ঢাকা ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

রামেন বেশি খেলে বাড়ে দ্রুত মৃত্যুর ঝুঁকি: গবেষণা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:২৮:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ৮৫ বার পড়া হয়েছে

যারা ঘন ঘন রামেন খান, তাদের ডায়াবেটিস, হাইপার টেনশন, বিএমআইয়ের উচ্চ মাত্রা বেশি থাকে, তবে যারা একবারের বেশি রামেন খান না, তাদের ভয়ের কারণ নেই বলে জানান গবেষকরা।

চীন ও জাপানের ঐতিহ্যবাহী খাবার রামেন এখন বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়। কেউ কেউ প্রতিদিনের খাবারের তালিকাতে রাখেন উষ্ণ, সুস্বাদু রামেনকে, তবে যারা নিয়মিত বেশি পরিমাণে রামেন খেতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য রয়েছে দুঃসংবাদ।

সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, বিশেষ এ নুডলসের ডিশ বেশি খেলে দ্রুত মৃত্যুর ঝুঁকি অনেকাংশে বেড়ে যায়।

গবেষণার বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, ২০২৫ সালে প্রকাশিত দ্য জার্নাল অব নিউট্রিশান, হেলথ অ্যান্ড এজিংয়ের এক গবেষণায় উঠে এসেছে এ তথ্য।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘন ঘন রামেন খেলে শুধু স্বাস্থ্যঝুঁকিই বাড়ে না, বরং এর ফলে মৃত্যুর সময়ও ঘনিয়ে আসে।

প্রতিবেদন প্রকাশের আগে সাড়ে চার বছর জাপানিদের মধ্যে রামেন খাওয়ার অভ্যাস এবং দ্রুত মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেন গবেষকরা।

ছয় হাজার ৭২৫ জন মানুষের ওপর করা গবেষণার তথ্য সংগ্রহ করা হয় চারটি ক্যাটাগরির ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো প্রতি মাসে গড়ে একবারের কম রামেন খাওয়া ব্যক্তি, মাসে এক থেকে তিনবার রামেন খাওয়া ব্যক্তি, সপ্তাহে এক থেকে তিনবার রামেন খাওয়া ব্যক্তি এবং সপ্তাহে তিনবারের বেশি রামেন খাওয়া ব্যক্তি।

এ তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে গবেষকরা জানান, যারা ঘন ঘন রামেন খান, তাদের ডায়বেটিস, হাইপার টেনশন, বিএমআইয়ের উচ্চ মাত্রা বেশি থাকে, তবে যারা একবারের বেশি রামেন খান না, তাদের ভয়ের কারণ নেই বলে জানান গবেষকরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

রামেন বেশি খেলে বাড়ে দ্রুত মৃত্যুর ঝুঁকি: গবেষণা

আপডেট সময় ০৯:২৮:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

যারা ঘন ঘন রামেন খান, তাদের ডায়াবেটিস, হাইপার টেনশন, বিএমআইয়ের উচ্চ মাত্রা বেশি থাকে, তবে যারা একবারের বেশি রামেন খান না, তাদের ভয়ের কারণ নেই বলে জানান গবেষকরা।

চীন ও জাপানের ঐতিহ্যবাহী খাবার রামেন এখন বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়। কেউ কেউ প্রতিদিনের খাবারের তালিকাতে রাখেন উষ্ণ, সুস্বাদু রামেনকে, তবে যারা নিয়মিত বেশি পরিমাণে রামেন খেতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য রয়েছে দুঃসংবাদ।

সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, বিশেষ এ নুডলসের ডিশ বেশি খেলে দ্রুত মৃত্যুর ঝুঁকি অনেকাংশে বেড়ে যায়।

গবেষণার বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, ২০২৫ সালে প্রকাশিত দ্য জার্নাল অব নিউট্রিশান, হেলথ অ্যান্ড এজিংয়ের এক গবেষণায় উঠে এসেছে এ তথ্য।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘন ঘন রামেন খেলে শুধু স্বাস্থ্যঝুঁকিই বাড়ে না, বরং এর ফলে মৃত্যুর সময়ও ঘনিয়ে আসে।

প্রতিবেদন প্রকাশের আগে সাড়ে চার বছর জাপানিদের মধ্যে রামেন খাওয়ার অভ্যাস এবং দ্রুত মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেন গবেষকরা।

ছয় হাজার ৭২৫ জন মানুষের ওপর করা গবেষণার তথ্য সংগ্রহ করা হয় চারটি ক্যাটাগরির ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো প্রতি মাসে গড়ে একবারের কম রামেন খাওয়া ব্যক্তি, মাসে এক থেকে তিনবার রামেন খাওয়া ব্যক্তি, সপ্তাহে এক থেকে তিনবার রামেন খাওয়া ব্যক্তি এবং সপ্তাহে তিনবারের বেশি রামেন খাওয়া ব্যক্তি।

এ তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে গবেষকরা জানান, যারা ঘন ঘন রামেন খান, তাদের ডায়বেটিস, হাইপার টেনশন, বিএমআইয়ের উচ্চ মাত্রা বেশি থাকে, তবে যারা একবারের বেশি রামেন খান না, তাদের ভয়ের কারণ নেই বলে জানান গবেষকরা।