ঢাকা ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মেসির রেকর্ড ভেঙে শীর্ষে হ্যারি কেইন Logo সমঝোতার পর হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিল ইরানের ১১ বাণিজ্যিক জাহাজ Logo পদ্মা সেতুর পিলারের পাশে মাটি অপসারণে সেতুর ঝুঁকি নেই: সেতুমন্ত্রী Logo ‘আমরা ইরানে টাকা দিচ্ছি না, তবে অন্যরা চাইলে বিনিয়োগ করতে পারে’ Logo প্রবাসীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দিল কাতার, না মানলেই বিপদ Logo পর্তুগালকে রুখে দিয়ে ডিআর কঙ্গোর ইতিহাস Logo গহীন অরণ্যে স্বস্তির আলো: ফ্যামিলি কার্ডে হাসছে বদনীভাঙ্গার নারীরা Logo ‘পঞ্চগড়ে ক্যান্টনমেন্ট চাই’, প্রধানমন্ত্রীর কাছে সারজিসের দাবি Logo পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না ইরান, পাবে বিপুল বিনিয়োগ Logo খালেদা জিয়ার বান্ধবী খালেদা রাব্বানীর বাসায় প্রধানমন্ত্রী

শিশু বারবার ঘামছে? চিন্তার কারণ নয়, তবে সতর্ক থাকা জরুরি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:৩৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৭৫ বার পড়া হয়েছে

শিশুদের ঘাম দেখা খুব অস্বাভাবিক নয়, তবে যদি তারা বারবার বা অকারণে ঘামে, অনেক অভিভাবকই চিন্তায় পড়ে যানআসলে এটি সব সময় ভয়াবহ রোগের লক্ষণ নয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে এটি শরীরের ভেতরের সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারেতাই কারণ বুঝে প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ঘাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রাপ্তবয়স্কদের মতো শিশুদের ঘর্মগ্রন্থি সম্পূর্ণ বিকশিত নয়, তাই সাধারণ অবস্থায় তারা খুব বেশি ঘামে না। তবে কখনো যদি শিশু স্বাভাবিক পরিবেশে থেকেও বারবার ঘামে, তা নজরে রাখা প্রয়োজন।

ইংল্যান্ডের চিকিৎসক ড. সারমেদ মেজেরে জানিয়েছেন, ঘরের তাপমাত্রা বেশি হলে বা শিশুকে অতিরিক্ত কাপড় পরিয়ে রাখলে হালকা ঘাম হতে পারেএটি স্বাভাবিক। কিন্তু আরামদায়ক পরিবেশে থেকেও যদি শিশু খাওয়ার সময় বা ঘুমের সময় ঘামে, সেটি শরীরের ভেতরের কোনো সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

শিশু অতিরিক্ত ঘামলে যে সমস্যাগুলোর আশঙ্কা থাকতে পারে

থাইরয়েডের সমস্যা: থাইরয়েড হরমোন বেশি মাত্রায় উৎপন্ন হলে শিশু বেশি ঘামতে পারে। এ অবস্থায় দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

হাইপারহাইড্রোসিস (Hyperhidrosis): এটি এমন একটি অবস্থা, যেখানে শিশুর ঘর্মগ্রন্থি অতিরিক্ত সক্রিয় থাকে। ফলে হাতের তালু, মাথা, মুখ বা বগলে অস্বাভাবিক ঘাম দেখা দেয়।

জন্মগত হৃদরোগ: যদি শিশুর হার্টের সমস্যা থেকে জন্ম হয়, তাহলে ঘাম বেশি হওয়া তার একটি লক্ষণ হতে পারে।

সিস্টিক ফাইব্রোসিস: জিনগত কারণে হওয়া এই রোগেও শিশুর শরীর বেশি ঘামতে পারে।

শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ: শ্বাসকষ্ট বা ফুসফুসে সংক্রমণ থাকলে শিশুর অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে।

যা করবেন

শিশুকে অতিরিক্ত কাপড় পরাবেন না।

ঘর সবসময় বাতাস চলাচলযোগ্য রাখুন।

শিশুর শরীরের তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করুন।

ঘাম বেশি হলে বা অস্বাভাবিক মনে হলে অবশ্যই শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

সব শিশুর শরীর একরকম নয়। তাই মাঝে মাঝে ঘামলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। তবে যদি শিশুর ঘাম দীর্ঘস্থায়ী হয় বা অন্য উপসর্গও দেখা দেয়, তখন দেরি না করে চিকিৎসকের শরণ নেওয়াই সবচেয়ে ভালো।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

মেসির রেকর্ড ভেঙে শীর্ষে হ্যারি কেইন

শিশু বারবার ঘামছে? চিন্তার কারণ নয়, তবে সতর্ক থাকা জরুরি

আপডেট সময় ০৩:৩৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

শিশুদের ঘাম দেখা খুব অস্বাভাবিক নয়, তবে যদি তারা বারবার বা অকারণে ঘামে, অনেক অভিভাবকই চিন্তায় পড়ে যানআসলে এটি সব সময় ভয়াবহ রোগের লক্ষণ নয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে এটি শরীরের ভেতরের সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারেতাই কারণ বুঝে প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ঘাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রাপ্তবয়স্কদের মতো শিশুদের ঘর্মগ্রন্থি সম্পূর্ণ বিকশিত নয়, তাই সাধারণ অবস্থায় তারা খুব বেশি ঘামে না। তবে কখনো যদি শিশু স্বাভাবিক পরিবেশে থেকেও বারবার ঘামে, তা নজরে রাখা প্রয়োজন।

ইংল্যান্ডের চিকিৎসক ড. সারমেদ মেজেরে জানিয়েছেন, ঘরের তাপমাত্রা বেশি হলে বা শিশুকে অতিরিক্ত কাপড় পরিয়ে রাখলে হালকা ঘাম হতে পারেএটি স্বাভাবিক। কিন্তু আরামদায়ক পরিবেশে থেকেও যদি শিশু খাওয়ার সময় বা ঘুমের সময় ঘামে, সেটি শরীরের ভেতরের কোনো সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

শিশু অতিরিক্ত ঘামলে যে সমস্যাগুলোর আশঙ্কা থাকতে পারে

থাইরয়েডের সমস্যা: থাইরয়েড হরমোন বেশি মাত্রায় উৎপন্ন হলে শিশু বেশি ঘামতে পারে। এ অবস্থায় দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

হাইপারহাইড্রোসিস (Hyperhidrosis): এটি এমন একটি অবস্থা, যেখানে শিশুর ঘর্মগ্রন্থি অতিরিক্ত সক্রিয় থাকে। ফলে হাতের তালু, মাথা, মুখ বা বগলে অস্বাভাবিক ঘাম দেখা দেয়।

জন্মগত হৃদরোগ: যদি শিশুর হার্টের সমস্যা থেকে জন্ম হয়, তাহলে ঘাম বেশি হওয়া তার একটি লক্ষণ হতে পারে।

সিস্টিক ফাইব্রোসিস: জিনগত কারণে হওয়া এই রোগেও শিশুর শরীর বেশি ঘামতে পারে।

শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ: শ্বাসকষ্ট বা ফুসফুসে সংক্রমণ থাকলে শিশুর অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে।

যা করবেন

শিশুকে অতিরিক্ত কাপড় পরাবেন না।

ঘর সবসময় বাতাস চলাচলযোগ্য রাখুন।

শিশুর শরীরের তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করুন।

ঘাম বেশি হলে বা অস্বাভাবিক মনে হলে অবশ্যই শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

সব শিশুর শরীর একরকম নয়। তাই মাঝে মাঝে ঘামলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। তবে যদি শিশুর ঘাম দীর্ঘস্থায়ী হয় বা অন্য উপসর্গও দেখা দেয়, তখন দেরি না করে চিকিৎসকের শরণ নেওয়াই সবচেয়ে ভালো।