ঢাকা ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি দেখছিলেন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:১১:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪৫ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
পাকিস্তানে দাঁড়িয়ে শনিবার সন্ধ্যায় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ঘোষণা করলেন যে ইরান যুদ্ধের অবসানে কোনো চুক্তি হয়নি। আর ঠিক সেই সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিক্সড মার্শাল আর্টস (ইউএফসি) লড়াই উপভোগ করছিলেন।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মায়ামির সেই অ্যারেনায় কয়েক ঘণ্টা কাটান ট্রাম্প। তার চারপাশে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, পরিবারের কয়েকজন সদস্য, ইউএফসি কর্মকর্তারা, যুক্তরাষ্ট্রের ভারতস্থ রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর, সংগীতশিল্পী ভ্যানিলা আইস, সাবেক এফবিআই কর্মকর্তা ড্যান বনগিনো এবং পডকাস্টার জো রোগান।

যখন পাকিস্তানে ভ্যান্স সাংবাদিকদের বলছিলেন, ‘দুঃসংবাদ হলো, আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি,’ তখন মায়ামিতে ট্রাম্প বড় স্ক্রিনে লড়াইয়ের হাইলাইট দেখছিলেন।

এত মানুষের মাঝেও ট্রাম্পকে দেখা যায় অনেকটা বিচ্ছিন্ন। লোকজন তার কাছে এসে আপডেট দিয়ে আবার সরে যাচ্ছিলেন। আর তিনি স্থিরভাবে বসে লড়াই দেখছিলেন।

ট্রাম্প অ্যারেনায় প্রবেশের সময় ইরানের সঙ্গে আলোচনার ব্যর্থতার খবর জানতেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। তিনি ফোন ব্যবহার করেননি; বরং রুবিও একপর্যায়ে নিজের ফোন দেখান তাকে। তবুও ট্রাম্পের মুখে কোনো হতাশা বা রাগের ছাপ ছিল না। একপর্যায়ে ক্যামেরার দিকে হালকা হাসি, আর বিজয়ীদের উদ্দেশে থাম্বস-আপ দিতে দেখা যায় তাকে।

ফ্লোরিডায় যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেছিলেন, চুক্তি হোক বা না হোক, তাতে তার কিছু যায় আসে না। তিনি দাবি করেন, ‘আমরাই জিতেছি, যেভাবেই হোক।’

তবে ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের জন্য অপেক্ষা করছে কঠিন বাস্তবতা। দেশে বাড়ছে মূল্যস্ফীতি, জ্বালানির দামও বেড়েছে। আর এসবের জন্য তার নেওয়া যুদ্ধ সিদ্ধান্তকে দায়ী করছেন সমালোচকরা।

ইরানকে ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করার হুমকির কারণে ডেমোক্র্যাটদের পাশাপাশি তার কিছু সমর্থকও ক্ষুব্ধ। কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাটরা তার অভিশংসন (ইমপিচমেন্ট) দাবি করছেন এবং তার মানসিক সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন।

তবে এসব চাপ থেকে দূরে, মায়ামির সেই অ্যারেনায় ট্রাম্প যেন নিজের স্বস্তির জায়গায় ছিলেন। দর্শকদের উচ্ছ্বাস, আগ্রাসী লড়াই—সব মিলিয়ে পরিবেশটা অনেকটা তার রাজনৈতিক সমাবেশের মতোই।

একটির পর একটি লড়াই চলেছে। রক্তমাখা মেঝে, বিজ্ঞাপনে ভরা খাঁচা—সব কিছুতেই চোখ রেখেছিলেন তিনি।

তার সঙ্গে ছিলেন মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্প ও টিফানি ট্রাম্প, ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র এবং তার সঙ্গী বেটিনা অ্যান্ডারসন। তবে ভ্যান্সের সঙ্গে পাকিস্তানে থাকায় অনুপস্থিত ছিলেন ইভাঙ্কার স্বামী জ্যারেড কুশনার।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি দেখছিলেন

আপডেট সময় ০৬:১১:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
পাকিস্তানে দাঁড়িয়ে শনিবার সন্ধ্যায় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ঘোষণা করলেন যে ইরান যুদ্ধের অবসানে কোনো চুক্তি হয়নি। আর ঠিক সেই সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিক্সড মার্শাল আর্টস (ইউএফসি) লড়াই উপভোগ করছিলেন।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মায়ামির সেই অ্যারেনায় কয়েক ঘণ্টা কাটান ট্রাম্প। তার চারপাশে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, পরিবারের কয়েকজন সদস্য, ইউএফসি কর্মকর্তারা, যুক্তরাষ্ট্রের ভারতস্থ রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর, সংগীতশিল্পী ভ্যানিলা আইস, সাবেক এফবিআই কর্মকর্তা ড্যান বনগিনো এবং পডকাস্টার জো রোগান।

যখন পাকিস্তানে ভ্যান্স সাংবাদিকদের বলছিলেন, ‘দুঃসংবাদ হলো, আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি,’ তখন মায়ামিতে ট্রাম্প বড় স্ক্রিনে লড়াইয়ের হাইলাইট দেখছিলেন।

এত মানুষের মাঝেও ট্রাম্পকে দেখা যায় অনেকটা বিচ্ছিন্ন। লোকজন তার কাছে এসে আপডেট দিয়ে আবার সরে যাচ্ছিলেন। আর তিনি স্থিরভাবে বসে লড়াই দেখছিলেন।

ট্রাম্প অ্যারেনায় প্রবেশের সময় ইরানের সঙ্গে আলোচনার ব্যর্থতার খবর জানতেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। তিনি ফোন ব্যবহার করেননি; বরং রুবিও একপর্যায়ে নিজের ফোন দেখান তাকে। তবুও ট্রাম্পের মুখে কোনো হতাশা বা রাগের ছাপ ছিল না। একপর্যায়ে ক্যামেরার দিকে হালকা হাসি, আর বিজয়ীদের উদ্দেশে থাম্বস-আপ দিতে দেখা যায় তাকে।

ফ্লোরিডায় যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেছিলেন, চুক্তি হোক বা না হোক, তাতে তার কিছু যায় আসে না। তিনি দাবি করেন, ‘আমরাই জিতেছি, যেভাবেই হোক।’

তবে ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের জন্য অপেক্ষা করছে কঠিন বাস্তবতা। দেশে বাড়ছে মূল্যস্ফীতি, জ্বালানির দামও বেড়েছে। আর এসবের জন্য তার নেওয়া যুদ্ধ সিদ্ধান্তকে দায়ী করছেন সমালোচকরা।

ইরানকে ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করার হুমকির কারণে ডেমোক্র্যাটদের পাশাপাশি তার কিছু সমর্থকও ক্ষুব্ধ। কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাটরা তার অভিশংসন (ইমপিচমেন্ট) দাবি করছেন এবং তার মানসিক সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন।

তবে এসব চাপ থেকে দূরে, মায়ামির সেই অ্যারেনায় ট্রাম্প যেন নিজের স্বস্তির জায়গায় ছিলেন। দর্শকদের উচ্ছ্বাস, আগ্রাসী লড়াই—সব মিলিয়ে পরিবেশটা অনেকটা তার রাজনৈতিক সমাবেশের মতোই।

একটির পর একটি লড়াই চলেছে। রক্তমাখা মেঝে, বিজ্ঞাপনে ভরা খাঁচা—সব কিছুতেই চোখ রেখেছিলেন তিনি।

তার সঙ্গে ছিলেন মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্প ও টিফানি ট্রাম্প, ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র এবং তার সঙ্গী বেটিনা অ্যান্ডারসন। তবে ভ্যান্সের সঙ্গে পাকিস্তানে থাকায় অনুপস্থিত ছিলেন ইভাঙ্কার স্বামী জ্যারেড কুশনার।