ঢাকা ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

৯ মাসের মধ্যে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল চালু

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:১১:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
  • ৮২ বার পড়া হয়েছে

আগামী ৬ থেকে ৯ মাসের মধ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালু হতে পারে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

বুধবার ( ১১ই মার্চ ) বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে বেঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ আশাবাদের কথা জানান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথম বৈঠকে থার্ড টার্মিনাল দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছিলেন। এ বিষয়ে অগ্রগতি কতদূর জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে গেলেও আমরা যেটা দেখেছি যে, ৬ মাস থেকে ৯ মাস লাগবে। ৯ মাসের মধ্যে চালু হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

থার্ড টার্মিনাল নিয়ে শীঘ্রই জাইকার সঙ্গে বৈঠক হবে জানিয়ে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, জাইকার সঙ্গে আগের যে চুক্তি ছিল, তা রিভিউ করার চেষ্টা করছি। যদি ওটা ওদের সঙ্গে হয়ে যায়, তাহলে আমরা করব। আর না হলে আমরা ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে করব। এতে অন্তত ৯ মাস সময় লাগবে। চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তাদের সঙ্গে একটা সমঝোতা চুক্তি হয়েছিল পর্যটনের ব্যাপারে। সেটার কোনো অগ্রগতি হয়নি। সেই প্রসঙ্গে তারা এসেছিল।

পর্যটন শিল্পে তারা বিনিয়োগ করতে চায়। বিশেষ করে আমাদের সর্ববৃহৎ সমুদ্র সৈকত যেটা আছে কক্সবাজারে, সেখানে তাদের বিনিয়োগকারী এনে সম্ভাব্যতা যাচাই করে কীভাবে একটা ইন্টারন্যাশনাল উপযোগী বিচ করা যায়- সে ব্যাপারে তারা আলাপ করেছে। একই সঙ্গে তারা সিভিল এভিয়েশনে ৩টি অতিরিক্ত ফ্লাইটের সুবিধা চেয়েছে। তাদের কিছু ফ্লাইট আছে আমাদের সঙ্গে। সপ্তাহে ১২টা ফ্লাইট যায়।

সেক্ষেত্রে তারা ৩টি ফ্লাইট আরও বর্ধিত করতে চায়। সে ব্যাপারে তারা আমাদের কাছে ফ্রিকোয়েন্সি চেয়েছে। আমরা তাদের বলেছি অ্যাপ্লাই করার জন্য। বিষয়টি আমরা যাচাই করে দেখব। আমরা যাতে আরও তিনটি ফ্লাইট বাড়িয়ে দিতে পারি। এটার জন্য যাতে আমাদের সঙ্গে তাদের যাতায়াতের সুবিধা আরও বেশি হয়। তাদের সঙ্গে আমাদের কো-অপারেশনটা বেশি থাকে। আর এটি হলে পর্যটন ও সিভিল এভিয়েশনে ইনভেস্ট করতে পারবে।

তিনটি ফ্লাইট কোন কোন রুটে চলবে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুটো গুয়াংজু এবং একটি বেজিংয়ের জন্য। উনারা (চীন) আমাদের কাছে লিখবে। তারপর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হয়ে আমাদের কাছে আসলে সিভিল এভিয়েশন থেকে পারমিশন দেব।

তিনি আরও বলেন, কক্সবাজারে পর্যটন সুবিধা বৃদ্ধিতে সম্ভাব্যতা যাচাইযের বিষয়ে আমরা সম্মত হয়েছি এমনভাবে যে, আপনারা প্রপোজালটা দেন, তারপর আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যদি বাংলাদেশের জন্য প্রফিটেবল হয়, তখন আমরা এটা করব।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

৯ মাসের মধ্যে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল চালু

আপডেট সময় ০২:১১:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

আগামী ৬ থেকে ৯ মাসের মধ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালু হতে পারে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

বুধবার ( ১১ই মার্চ ) বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে বেঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ আশাবাদের কথা জানান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথম বৈঠকে থার্ড টার্মিনাল দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছিলেন। এ বিষয়ে অগ্রগতি কতদূর জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে গেলেও আমরা যেটা দেখেছি যে, ৬ মাস থেকে ৯ মাস লাগবে। ৯ মাসের মধ্যে চালু হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

থার্ড টার্মিনাল নিয়ে শীঘ্রই জাইকার সঙ্গে বৈঠক হবে জানিয়ে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, জাইকার সঙ্গে আগের যে চুক্তি ছিল, তা রিভিউ করার চেষ্টা করছি। যদি ওটা ওদের সঙ্গে হয়ে যায়, তাহলে আমরা করব। আর না হলে আমরা ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে করব। এতে অন্তত ৯ মাস সময় লাগবে। চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তাদের সঙ্গে একটা সমঝোতা চুক্তি হয়েছিল পর্যটনের ব্যাপারে। সেটার কোনো অগ্রগতি হয়নি। সেই প্রসঙ্গে তারা এসেছিল।

পর্যটন শিল্পে তারা বিনিয়োগ করতে চায়। বিশেষ করে আমাদের সর্ববৃহৎ সমুদ্র সৈকত যেটা আছে কক্সবাজারে, সেখানে তাদের বিনিয়োগকারী এনে সম্ভাব্যতা যাচাই করে কীভাবে একটা ইন্টারন্যাশনাল উপযোগী বিচ করা যায়- সে ব্যাপারে তারা আলাপ করেছে। একই সঙ্গে তারা সিভিল এভিয়েশনে ৩টি অতিরিক্ত ফ্লাইটের সুবিধা চেয়েছে। তাদের কিছু ফ্লাইট আছে আমাদের সঙ্গে। সপ্তাহে ১২টা ফ্লাইট যায়।

সেক্ষেত্রে তারা ৩টি ফ্লাইট আরও বর্ধিত করতে চায়। সে ব্যাপারে তারা আমাদের কাছে ফ্রিকোয়েন্সি চেয়েছে। আমরা তাদের বলেছি অ্যাপ্লাই করার জন্য। বিষয়টি আমরা যাচাই করে দেখব। আমরা যাতে আরও তিনটি ফ্লাইট বাড়িয়ে দিতে পারি। এটার জন্য যাতে আমাদের সঙ্গে তাদের যাতায়াতের সুবিধা আরও বেশি হয়। তাদের সঙ্গে আমাদের কো-অপারেশনটা বেশি থাকে। আর এটি হলে পর্যটন ও সিভিল এভিয়েশনে ইনভেস্ট করতে পারবে।

তিনটি ফ্লাইট কোন কোন রুটে চলবে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুটো গুয়াংজু এবং একটি বেজিংয়ের জন্য। উনারা (চীন) আমাদের কাছে লিখবে। তারপর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হয়ে আমাদের কাছে আসলে সিভিল এভিয়েশন থেকে পারমিশন দেব।

তিনি আরও বলেন, কক্সবাজারে পর্যটন সুবিধা বৃদ্ধিতে সম্ভাব্যতা যাচাইযের বিষয়ে আমরা সম্মত হয়েছি এমনভাবে যে, আপনারা প্রপোজালটা দেন, তারপর আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যদি বাংলাদেশের জন্য প্রফিটেবল হয়, তখন আমরা এটা করব।