ঢাকা ০১:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

হেনস্তা করা হচ্ছে নারী কর্মীদের, সিইসির কাছে জামায়াতের নালিশ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:২৫:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৮২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী নারী কর্মীদের ওপর হামলা, হেনস্তা এবং ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও সিসিক্যামেরা স্থাপনসহ নানা বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে দলটি এ তথ্য জানায়। প্রতিনিধি দলে ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং সাবেক সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলামসহ চারজন।

বৈঠক শেষে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ করে ঢাকা-১৫ আসনসহ বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় নারী কর্মীরা প্রচারণায় নামলে তাদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। নারী কর্মীদের অপদস্থ করা হচ্ছে এবং লজ্জাজনকভাবে তাদের নেকাব খোলার জন্য বাধ্য করা হচ্ছে। অনেকের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। নারীদের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়া একটি ইতিবাচক দিক, কিন্তু একটি নির্দিষ্ট দলের পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে যে আচরণ করা হচ্ছে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

তিনি জানান, নারীরা বাসায় গিয়ে এনআইডি বা বিকাশ নম্বর চাচ্ছেন— এমন দাবি সম্পূর্ণ অসত্য। মূলত জামায়াতের প্রতি নারীদের ব্যাপক সমর্থন দেখেই একটি বড় দল ভয়ভীতি প্রদর্শনের জন্য এমন করছে।

ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের বিষয়ে জামায়াতের এই নেতা অসন্তোষ প্রকাশ করে জানান, ইসি সিসি ক্যামেরা স্থাপনের যে সার্কুলার দিয়েছে, তা এখনো দৃশ্যমান নয়। যেসব কেন্দ্রে ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে, তা প্রয়োজনের তুলনায় অর্ধেক এবং ক্যামেরাগুলো মূলত কেন্দ্রের বাইরের দিকে মুখ করা। আমরা চাই কেন্দ্রের ভেতরেও ক্যামেরা থাকুক যাতে কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটলে তার প্রমাণ থাকে। এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতার জন্য তারা প্রধান উপদেষ্টা ও অর্থ উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বলেও জানান।

নির্বাচনে ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী দেওয়ার প্রতিশ্রুতি কেন রক্ষা করা হয়নি— এমন প্রশ্নের জবাবে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, নারী প্রার্থীদের বিষয়ে আমাদের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। আমাদের দলে তৃণমূলের পরামর্শ অনুযায়ী প্রার্থী ঠিক করা হয়। নারীরা রাজনীতিতে ৪ শতাংশের বেশি সক্রিয় থাকলেও পারিবারিক ও সামাজিক বাস্তবতার কারণে অনেকেই সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে অনীহা প্রকাশ করেছেন। তবে আগামীতে এই সংখ্যা বাড়বে বলে আমরা আশাবাদী।

প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালটের সময়সীমা নিয়ে সংশয় দূর করে তিনি জানান, ৩০ বা ৩১ তারিখের মধ্যে পোস্টাল ব্যালট পাঠালেও তা ১২ তারিখের মধ্যে পৌঁছালে গ্রহণ করা হবে বলে ইসি আশ্বস্ত করেছে। এছাড়া প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একপাক্ষিক আচরণের বিষয়েও নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রতিকার চেয়েছেন তারা।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে একটি সুষ্ঠু ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

হেনস্তা করা হচ্ছে নারী কর্মীদের, সিইসির কাছে জামায়াতের নালিশ

আপডেট সময় ০৬:২৫:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী নারী কর্মীদের ওপর হামলা, হেনস্তা এবং ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও সিসিক্যামেরা স্থাপনসহ নানা বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে দলটি এ তথ্য জানায়। প্রতিনিধি দলে ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং সাবেক সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলামসহ চারজন।

বৈঠক শেষে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ করে ঢাকা-১৫ আসনসহ বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় নারী কর্মীরা প্রচারণায় নামলে তাদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। নারী কর্মীদের অপদস্থ করা হচ্ছে এবং লজ্জাজনকভাবে তাদের নেকাব খোলার জন্য বাধ্য করা হচ্ছে। অনেকের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। নারীদের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়া একটি ইতিবাচক দিক, কিন্তু একটি নির্দিষ্ট দলের পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে যে আচরণ করা হচ্ছে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

তিনি জানান, নারীরা বাসায় গিয়ে এনআইডি বা বিকাশ নম্বর চাচ্ছেন— এমন দাবি সম্পূর্ণ অসত্য। মূলত জামায়াতের প্রতি নারীদের ব্যাপক সমর্থন দেখেই একটি বড় দল ভয়ভীতি প্রদর্শনের জন্য এমন করছে।

ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের বিষয়ে জামায়াতের এই নেতা অসন্তোষ প্রকাশ করে জানান, ইসি সিসি ক্যামেরা স্থাপনের যে সার্কুলার দিয়েছে, তা এখনো দৃশ্যমান নয়। যেসব কেন্দ্রে ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে, তা প্রয়োজনের তুলনায় অর্ধেক এবং ক্যামেরাগুলো মূলত কেন্দ্রের বাইরের দিকে মুখ করা। আমরা চাই কেন্দ্রের ভেতরেও ক্যামেরা থাকুক যাতে কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটলে তার প্রমাণ থাকে। এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতার জন্য তারা প্রধান উপদেষ্টা ও অর্থ উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বলেও জানান।

নির্বাচনে ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী দেওয়ার প্রতিশ্রুতি কেন রক্ষা করা হয়নি— এমন প্রশ্নের জবাবে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, নারী প্রার্থীদের বিষয়ে আমাদের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। আমাদের দলে তৃণমূলের পরামর্শ অনুযায়ী প্রার্থী ঠিক করা হয়। নারীরা রাজনীতিতে ৪ শতাংশের বেশি সক্রিয় থাকলেও পারিবারিক ও সামাজিক বাস্তবতার কারণে অনেকেই সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে অনীহা প্রকাশ করেছেন। তবে আগামীতে এই সংখ্যা বাড়বে বলে আমরা আশাবাদী।

প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালটের সময়সীমা নিয়ে সংশয় দূর করে তিনি জানান, ৩০ বা ৩১ তারিখের মধ্যে পোস্টাল ব্যালট পাঠালেও তা ১২ তারিখের মধ্যে পৌঁছালে গ্রহণ করা হবে বলে ইসি আশ্বস্ত করেছে। এছাড়া প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একপাক্ষিক আচরণের বিষয়েও নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রতিকার চেয়েছেন তারা।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে একটি সুষ্ঠু ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করবে।