পারে।

২০১৭ সালের পর গত বছর ডলারের সর্বোচ্চ বার্ষিক দরপতন ঘটেছিল ৯ শতাংশেরও বেশি। অন্যান্য অর্থনীতির সঙ্গে সুদের হারের ব্যবধান কমে আসা, মার্কিন আর্থিক স্থিতিশীলতা নিয়ে ক্রমাগত উদ্বেগ, বৈশ্বিক বাণিজ্য যুদ্ধ এবং ফেডারেল রিজার্ভের স্বাধীনতা নিয়ে সংশয়—এই কারণগুলোই গত বছরের সেই দরপতনের পেছনে কাজ করেছিল। এই ঝুঁকিগুলো চলতি বছরেও বিদ্যমান রয়েছে।

পরবর্তী সপ্তাহে প্রচুর অর্থনৈতিক তথ্য প্রকাশিত হবে, যার মধ্যে শুক্রবারের পেরোল রিপোর্ট বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এই রিপোর্ট থেকে ধারণা পাওয়া যেতে পারে যে ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) কি সুদের হার আরও কমাবে কি না। বাজার ইতোমধ্যেই দুই বার হারের হ্রাস আশা করছে, যেখানে বিভক্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক একবার হ্রাসেরই পূর্বাভাস দিয়েছে।

মোনেক্স ইউএসএর ওয়াশিংটন ভিত্তিক ট্রেডিং পরিচালক জুয়ান পেরেজ বলেন, আসলে এটি হবে অনেক কিছু মূল্যায়ন করার সময়। এই মাসের শেষ নাগাদ ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠক হবে না, তবে বর্তমানে এ বিষয়ে কেউ এখনো একমত হয়নি।

মার্কিন সরকারের সাম্প্রতিক এই অচলাবস্থা ছিল নজিরবিহীন এবং অকল্পনীয়ভাবে দীর্ঘ। ফলে এটি তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং তথ্যের নির্ভুলতা পুরোপুরি যাচাই করার পদ্ধতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।

শুক্রবার জাপান ও চীনের বাজার বন্ধ থাকায় লেনদেনের পরিমাণ ছিল খুবই সামান্য।

ডলার ইনডেক্স—যা বিশ্বের প্রধান মুদ্রাগুলোর বিপরীতে গ্রিনব্যাক বা ডলারের মান পরিমাপ করে—তা ০ দশমিক ২৪ শতাংশ বেড়ে ৯৮ দশমিক ৪৮-এ দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, ইউরোর মান ০ দশমিক ২৫ শতাংশ কমে ১.১৭১৬ ডলার হয়েছে।

একটি জরিপ অনুসারে, গত ডিসেম্বরে ইউরো জোনের উৎপাদনমুখী শিল্পের কার্যক্রম গত নয় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। অথচ গত বছর এই মুদ্রার মান ১৩ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছিল, যা ২০১৭ সালের পর এর বৃহত্তম বার্ষিক উত্থান।

২০২৫ সালে ৭ দশমিক ৭ শতাংশ বৃদ্ধির পর স্টার্লিংয়ের মান ০ দশমিক ১৮ শতাংশ কমে ১.৩৪৪৫ ডলার হয়েছে। পাউন্ডের জন্যও গত বছরের সেই প্রবৃদ্ধি ছিল ২০১৭ সালের পর সর্বোচ্চ বার্ষিক বৃদ্ধি।

বিনিয়োগকারীরা এখন নজর রাখছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কাকে পরবর্তী ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান হিসেবে বেছে নেন, কারণ বর্তমান প্রধান জেরোম পাওয়েলের মেয়াদ মে মাসেই শেষ হতে যাচ্ছে।

ট্রাম্প জানিয়েছেন যে তিনি এই মাসেই ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান হিসেবে তার পছন্দের নাম ঘোষণা করবেন। বাজারের অনেক অংশগ্রহণকারী আশা করছেন যে, ট্রাম্পের মনোনীত ব্যক্তি সুদের হার কমানোর পক্ষে থাকবেন। কারণ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বারবার পাওয়েল এবং ফেডারেল রিজার্ভের সমালোচনা করে বলেছেন যে, তারা দ্রুত গতিতে এবং বড় আকারে ঋণের খরচ কমাতে ব্যর্থ হয়েছে।

ট্রেডাররা এ বছর দুইবার সুদের হার কমানোর বিষয়টি নিশ্চিত ধরে নিয়ে এগোচ্ছেন, যদিও বর্তমানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভক্ত বোর্ড মাত্র একবার কমানোর পূর্বাভাস দিয়েছে।

গোল্ডম্যান স্ট্র্যাটেজিস্টরা গ্রাহকদের জন্য একটি নোটে বলেছেন, ‘মধ্যমেয়াদে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা সংক্রান্ত উদ্বেগ ২০২৬ পর্যন্ত চলবে, এবং ফেডারেল রিজার্ভের নেতৃত্বে আসন্ন পরিবর্তন আমাদের ফেডারেল ফান্ডের হারের পূর্বাভাসে ঝুঁকিকে নীচের দিকে টানার একটি কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।’

২০২৫ সালে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ১ শতাংশেরও কম বাড়ার পর জাপানি ইয়েন আরও ০.১৬ শতাংশ দুর্বল হয়ে ডলার প্রতি ১৫৬.৯১-এ দাঁড়িয়েছে। ইয়েন নভেম্বর মাসে ১০ মাসের ন্যূনতম ১৫৭.৮৯-এ পৌঁছেছিল, যা নীতিনির্ধারকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং জাপান ব্যাংকের সম্ভাব্য হস্তক্ষেপের প্রত্যাশা বাড়িয়েছে।

ব্যাংক অফ জাপান গত বছর দুইবার সুদের হার বাড়ালেও তা ইয়েনের মান বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা রাখেনি, কারণ বিনিয়োগকারীরা আরও আগ্রাসী পদক্ষেপের অপেক্ষায় ছিলেন।

এলএসইজি-এর তথ্য অনুযায়ী, আগামী জুলাইয়ের আগে ব্যাংক অফ জাপানের সুদের হার পুনরায় বাড়ার সম্ভাবনা ৫০ শতাংশের বেশি নয়।

এদিকে ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজারে, বিটকয়েনের দাম ১.৬৪ শতাংশ বেড়ে ৮৯ হাজার ৭৪১.৬১ ডলার হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

৮ বছরের সর্বোচ্চ পতনের পর ঘুরে দাঁড়িয়েছে ডলার

আপডেট সময় ১২:২৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

অর্থনীতির সঙ্গে সুদের হারের ব্যবধান কমে আসা, মার্কিন আর্থিক স্থিতিশীলতা নিয়ে ক্রমাগত উদ্বেগ, বৈশ্বিক বাণিজ্য যুদ্ধ এবং ফেডারেল রিজার্ভের স্বাধীনতা নিয়ে সংশয় এসবের কারণই দরপতনের পেছনে কাজ করেছিল।

বেশিরভাগ মুদ্রার বিপরীতে গত বছরের মন্দা কাটিয়ে শুক্রবার ২০২৬ সালের শুরুতে মার্কিন ডলার শক্তিশালী অবস্থানে ফিরেছে। বিনিয়োগকারীরা এখন এই সপ্তাহের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছেন, যা ফেডারেল রিজার্ভের নীতি এবং বিশ্ব বাজারকে প্রভাবিত করতে পারে।

২০১৭ সালের পর গত বছর ডলারের সর্বোচ্চ বার্ষিক দরপতন ঘটেছিল ৯ শতাংশেরও বেশি। অন্যান্য অর্থনীতির সঙ্গে সুদের হারের ব্যবধান কমে আসা, মার্কিন আর্থিক স্থিতিশীলতা নিয়ে ক্রমাগত উদ্বেগ, বৈশ্বিক বাণিজ্য যুদ্ধ এবং ফেডারেল রিজার্ভের স্বাধীনতা নিয়ে সংশয়—এই কারণগুলোই গত বছরের সেই দরপতনের পেছনে কাজ করেছিল। এই ঝুঁকিগুলো চলতি বছরেও বিদ্যমান রয়েছে।

পরবর্তী সপ্তাহে প্রচুর অর্থনৈতিক তথ্য প্রকাশিত হবে, যার মধ্যে শুক্রবারের পেরোল রিপোর্ট বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এই রিপোর্ট থেকে ধারণা পাওয়া যেতে পারে যে ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) কি সুদের হার আরও কমাবে কি না। বাজার ইতোমধ্যেই দুই বার হারের হ্রাস আশা করছে, যেখানে বিভক্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক একবার হ্রাসেরই পূর্বাভাস দিয়েছে।

মোনেক্স ইউএসএর ওয়াশিংটন ভিত্তিক ট্রেডিং পরিচালক জুয়ান পেরেজ বলেন, আসলে এটি হবে অনেক কিছু মূল্যায়ন করার সময়। এই মাসের শেষ নাগাদ ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠক হবে না, তবে বর্তমানে এ বিষয়ে কেউ এখনো একমত হয়নি।

মার্কিন সরকারের সাম্প্রতিক এই অচলাবস্থা ছিল নজিরবিহীন এবং অকল্পনীয়ভাবে দীর্ঘ। ফলে এটি তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং তথ্যের নির্ভুলতা পুরোপুরি যাচাই করার পদ্ধতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।

শুক্রবার জাপান ও চীনের বাজার বন্ধ থাকায় লেনদেনের পরিমাণ ছিল খুবই সামান্য।

ডলার ইনডেক্স—যা বিশ্বের প্রধান মুদ্রাগুলোর বিপরীতে গ্রিনব্যাক বা ডলারের মান পরিমাপ করে—তা ০ দশমিক ২৪ শতাংশ বেড়ে ৯৮ দশমিক ৪৮-এ দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, ইউরোর মান ০ দশমিক ২৫ শতাংশ কমে ১.১৭১৬ ডলার হয়েছে।

একটি জরিপ অনুসারে, গত ডিসেম্বরে ইউরো জোনের উৎপাদনমুখী শিল্পের কার্যক্রম গত নয় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। অথচ গত বছর এই মুদ্রার মান ১৩ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছিল, যা ২০১৭ সালের পর এর বৃহত্তম বার্ষিক উত্থান।

২০২৫ সালে ৭ দশমিক ৭ শতাংশ বৃদ্ধির পর স্টার্লিংয়ের মান ০ দশমিক ১৮ শতাংশ কমে ১.৩৪৪৫ ডলার হয়েছে। পাউন্ডের জন্যও গত বছরের সেই প্রবৃদ্ধি ছিল ২০১৭ সালের পর সর্বোচ্চ বার্ষিক বৃদ্ধি।

বিনিয়োগকারীরা এখন নজর রাখছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কাকে পরবর্তী ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান হিসেবে বেছে নেন, কারণ বর্তমান প্রধান জেরোম পাওয়েলের মেয়াদ মে মাসেই শেষ হতে যাচ্ছে।

ট্রাম্প জানিয়েছেন যে তিনি এই মাসেই ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান হিসেবে তার পছন্দের নাম ঘোষণা করবেন। বাজারের অনেক অংশগ্রহণকারী আশা করছেন যে, ট্রাম্পের মনোনীত ব্যক্তি সুদের হার কমানোর পক্ষে থাকবেন। কারণ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বারবার পাওয়েল এবং ফেডারেল রিজার্ভের সমালোচনা করে বলেছেন যে, তারা দ্রুত গতিতে এবং বড় আকারে ঋণের খরচ কমাতে ব্যর্থ হয়েছে।

ট্রেডাররা এ বছর দুইবার সুদের হার কমানোর বিষয়টি নিশ্চিত ধরে নিয়ে এগোচ্ছেন, যদিও বর্তমানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভক্ত বোর্ড মাত্র একবার কমানোর পূর্বাভাস দিয়েছে।

গোল্ডম্যান স্ট্র্যাটেজিস্টরা গ্রাহকদের জন্য একটি নোটে বলেছেন, ‘মধ্যমেয়াদে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা সংক্রান্ত উদ্বেগ ২০২৬ পর্যন্ত চলবে, এবং ফেডারেল রিজার্ভের নেতৃত্বে আসন্ন পরিবর্তন আমাদের ফেডারেল ফান্ডের হারের পূর্বাভাসে ঝুঁকিকে নীচের দিকে টানার একটি কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।’

২০২৫ সালে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ১ শতাংশেরও কম বাড়ার পর জাপানি ইয়েন আরও ০.১৬ শতাংশ দুর্বল হয়ে ডলার প্রতি ১৫৬.৯১-এ দাঁড়িয়েছে। ইয়েন নভেম্বর মাসে ১০ মাসের ন্যূনতম ১৫৭.৮৯-এ পৌঁছেছিল, যা নীতিনির্ধারকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং জাপান ব্যাংকের সম্ভাব্য হস্তক্ষেপের প্রত্যাশা বাড়িয়েছে।

ব্যাংক অফ জাপান গত বছর দুইবার সুদের হার বাড়ালেও তা ইয়েনের মান বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা রাখেনি, কারণ বিনিয়োগকারীরা আরও আগ্রাসী পদক্ষেপের অপেক্ষায় ছিলেন।

এলএসইজি-এর তথ্য অনুযায়ী, আগামী জুলাইয়ের আগে ব্যাংক অফ জাপানের সুদের হার পুনরায় বাড়ার সম্ভাবনা ৫০ শতাংশের বেশি নয়।

এদিকে ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজারে, বিটকয়েনের দাম ১.৬৪ শতাংশ বেড়ে ৮৯ হাজার ৭৪১.৬১ ডলার হয়েছে।