ঢাকা ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

নকল ঘি-এর বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়ে বিপাকে অভিনেতা এজাজ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:৩৯:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১১৬ বার পড়া হয়েছে

জনপ্রিয় অভিনেতা ডা. এজাজ। বৈচিত্রময় চরিত্রে অভিনয় করে তিনি জয় করে নিয়েছেন দর্শকের হৃদয়। বিশেষ করে প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের নির্মাণের বহু নাটক ও সিনেমায় তার মজার চরিত্রগুলো এখনো আনন্দ দেয়।

এই অভিনেতা সম্প্রতি জানালেন বাজে এক অভিজ্ঞতার কথা।

প্রকাশ করলেন ক্ষোভও। খাঁটি-ঘি নামে একটি অনলাইন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনে যুক্ত থাকার পর ভোক্তা অধিদফতরে তলব এবং গ্রাহকদের প্রতারণার অভিযোগে হতাশ হয়েছেন তিনি। শেষ পর্যন্ত স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, জীবনে আর কখনও খাদ্যপণ্যের কোনো বিজ্ঞাপন করবেন না।

খাঁটি-ঘি নামের অনলাইন প্রতিষ্ঠানটির ঘি কেনার পর প্রতারণার শিকার হচ্ছেন ভক্ত-ক্রেতারা।

এসব অভিযোগে সরব সোশ্যাল মিডিয়া। বিষয়টি নজরে আসতেই হতাশ হয়েছেন অভিনেতা নিজেও।

একজন ক্ষতিগ্রস্ত ক্রেতা জানান, অনলাইনে নানা বিজ্ঞাপন দেখেও তিনি ভরসা পাননি। কিন্তু ডা. এজাজকে ঘিয়ের প্রচার করতে দেখে বিশ্বাস করে কিনেছিলেন।

পরে পণ্যের মান নিম্নমানের হওয়ায় প্রতারণার শিকার হন। এমন অভিযোগ দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে।

এই পরিস্থিতিতে ভোক্তা অধিদফতর ডেকে পাঠায় ডা. এজাজকে। তিনি জানান, বিজ্ঞাপন করার সময় তাকে বিএসটিআই (বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন)-এর অনুমোদন দেখানো হয়েছিল। সেটির ওপরই ভরসা করে তিনি বিজ্ঞাপনে অংশ নেন।

কিন্তু এখন তাদের প্রতারণার বিষয়টি জেনে তিনি ক্ষুব্দ প্রতিষ্ঠানটি যদি ভেজাল পণ্য বিক্রি করে থাকে এটা তদন্ত করে যেন ব্যবস্থা নেওয়া হয় সেটি তিনি ভোক্তা অধিদফতরকে লিখিতভাবে জানিয়ে এসেছেন।

তার ভাষ্য, ‘সব জায়গায় অসৎ মানুষের ভিড়। এই ঘটনার পর সিদ্ধান্ত নিয়েছি খাদ্যপণ্যের বিজ্ঞাপনে নিজেকে আর কখনোই যুক্ত করব না।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

নকল ঘি-এর বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়ে বিপাকে অভিনেতা এজাজ

আপডেট সময় ০৮:৩৯:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

জনপ্রিয় অভিনেতা ডা. এজাজ। বৈচিত্রময় চরিত্রে অভিনয় করে তিনি জয় করে নিয়েছেন দর্শকের হৃদয়। বিশেষ করে প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের নির্মাণের বহু নাটক ও সিনেমায় তার মজার চরিত্রগুলো এখনো আনন্দ দেয়।

এই অভিনেতা সম্প্রতি জানালেন বাজে এক অভিজ্ঞতার কথা।

প্রকাশ করলেন ক্ষোভও। খাঁটি-ঘি নামে একটি অনলাইন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনে যুক্ত থাকার পর ভোক্তা অধিদফতরে তলব এবং গ্রাহকদের প্রতারণার অভিযোগে হতাশ হয়েছেন তিনি। শেষ পর্যন্ত স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, জীবনে আর কখনও খাদ্যপণ্যের কোনো বিজ্ঞাপন করবেন না।

খাঁটি-ঘি নামের অনলাইন প্রতিষ্ঠানটির ঘি কেনার পর প্রতারণার শিকার হচ্ছেন ভক্ত-ক্রেতারা।

এসব অভিযোগে সরব সোশ্যাল মিডিয়া। বিষয়টি নজরে আসতেই হতাশ হয়েছেন অভিনেতা নিজেও।

একজন ক্ষতিগ্রস্ত ক্রেতা জানান, অনলাইনে নানা বিজ্ঞাপন দেখেও তিনি ভরসা পাননি। কিন্তু ডা. এজাজকে ঘিয়ের প্রচার করতে দেখে বিশ্বাস করে কিনেছিলেন।

পরে পণ্যের মান নিম্নমানের হওয়ায় প্রতারণার শিকার হন। এমন অভিযোগ দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে।

এই পরিস্থিতিতে ভোক্তা অধিদফতর ডেকে পাঠায় ডা. এজাজকে। তিনি জানান, বিজ্ঞাপন করার সময় তাকে বিএসটিআই (বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন)-এর অনুমোদন দেখানো হয়েছিল। সেটির ওপরই ভরসা করে তিনি বিজ্ঞাপনে অংশ নেন।

কিন্তু এখন তাদের প্রতারণার বিষয়টি জেনে তিনি ক্ষুব্দ প্রতিষ্ঠানটি যদি ভেজাল পণ্য বিক্রি করে থাকে এটা তদন্ত করে যেন ব্যবস্থা নেওয়া হয় সেটি তিনি ভোক্তা অধিদফতরকে লিখিতভাবে জানিয়ে এসেছেন।

তার ভাষ্য, ‘সব জায়গায় অসৎ মানুষের ভিড়। এই ঘটনার পর সিদ্ধান্ত নিয়েছি খাদ্যপণ্যের বিজ্ঞাপনে নিজেকে আর কখনোই যুক্ত করব না।’