ঢাকা ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

বসুন্ধরা এলাকায় ‘মব’ সৃষ্টি করে আইনজীবীকে পিটিয়ে হত্যা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:১৭:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৫১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নাঈম কিবরিয়া (৩৫) নামের এক আইনজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, ‘মব’ সৃষ্টি করে নাঈম কিবরিয়াকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি পাবনা জেলা জজকোর্টের আইনজীবী ছিলেন। তার বাড়ি জেলার সদর উপজেলায়।

জানা গেছে, ঘটনার সময় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় মোটরসাইকেলে প্রাইভেট কারের ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে তাকে মারধর করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক রাতেই মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

নিহতের খালাতো ভাই রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, নাঈম কিবরিয়া ‘মব’ সন্ত্রাসের শিকার হয়েছেন। তিনি যে প্রাইভেট কারটি চালাচ্ছিলেন, সেটিও ভাঙচুর করেছে সন্ত্রাসীরা।

তিনি বলেন, নাঈম তার এক বন্ধুর প্রাইভেট কার নিয়ে বের হয়েছিলেন। রাতে তার মুঠোফোনে কল দিলে বসুন্ধরা এলাকার এক নিরাপত্তাকর্মী ধরেন। নিরাপত্তাকর্মী বলেন, নাঈমকে মারধর করে ফেলে রাখা হয়েছে। এরপর তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে নাঈমকে উদ্ধার করে হাসপাতাল নিয়ে যান।

তিনি আরও বলেন, নাঈম পাবনা জজ কোর্টের আইনজীবী ছিলেন। ১০ দিন আগে তিনি পাবনা থেকে এসে ঢাকার পূর্বাচলে তার বাসায় ওঠেন। পাবনায় নাঈমের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় মামলা রয়েছে। এই মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন নিতে তিনি ঢাকায় এসেছিলেন।

আজ ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফুল ইসলাম জানান, রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নাঈমের প্রাইভেট কারটির একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের আরোহীরা নাঈমকে প্রাইভেট কার থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। একপর্যায়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই ব্লকের ১০ নম্বর রোডে ওয়ালটন বাড়ির সামনে তাকে ফেলে রেখে যান তাঁরা। খবর পেয়ে নাঈমকে তাঁর স্বজনেরা উদ্ধার করেন। পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।

এসআই আরিফুল ইসলাম আরও জানান, নিহত নাঈম কিবরিয়ার গলা, হাত, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখমের চিহ্ন রয়েছে। বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

বসুন্ধরা এলাকায় ‘মব’ সৃষ্টি করে আইনজীবীকে পিটিয়ে হত্যা

আপডেট সময় ০৫:১৭:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নাঈম কিবরিয়া (৩৫) নামের এক আইনজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, ‘মব’ সৃষ্টি করে নাঈম কিবরিয়াকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি পাবনা জেলা জজকোর্টের আইনজীবী ছিলেন। তার বাড়ি জেলার সদর উপজেলায়।

জানা গেছে, ঘটনার সময় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় মোটরসাইকেলে প্রাইভেট কারের ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে তাকে মারধর করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক রাতেই মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

নিহতের খালাতো ভাই রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, নাঈম কিবরিয়া ‘মব’ সন্ত্রাসের শিকার হয়েছেন। তিনি যে প্রাইভেট কারটি চালাচ্ছিলেন, সেটিও ভাঙচুর করেছে সন্ত্রাসীরা।

তিনি বলেন, নাঈম তার এক বন্ধুর প্রাইভেট কার নিয়ে বের হয়েছিলেন। রাতে তার মুঠোফোনে কল দিলে বসুন্ধরা এলাকার এক নিরাপত্তাকর্মী ধরেন। নিরাপত্তাকর্মী বলেন, নাঈমকে মারধর করে ফেলে রাখা হয়েছে। এরপর তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে নাঈমকে উদ্ধার করে হাসপাতাল নিয়ে যান।

তিনি আরও বলেন, নাঈম পাবনা জজ কোর্টের আইনজীবী ছিলেন। ১০ দিন আগে তিনি পাবনা থেকে এসে ঢাকার পূর্বাচলে তার বাসায় ওঠেন। পাবনায় নাঈমের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় মামলা রয়েছে। এই মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন নিতে তিনি ঢাকায় এসেছিলেন।

আজ ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফুল ইসলাম জানান, রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নাঈমের প্রাইভেট কারটির একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের আরোহীরা নাঈমকে প্রাইভেট কার থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। একপর্যায়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই ব্লকের ১০ নম্বর রোডে ওয়ালটন বাড়ির সামনে তাকে ফেলে রেখে যান তাঁরা। খবর পেয়ে নাঈমকে তাঁর স্বজনেরা উদ্ধার করেন। পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।

এসআই আরিফুল ইসলাম আরও জানান, নিহত নাঈম কিবরিয়ার গলা, হাত, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখমের চিহ্ন রয়েছে। বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।