ঢাকা ০৩:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

শেখ হাসিনা-রেহানা ও টিউলিপের মামলায় আরও ৩ জনের সাক্ষ্য

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:৩৪:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫
  • ৯৩ বার পড়া হয়েছে

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ৩০ কাঠা প্লট বরাদ্দে জালিয়াতির ঘটনায় দুদকের করা পৃথক তিন মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা, রেহানার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, আজমিনা সিদ্দিকদের বিরুদ্ধে আরও ৩ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) ঢাকার চার নম্বর বিশেষ জজ মো. রবিউল আলম তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

সাক্ষীরা হলেন— ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পৌরকর শাখা অঞ্চল-১ এর উচ্চমান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক তৈয়বা রহিম, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক রেশমা এবং রেভিনিউ সুপারভাইজার দেওয়ান মো. সাঈদ।

দুদক প্রসিকিউটর খান মো. মঈনুল হাসান (লিপন) এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, তিন মামলায় আজ ৯টি সাক্ষ্য দিয়েছেন সাক্ষীরা। তাদের সাক্ষ্য শেষে আগামী ৩০ অক্টোবর সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন।

এদিকে আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের পক্ষে কোনও আইনজীবী দাঁড়ানোর সুযোগ পাচ্ছেন না। সেক্ষেত্রে সাক্ষীদের জেরা করার প্রয়োজন হচ্ছে না।

গত ৩১ জুলাই এই তিন মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।

এরপর গত ১৩ অগাস্ট তিন মামলার তিন বাদী, ২৮ অগাস্ট তিন জন করে ৯ জন, ৪ সেপ্টেম্বর পাঁচ জন করে ১৫ জন, ২১ সেপ্টেম্বর ৯ জন এবং ৬ অক্টোবর আরও ৯ জন সাক্ষ্য দেন।

শেখ পরিবার ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন— জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) কবির আল আসাদ, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মো. নুরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সাবেক সদস্য মেজর (ইঞ্জিনিয়ার) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী (অব.), পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন।

প্লট বরাদ্দের দুর্নীতির অভিযোগে গত জানুয়ারিতে পৃথক ৬ মামলা করে দুদক। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ (পুতুল), বোন শেখ রেহানা, রেহানার মেয়ে ও ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও অপর মেয়ে আজমিনা সিদ্দিকসহ আরও অনেককে আসামি করা হয়। সবগুলো মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, সরকারের সর্বোচ্চ পদে থাকাকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের ওপর অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। তারা বরাদ্দ পাওয়ার যোগ্য না হওয়া সত্ত্বেও অসৎ উদ্দেশ্যে পূর্বাচল আবাসন প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরের ২০৩ নং রাস্তার ৬টি প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

শেখ হাসিনা-রেহানা ও টিউলিপের মামলায় আরও ৩ জনের সাক্ষ্য

আপডেট সময় ০৯:৩৪:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ৩০ কাঠা প্লট বরাদ্দে জালিয়াতির ঘটনায় দুদকের করা পৃথক তিন মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা, রেহানার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, আজমিনা সিদ্দিকদের বিরুদ্ধে আরও ৩ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) ঢাকার চার নম্বর বিশেষ জজ মো. রবিউল আলম তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

সাক্ষীরা হলেন— ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পৌরকর শাখা অঞ্চল-১ এর উচ্চমান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক তৈয়বা রহিম, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক রেশমা এবং রেভিনিউ সুপারভাইজার দেওয়ান মো. সাঈদ।

দুদক প্রসিকিউটর খান মো. মঈনুল হাসান (লিপন) এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, তিন মামলায় আজ ৯টি সাক্ষ্য দিয়েছেন সাক্ষীরা। তাদের সাক্ষ্য শেষে আগামী ৩০ অক্টোবর সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন।

এদিকে আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের পক্ষে কোনও আইনজীবী দাঁড়ানোর সুযোগ পাচ্ছেন না। সেক্ষেত্রে সাক্ষীদের জেরা করার প্রয়োজন হচ্ছে না।

গত ৩১ জুলাই এই তিন মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।

এরপর গত ১৩ অগাস্ট তিন মামলার তিন বাদী, ২৮ অগাস্ট তিন জন করে ৯ জন, ৪ সেপ্টেম্বর পাঁচ জন করে ১৫ জন, ২১ সেপ্টেম্বর ৯ জন এবং ৬ অক্টোবর আরও ৯ জন সাক্ষ্য দেন।

শেখ পরিবার ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন— জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) কবির আল আসাদ, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মো. নুরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সাবেক সদস্য মেজর (ইঞ্জিনিয়ার) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী (অব.), পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন।

প্লট বরাদ্দের দুর্নীতির অভিযোগে গত জানুয়ারিতে পৃথক ৬ মামলা করে দুদক। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ (পুতুল), বোন শেখ রেহানা, রেহানার মেয়ে ও ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও অপর মেয়ে আজমিনা সিদ্দিকসহ আরও অনেককে আসামি করা হয়। সবগুলো মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, সরকারের সর্বোচ্চ পদে থাকাকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের ওপর অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। তারা বরাদ্দ পাওয়ার যোগ্য না হওয়া সত্ত্বেও অসৎ উদ্দেশ্যে পূর্বাচল আবাসন প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরের ২০৩ নং রাস্তার ৬টি প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।