ঢাকা ১০:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের কোনো গোপন চুক্তি নেই : পররাষ্ট্রমন্ত্রী Logo রাজনীতি-অর্থনীতিতে পরিবর্তন না এলে ফের গণঅভ্যুত্থান হতে পারে: পরিবেশ মন্ত্রী Logo একজন পাইলটকে উদ্ধার করতে যুক্তরাষ্ট্রের বিলিয়ন ডলার মুহূর্তে ছাই! Logo মৃত্যুর আগেও মানুষ মুখে পানি দেওয়ার সুযোগ দেয়, আপনি তাও দেন না: স্পিকারকে এমপি মনিরুল Logo ইসরায়েলকে অস্ত্র সহায়তা দিচ্ছে না ফ্রান্স Logo ৪৮১ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী Logo হরমুজ প্রণালিতে ইসরায়েলি জাহাজে ইরানের ড্রোন হামলা Logo ইরানের বিরুদ্ধে সব ক্রুজ মিসাইল ব্যবহারের সিদ্ধান্তে যুক্তরাষ্ট্র Logo ট্রাম্পকে ‘পাগল’ আখ্যা দিয়ে বিশ্বনেতাদের সতর্ক করলেন আইএইএ-র সাবেক প্রধান আলবারাদি Logo বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদে সই না করার ব্যাখ্যাটা তাদেরকেই দিতে হবে: রুমিন ফারহানা

৪৮১ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:১৬:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
বিগত সরকারের সময় রাজনৈতিক বিবেচনায় তালিকাভুক্ত ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আহমদ আজম খান।

তিনি জানান, যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইতোমধ্যে ৪৮১ জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল করা হয়েছে।

রোববার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল মালিকের ৭১ বিধিতে দেওয়া জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের জবাবে মন্ত্রী এসব তথ্য তুলে ধরেন।

সংসদ সদস্য আব্দুল মালিক তার বক্তব্যে অভিযোগ করেন, গত ১৫ বছরে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা অবহেলার শিকার হয়েছেন। একই সময়ে অসাধু উপায়ে ভুয়া তথ্য দিয়ে অনেকেই মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন। বিশেষ করে সিলেটের বালাগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমা এলাকায় এ ধরনের অনিয়মের প্রভাব বেশি পড়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

জবাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী জানান, আগস্ট ২০২৪ থেকে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত সারা দেশে তদন্ত ও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে ৪৮১ জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান। প্রকৃত অর্থে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ বলতে কিছু নেই, তবে কিছু সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি অসাধু উপায়ে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার কাজ চলমান রয়েছে। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)-এর উপকমিটি অভিযোগের ভিত্তিতে নিয়মিত শুনানি ও যাচাই কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলেই সংশ্লিষ্টদের সনদ ও গেজেট বাতিল করা হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সিলেট অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান অনস্বীকার্য। মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানী এবং সাবেক নৌবাহিনী প্রধান মাহবুব আলী খানের স্মৃতিবিজড়িত এই অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি জানান, প্রবাসে অবস্থানরত যেসব মুক্তিযোদ্ধা এখনো ডিজিটাল সনদ বা স্মার্ট আইডি পাননি, তাদের আবেদনের ভিত্তিতে দ্রুত তা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি দক্ষিণ সুরমা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের কাজ দ্রুত হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বালাগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ ও সংস্কারের বিষয়টিও সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের কোনো গোপন চুক্তি নেই : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

৪৮১ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:১৬:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
বিগত সরকারের সময় রাজনৈতিক বিবেচনায় তালিকাভুক্ত ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আহমদ আজম খান।

তিনি জানান, যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইতোমধ্যে ৪৮১ জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল করা হয়েছে।

রোববার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল মালিকের ৭১ বিধিতে দেওয়া জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের জবাবে মন্ত্রী এসব তথ্য তুলে ধরেন।

সংসদ সদস্য আব্দুল মালিক তার বক্তব্যে অভিযোগ করেন, গত ১৫ বছরে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা অবহেলার শিকার হয়েছেন। একই সময়ে অসাধু উপায়ে ভুয়া তথ্য দিয়ে অনেকেই মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন। বিশেষ করে সিলেটের বালাগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমা এলাকায় এ ধরনের অনিয়মের প্রভাব বেশি পড়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

জবাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী জানান, আগস্ট ২০২৪ থেকে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত সারা দেশে তদন্ত ও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে ৪৮১ জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান। প্রকৃত অর্থে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ বলতে কিছু নেই, তবে কিছু সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি অসাধু উপায়ে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার কাজ চলমান রয়েছে। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)-এর উপকমিটি অভিযোগের ভিত্তিতে নিয়মিত শুনানি ও যাচাই কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলেই সংশ্লিষ্টদের সনদ ও গেজেট বাতিল করা হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সিলেট অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান অনস্বীকার্য। মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানী এবং সাবেক নৌবাহিনী প্রধান মাহবুব আলী খানের স্মৃতিবিজড়িত এই অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি জানান, প্রবাসে অবস্থানরত যেসব মুক্তিযোদ্ধা এখনো ডিজিটাল সনদ বা স্মার্ট আইডি পাননি, তাদের আবেদনের ভিত্তিতে দ্রুত তা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি দক্ষিণ সুরমা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের কাজ দ্রুত হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বালাগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ ও সংস্কারের বিষয়টিও সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481