ঢাকা ০৩:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

হাদির মৃত্যু নিয়ে ছিল বহুমুখী রাজনীতি : মাসুদ কামাল

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৩১:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • ৮৯ বার পড়া হয়েছে
সিনিয়র সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামাল বলেছেন, ওসমান হাদির মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি কম হয়নি। সে রাজনীতি ছিল বহুমুখী রাজনীতি। সে রাজনীতির মাধ্যমে যে কাজগুলো করা হয়েছে বলে মনে হয়, প্রথমত লক্ষ্য ছিল নির্বাচনকে পিছিয়ে দেওয়া। আরেকটা রাজনীতি ছিল, সেই ইস্যুটাকে সামনে রেখে আমাদের ’৭১ কে আরো অবমূল্যায়ন করা।

’৭১-এ যারা মহানায়ক ছিলেন তাদেরকে অবমূল্যায়ন করা। সেই অবমূল্যায়নের একটা নমুনাও আমরা দেখলাম যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব নামে ছাত্রদের যে হল ছিল সে হলের নাম চেঞ্জ করে তারা সেখানে শহীদ হাদির নামে নামকরণ করেছে। 

সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলের এক ভিডিওতে মাসুদ এসব কথা বলেন।

মাসুদ কামাল বলেন, শরীফ ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের মূল নায়ক হিসেবে যাদেরকে পুলিশ চিহ্নিত করেছে সেই ফয়সাল করিম মাসুদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ভারত থেকে।

ভারতের পুলিশ তাদেরকে গ্রেপ্তার করেছে। 

তিনি বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আমাদের সীমান্তবর্তী বনগাঁও এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার সহযোগী হিসেবে পরিচিত আলমগীর হোসেন কেও আটক করা হয়েছে। এই দুজনেই শরীফ উসমান হাদির হত্যাকারী এবং হত্যার সহযোগী হিসেবে আমাদের পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে এসেছিল।

 

মাসুদ বলেন, এখন এদেরকে যদি ঠিকঠাক মত জিজ্ঞাসাবাদ করা যায় তাহলে আমরা জানতে পারবো যে, শরীফ উসমান হাদির হত্যার পেছনে মূল কে অথবা কারা? আমি মনে করি জানা খুবই জরুরি।

তিনি আরো বলেন, যখন হাদিকে হত্যা করা হয় তখন দেশে কি চলছিল? ঘটনাটা ঘটেছিল ২০২৫ এর ১২ ডিসেম্বর। ঠিক তার আগের দিন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছিল। যে নির্বাচনটা আমাদের হয়ে গেল ফেব্রুয়ারিতে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার ঠিক পরের দিন শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যা করা হলো।

হত্যা করার পর যে দাবিটা সবচেয়ে বেশি জোড়ালোভাবে উঠলো সেটা হলো এখন নির্বাচন করা যাবে না। এখন দেশে নির্বাচনের পরিস্থিতি নেই। শরীফ উসমান হাদির সংগঠন ইনকলাব মঞ্চ তারা বলা শুরু করল যে, হাদির বিচার সম্পন্ন হওয়ার আগে কোন নির্বাচন হবে না। এই দাবিতে তারা শাহাবাগ অবস্থান নিল। সারা দেশে একটা হইচয় করে গেল।
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

হাদির মৃত্যু নিয়ে ছিল বহুমুখী রাজনীতি : মাসুদ কামাল

আপডেট সময় ০১:৩১:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
সিনিয়র সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামাল বলেছেন, ওসমান হাদির মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি কম হয়নি। সে রাজনীতি ছিল বহুমুখী রাজনীতি। সে রাজনীতির মাধ্যমে যে কাজগুলো করা হয়েছে বলে মনে হয়, প্রথমত লক্ষ্য ছিল নির্বাচনকে পিছিয়ে দেওয়া। আরেকটা রাজনীতি ছিল, সেই ইস্যুটাকে সামনে রেখে আমাদের ’৭১ কে আরো অবমূল্যায়ন করা।

’৭১-এ যারা মহানায়ক ছিলেন তাদেরকে অবমূল্যায়ন করা। সেই অবমূল্যায়নের একটা নমুনাও আমরা দেখলাম যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব নামে ছাত্রদের যে হল ছিল সে হলের নাম চেঞ্জ করে তারা সেখানে শহীদ হাদির নামে নামকরণ করেছে। 

সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলের এক ভিডিওতে মাসুদ এসব কথা বলেন।

মাসুদ কামাল বলেন, শরীফ ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের মূল নায়ক হিসেবে যাদেরকে পুলিশ চিহ্নিত করেছে সেই ফয়সাল করিম মাসুদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ভারত থেকে।

ভারতের পুলিশ তাদেরকে গ্রেপ্তার করেছে। 

তিনি বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আমাদের সীমান্তবর্তী বনগাঁও এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার সহযোগী হিসেবে পরিচিত আলমগীর হোসেন কেও আটক করা হয়েছে। এই দুজনেই শরীফ উসমান হাদির হত্যাকারী এবং হত্যার সহযোগী হিসেবে আমাদের পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে এসেছিল।

 

মাসুদ বলেন, এখন এদেরকে যদি ঠিকঠাক মত জিজ্ঞাসাবাদ করা যায় তাহলে আমরা জানতে পারবো যে, শরীফ উসমান হাদির হত্যার পেছনে মূল কে অথবা কারা? আমি মনে করি জানা খুবই জরুরি।

তিনি আরো বলেন, যখন হাদিকে হত্যা করা হয় তখন দেশে কি চলছিল? ঘটনাটা ঘটেছিল ২০২৫ এর ১২ ডিসেম্বর। ঠিক তার আগের দিন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছিল। যে নির্বাচনটা আমাদের হয়ে গেল ফেব্রুয়ারিতে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার ঠিক পরের দিন শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যা করা হলো।

হত্যা করার পর যে দাবিটা সবচেয়ে বেশি জোড়ালোভাবে উঠলো সেটা হলো এখন নির্বাচন করা যাবে না। এখন দেশে নির্বাচনের পরিস্থিতি নেই। শরীফ উসমান হাদির সংগঠন ইনকলাব মঞ্চ তারা বলা শুরু করল যে, হাদির বিচার সম্পন্ন হওয়ার আগে কোন নির্বাচন হবে না। এই দাবিতে তারা শাহাবাগ অবস্থান নিল। সারা দেশে একটা হইচয় করে গেল।