ঢাকা ০৪:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

জগন্নাথ হলে গোলাম আজম, নিজামীর ব্যঙ্গাত্মক ছবি মুছে দিল প্রশাসন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:০৪:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের রাস্তায় আঁকা যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত জামায়াত নেতা গোলাম আজম, মতিউর রহমান নিজামী ও কাদের মোল্লার ছবি মুছে দিয়েছে হল প্রশাসন।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে জগন্নাথ হল সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত ‘চিত্র প্রদর্শনী ও তুলির আঁচড়ে দ্রোহ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে হলের সড়কের মেঝেতে এই ঘৃণাসূচক প্রতিকৃতিগুলো এঁকেছিলেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিরাপত্তার দোহায় দিয়ে ছবিগুলো মুছে দিয়েছে হল প্রশাসন। তবে হল প্রশাসন বলছে, শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ছবিগুলো মুছে ফেলা হয়েছে।

গতকাল শনিবার রাতে হলের রবীন্দ্রভবন ও অক্টোবর স্মৃতি ভবন সংলগ্ন সড়ক এ ছবিগুলো আঁকা হয়, যা মুছে ফেলা হয়েছে রোববার সকাল ১০টার দিকে।

হল সংসদের ভিপি পল্লব বর্মণ বলেন, মুক্তিযুদ্ধে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জগন্নাথ হল। ১৪ ডিসেম্বর এই হলের জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করা হয়েছে। আমরা সেই ১৪ ডিসেম্বর স্মরণে ‘তুলির আঁচড়ে দ্রোহ’ নামে একটি কর্মসূচির আয়োজন করি। ওই কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা তাদের মধ্যে থাকা দ্রোহ দিয়ে এই ছবিগুলো এঁকেছিল।

তিনি আরও বলেন, হল প্রশাসন আমাদের নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে ছবিগুলো মুছে দিয়েছে। তাদের এই সিদ্ধান্তকে আমরা প্রত্যাখ্যান করি। এই কাজের জন্য হল প্রশাসনকে জবাবদিহি করতে বলা হবে।

জানতে চাইলে জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক দেবাশীষ পাল বলেন, কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত সাধারণ শিক্ষার্থীরা ছবিগুলো এঁকেছিল। তারা অনুমতি নিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের ছবিগুলো প্রদর্শন করবে। তবে এ ছবিগুলো আঁকার ফলে উদ্বোধন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়। হয়তো শিক্ষার্থীরা প্রশাসনকে বলে। তাই শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাকে নির্দেশ দেয় এগুলো মুছে দেওয়ার জন্য।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন মহলে কে বা কারা অভিযোগ করেছে, তা আমি জানি না। আমাকে আদেশ দেওয়া হয়েছে, তাই আমি মুছে ফেলেছি।

জানতে চাইলে প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা শুধু জিজ্ঞেস করেছি, এগুলো কী। আমরা কোনো নির্দেশ দেইনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

জগন্নাথ হলে গোলাম আজম, নিজামীর ব্যঙ্গাত্মক ছবি মুছে দিল প্রশাসন

আপডেট সময় ০৬:০৪:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

নিউজ ডেস্ক:

১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের রাস্তায় আঁকা যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত জামায়াত নেতা গোলাম আজম, মতিউর রহমান নিজামী ও কাদের মোল্লার ছবি মুছে দিয়েছে হল প্রশাসন।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে জগন্নাথ হল সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত ‘চিত্র প্রদর্শনী ও তুলির আঁচড়ে দ্রোহ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে হলের সড়কের মেঝেতে এই ঘৃণাসূচক প্রতিকৃতিগুলো এঁকেছিলেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিরাপত্তার দোহায় দিয়ে ছবিগুলো মুছে দিয়েছে হল প্রশাসন। তবে হল প্রশাসন বলছে, শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ছবিগুলো মুছে ফেলা হয়েছে।

গতকাল শনিবার রাতে হলের রবীন্দ্রভবন ও অক্টোবর স্মৃতি ভবন সংলগ্ন সড়ক এ ছবিগুলো আঁকা হয়, যা মুছে ফেলা হয়েছে রোববার সকাল ১০টার দিকে।

হল সংসদের ভিপি পল্লব বর্মণ বলেন, মুক্তিযুদ্ধে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জগন্নাথ হল। ১৪ ডিসেম্বর এই হলের জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করা হয়েছে। আমরা সেই ১৪ ডিসেম্বর স্মরণে ‘তুলির আঁচড়ে দ্রোহ’ নামে একটি কর্মসূচির আয়োজন করি। ওই কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা তাদের মধ্যে থাকা দ্রোহ দিয়ে এই ছবিগুলো এঁকেছিল।

তিনি আরও বলেন, হল প্রশাসন আমাদের নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে ছবিগুলো মুছে দিয়েছে। তাদের এই সিদ্ধান্তকে আমরা প্রত্যাখ্যান করি। এই কাজের জন্য হল প্রশাসনকে জবাবদিহি করতে বলা হবে।

জানতে চাইলে জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক দেবাশীষ পাল বলেন, কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত সাধারণ শিক্ষার্থীরা ছবিগুলো এঁকেছিল। তারা অনুমতি নিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের ছবিগুলো প্রদর্শন করবে। তবে এ ছবিগুলো আঁকার ফলে উদ্বোধন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়। হয়তো শিক্ষার্থীরা প্রশাসনকে বলে। তাই শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাকে নির্দেশ দেয় এগুলো মুছে দেওয়ার জন্য।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন মহলে কে বা কারা অভিযোগ করেছে, তা আমি জানি না। আমাকে আদেশ দেওয়া হয়েছে, তাই আমি মুছে ফেলেছি।

জানতে চাইলে প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা শুধু জিজ্ঞেস করেছি, এগুলো কী। আমরা কোনো নির্দেশ দেইনি।