ঢাকা ০৭:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

সুদানের যুদ্ধরত পক্ষগুলোর সঙ্গে বৈঠক করবে জাতিসংঘ : মহাসচিব

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:৩৯:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৮৬ বার পড়া হয়েছে

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বৃহস্পতিবার সৌদি গণমাধ্যম আল আরাবিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, সুদানে পরস্পরবিরোধী দুই পক্ষের সঙ্গে বৈঠকের জন্য জাতিসংঘ কর্মকর্তাদের জেনেভায় বসার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে তিনি আলোচনার নির্দিষ্ট তারিখ প্রকাশ করেননি।

গুতেরেস বলেন, ‘আমরা জেনেভায় উভয় পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করব।’ সুদানে চলমান যুদ্ধের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০২৩ সালের এপ্রিলে শুরু হওয়া সংঘাতে আধাসামরিক র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) ও সেনাবাহিনী রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে জড়িয়ে আছে।

গত অক্টোবরে আরএসএফ দারফুরের পশ্চিমাঞ্চলে সেনাবাহিনীর শেষ ঘাঁটি এল-ফাশের দখল করার পর ব্যাপক নৃশংসতার খবর সামনে এলে বিশ্বজুড়ে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়। শহরটি ১৮ মাসব্যাপী অবরোধের পর পতিত হয়।

গুতেরেস আরো জানান, এল-ফাশেরে প্রবেশের অনুমতি জাতিসংঘকে দেওয়া হয়েছে। শহরটি এখনো যোগাযোগবিচ্ছিন্ন এবং আরএসএফ স্টারলিংক স্যাটেলাইট সেবায় প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করছে।

রিয়াদে বুধবার সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে গুতেরেসের বৈঠক হয়।

সুদানের যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় নতুন করে আশার সঞ্চার হয় গত মাসে, যখন সৌদি যুবরাজের অনুরোধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সংঘাত নিরসনে উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

সৌদি আরব চার-পক্ষীয় (কোয়াড) মধ্যস্থতাকারী জোটের সদস্য, যারা সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সুদানে শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রচেষ্টা জোরদার করেছে। এই জোটে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও রয়েছে মিশর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত—ওয়াশিংটনের দুই গুরুত্বপূর্ণ মিত্র, যাদের যুদ্ধরত পক্ষ দুটির ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব রয়েছে বলে মনে করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

সুদানের যুদ্ধরত পক্ষগুলোর সঙ্গে বৈঠক করবে জাতিসংঘ : মহাসচিব

আপডেট সময় ১১:৩৯:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বৃহস্পতিবার সৌদি গণমাধ্যম আল আরাবিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, সুদানে পরস্পরবিরোধী দুই পক্ষের সঙ্গে বৈঠকের জন্য জাতিসংঘ কর্মকর্তাদের জেনেভায় বসার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে তিনি আলোচনার নির্দিষ্ট তারিখ প্রকাশ করেননি।

গুতেরেস বলেন, ‘আমরা জেনেভায় উভয় পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করব।’ সুদানে চলমান যুদ্ধের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০২৩ সালের এপ্রিলে শুরু হওয়া সংঘাতে আধাসামরিক র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) ও সেনাবাহিনী রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে জড়িয়ে আছে।

গত অক্টোবরে আরএসএফ দারফুরের পশ্চিমাঞ্চলে সেনাবাহিনীর শেষ ঘাঁটি এল-ফাশের দখল করার পর ব্যাপক নৃশংসতার খবর সামনে এলে বিশ্বজুড়ে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়। শহরটি ১৮ মাসব্যাপী অবরোধের পর পতিত হয়।

গুতেরেস আরো জানান, এল-ফাশেরে প্রবেশের অনুমতি জাতিসংঘকে দেওয়া হয়েছে। শহরটি এখনো যোগাযোগবিচ্ছিন্ন এবং আরএসএফ স্টারলিংক স্যাটেলাইট সেবায় প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করছে।

রিয়াদে বুধবার সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে গুতেরেসের বৈঠক হয়।

সুদানের যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় নতুন করে আশার সঞ্চার হয় গত মাসে, যখন সৌদি যুবরাজের অনুরোধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সংঘাত নিরসনে উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

সৌদি আরব চার-পক্ষীয় (কোয়াড) মধ্যস্থতাকারী জোটের সদস্য, যারা সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সুদানে শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রচেষ্টা জোরদার করেছে। এই জোটে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও রয়েছে মিশর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত—ওয়াশিংটনের দুই গুরুত্বপূর্ণ মিত্র, যাদের যুদ্ধরত পক্ষ দুটির ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব রয়েছে বলে মনে করা হয়।