ঢাকা ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

শাপুরের শেষ বিদায়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন রশিদ-নবিরা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৫৫:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে
বিরল এক রোগে দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর দিল্লির এক হাসপাতালে মারা যান আফগানিস্তান ক্রিকেটের অন্যতম পথিকৃৎ এবং সাবেক পেস বোলার শাপুর জাদরান। একদিন পরেই ৩৯ বছরে পর্দাপন করতেন আফগানদের এ তারকা পেসার।
মৃত্যুর পর তার দেহ উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয় কাবুলে।প্রাক্তন সতীর্থের শেষ বিদায়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন রশিদ খান-মোহাম্মদ নবিরা। এমনকি তারা কাঁধে করে বইলেন শাপুরের কফিনও।

প্রাণঘাতী ‘হেমোফ্যাগোসাইটিক লিম্ফোহিস্টিওসাইটোসিস’ (এইচএলএইচ) রোগে আক্রান্ত হন শাপুর।

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে তাকে দিল্লিতে নিয়ে আসা হয়। সেখানে হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। কিন্তু এত চেষ্টা সত্ত্বেও লাভ হয়নি। ২০১৭ সালে এক হামলার হাত থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি।
অজ্ঞাত আততায়ী তাকে উদ্দেশ করে গুলি চালিয়েছিল। কিন্তু অসুস্থতার বিরুদ্ধে যুদ্ধে হেরে গেলেন জাদরান।বুধবার জাদরানের দেহ পৌঁছায় কাবুলে। বিমানবন্দর থেকেই কফিন কাঁধে তুলে নেন রশিদ-নবিরা। উপস্থিত ছিলেন আফগান ক্রিকেট সংস্থার সদস্য, জাদরানের পরিবার সবাই।

বিমানবন্দর থেকে তার দেহ নিয়ে যাওয়া হয় ইদগাহ মসজিদে। সেখানে অন্তত ১ হাজার মানুষ অংশ নেন শেষ বিদায়ে। মসজিদ থেকে কাঁধে করে কফিন নিয়ে সমাধিস্থল পর্যন্ত যান আফগানিস্তানের প্রথম সারির ক্রিকেটার এবং জাদরানের পরিবারের সদস্যরা। মারানজান হিলে দাফন করা হয় আফগান ক্রিকেটের অন্যতম স্থপতিকে। চোখের পানিতে চিরবিদায় জানান রশিদ-নবিরা।২০০৯ সালে অভিষেক হয় শাপুর জাদরানের। রিফিউজি হয়ে দীর্ঘদিন পাকিস্তানে কাটিয়েছেন। সেই সময় মোহাম্মদ নবি, দৌলত জাদরানদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলা শুরু। ২০০৯ সালে আফগানিস্তান যখন প্রথম ওয়ানডে খেলে, সেই দলে ছিলেন শাপুর।

আফগানিস্তানের হয়ে ৪৪টি ওয়ানডেতে ৪৩টি উইকেট এবং ৩৬টি টি-টোয়েন্টিতে ৩৭টি উইকেট পেয়েছিলেন। মাত্র ৩৮ বছর বয়সেই থেমে গেল তার জীবন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

শাপুরের শেষ বিদায়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন রশিদ-নবিরা

আপডেট সময় ০২:৫৫:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
বিরল এক রোগে দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর দিল্লির এক হাসপাতালে মারা যান আফগানিস্তান ক্রিকেটের অন্যতম পথিকৃৎ এবং সাবেক পেস বোলার শাপুর জাদরান। একদিন পরেই ৩৯ বছরে পর্দাপন করতেন আফগানদের এ তারকা পেসার।
মৃত্যুর পর তার দেহ উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয় কাবুলে।প্রাক্তন সতীর্থের শেষ বিদায়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন রশিদ খান-মোহাম্মদ নবিরা। এমনকি তারা কাঁধে করে বইলেন শাপুরের কফিনও।

প্রাণঘাতী ‘হেমোফ্যাগোসাইটিক লিম্ফোহিস্টিওসাইটোসিস’ (এইচএলএইচ) রোগে আক্রান্ত হন শাপুর।

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে তাকে দিল্লিতে নিয়ে আসা হয়। সেখানে হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। কিন্তু এত চেষ্টা সত্ত্বেও লাভ হয়নি। ২০১৭ সালে এক হামলার হাত থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি।
অজ্ঞাত আততায়ী তাকে উদ্দেশ করে গুলি চালিয়েছিল। কিন্তু অসুস্থতার বিরুদ্ধে যুদ্ধে হেরে গেলেন জাদরান।বুধবার জাদরানের দেহ পৌঁছায় কাবুলে। বিমানবন্দর থেকেই কফিন কাঁধে তুলে নেন রশিদ-নবিরা। উপস্থিত ছিলেন আফগান ক্রিকেট সংস্থার সদস্য, জাদরানের পরিবার সবাই।

বিমানবন্দর থেকে তার দেহ নিয়ে যাওয়া হয় ইদগাহ মসজিদে। সেখানে অন্তত ১ হাজার মানুষ অংশ নেন শেষ বিদায়ে। মসজিদ থেকে কাঁধে করে কফিন নিয়ে সমাধিস্থল পর্যন্ত যান আফগানিস্তানের প্রথম সারির ক্রিকেটার এবং জাদরানের পরিবারের সদস্যরা। মারানজান হিলে দাফন করা হয় আফগান ক্রিকেটের অন্যতম স্থপতিকে। চোখের পানিতে চিরবিদায় জানান রশিদ-নবিরা।২০০৯ সালে অভিষেক হয় শাপুর জাদরানের। রিফিউজি হয়ে দীর্ঘদিন পাকিস্তানে কাটিয়েছেন। সেই সময় মোহাম্মদ নবি, দৌলত জাদরানদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলা শুরু। ২০০৯ সালে আফগানিস্তান যখন প্রথম ওয়ানডে খেলে, সেই দলে ছিলেন শাপুর।

আফগানিস্তানের হয়ে ৪৪টি ওয়ানডেতে ৪৩টি উইকেট এবং ৩৬টি টি-টোয়েন্টিতে ৩৭টি উইকেট পেয়েছিলেন। মাত্র ৩৮ বছর বয়সেই থেমে গেল তার জীবন।