ঢাকা ০২:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেহরিতে যা খেলে সারাদিন ক্ষুধা ও তৃষ্ণা কম থাকবে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:২৬:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭২ বার পড়া হয়েছে

পবিত্র রমজান মাসে সেহরির গুরুত্ব অপরিসীম। এটি শুধু সুন্নতই নয়, বরং রোজাদারের শারীরিক সক্ষমতা ধরে রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেহরি থেকে ইফতার পর্যন্ত দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকতে হয়, তাই সেহরির খাবার হতে হবে পরিকল্পিত, সুষম ও পুষ্টিকর।

পুষ্টিবিদদের মতে, সেহরিতে এমন খাবার রাখা উচিত যা ধীরে হজম হয় এবং দীর্ঘ সময় শক্তি জোগায়। অতিরিক্ত বা ভারী খাবার না খেয়ে সঠিক খাদ্য বেছে নেওয়াই উত্তম।

সেহরিতে যেসব খাবার উপকারী

১. জটিল শর্করা
ওটস, লাল চালের ভাত, আটার রুটি বা ডালিয়া ধীরে হজম হয়। এগুলো দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে এবং শক্তি জোগায়।

২. প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার
ডিম, দুধ, দই, ছোলা, ডাল ও বাদাম শরীরকে দীর্ঘ সময় সতেজ রাখে। প্রোটিন ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

৩. আঁশযুক্ত খাবার (ফাইবার)
সবজি, ফল (যেমন আপেল, কলা, পেয়ারা) ও সালাদ হজম প্রক্রিয়া ধীর করে এবং দীর্ঘ সময় তৃপ্তি দেয়।

৪. স্বাস্থ্যকর চর্বি
বাদাম, চিয়া সিড বা সামান্য অলিভ অয়েল শরীরে দীর্ঘস্থায়ী শক্তি সরবরাহ করে।

৫. পর্যাপ্ত পানি
সেহরিতে পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি ডাবের পানি বা লেবু পানি খাওয়া যেতে পারে। তবে অতিরিক্ত চা বা কফি এড়িয়ে চলাই ভালো, কারণ এগুলো শরীরে পানিশূন্যতা বাড়াতে পারে।

যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

*অতিরিক্ত লবণাক্ত ও ভাজাপোড়া খাবার
*অতিরিক্ত মিষ্টি
*কার্বোনেটেড পানীয়
*অতিরিক্ত চা-কফি

সুষম ও পরিমিত খাবারই সেহরির মূল চাবিকাঠি। সঠিক খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখলে সারাদিন ক্ষুধা ও তৃষ্ণা তুলনামূলক কম অনুভূত হবে এবং রোজা রাখা সহজ হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

‘খালি হাতে’ ফিরবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল: ইসমাইল কানি

সেহরিতে যা খেলে সারাদিন ক্ষুধা ও তৃষ্ণা কম থাকবে

আপডেট সময় ১১:২৬:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পবিত্র রমজান মাসে সেহরির গুরুত্ব অপরিসীম। এটি শুধু সুন্নতই নয়, বরং রোজাদারের শারীরিক সক্ষমতা ধরে রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেহরি থেকে ইফতার পর্যন্ত দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকতে হয়, তাই সেহরির খাবার হতে হবে পরিকল্পিত, সুষম ও পুষ্টিকর।

পুষ্টিবিদদের মতে, সেহরিতে এমন খাবার রাখা উচিত যা ধীরে হজম হয় এবং দীর্ঘ সময় শক্তি জোগায়। অতিরিক্ত বা ভারী খাবার না খেয়ে সঠিক খাদ্য বেছে নেওয়াই উত্তম।

সেহরিতে যেসব খাবার উপকারী

১. জটিল শর্করা
ওটস, লাল চালের ভাত, আটার রুটি বা ডালিয়া ধীরে হজম হয়। এগুলো দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে এবং শক্তি জোগায়।

২. প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার
ডিম, দুধ, দই, ছোলা, ডাল ও বাদাম শরীরকে দীর্ঘ সময় সতেজ রাখে। প্রোটিন ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

৩. আঁশযুক্ত খাবার (ফাইবার)
সবজি, ফল (যেমন আপেল, কলা, পেয়ারা) ও সালাদ হজম প্রক্রিয়া ধীর করে এবং দীর্ঘ সময় তৃপ্তি দেয়।

৪. স্বাস্থ্যকর চর্বি
বাদাম, চিয়া সিড বা সামান্য অলিভ অয়েল শরীরে দীর্ঘস্থায়ী শক্তি সরবরাহ করে।

৫. পর্যাপ্ত পানি
সেহরিতে পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি ডাবের পানি বা লেবু পানি খাওয়া যেতে পারে। তবে অতিরিক্ত চা বা কফি এড়িয়ে চলাই ভালো, কারণ এগুলো শরীরে পানিশূন্যতা বাড়াতে পারে।

যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

*অতিরিক্ত লবণাক্ত ও ভাজাপোড়া খাবার
*অতিরিক্ত মিষ্টি
*কার্বোনেটেড পানীয়
*অতিরিক্ত চা-কফি

সুষম ও পরিমিত খাবারই সেহরির মূল চাবিকাঠি। সঠিক খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখলে সারাদিন ক্ষুধা ও তৃষ্ণা তুলনামূলক কম অনুভূত হবে এবং রোজা রাখা সহজ হবে।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481