ঢাকা ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

রামিসা হত্যা মামলার বিচার শুরু ঈদের পর: আইনমন্ত্রী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:১৩:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডিএনএ রিপোর্ট আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পাওয়া গেলে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগেই আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

শনিবার, (২৩ মে) তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘রমিসা হত্যা মামলার চার্জশিট যতদ্রুত সম্ভব আমরা দাখিল করে মামলার নিষ্পত্তি করবো। রামিসার ডিএনএ আসতে ৭২ ঘণ্টার বেশি সময় লাগবে না।’

তিনি বলেন, ‘ডিএনএ টেস্ট না করে চার্জশিট দিলে বড় ধরনের ভুল হতে পারে। ট্রায়াল শুরুর জন্য যত ধরনের প্রক্রিয়া রয়েছে তা সব ঈদের আগে শেষ করা হবে। আর ঈদের পর বিচার শুরু করতে সব সহায়তা দেওয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নেত্রকোণার মেঘলার ঘটনায় যত ধরনের বিচারিক প্রক্রিয়া দরকার সব গ্রহণ করা হচ্ছে। শিশু ধর্ষণে উচ্চ আদালতের পেপারবুক তৈরিতে বিশেষ অনুমতি নেওয়ার অনুরোধ করা হবে।’

বিগত সরকারের সময়ে গুমের শিকার হওয়া পরিবারগুলোর বিষয়ে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘গুম ও গুমের আইন না হওয়া পর্যন্ত গুমের শিকার পরিবারগুলোকে আইনি সহায়তা ও নিরাপত্তা দেবে সরকার, সেটি আইনে থাকুক বা না থাকুক।’

তিনি বলেন, ‘লিগ্যাল এইড কতটা ইফেক্টিভ করা যায় সেটা চেষ্টা করছে সরকার। তবে সীমিত আকারে নানা দাতা সংস্থার সুপারিশক্রমে হয়।’

ঝুলে থাকা মামলাগুলোর বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘৪৫ লাখ মামলা ঝুলে আছে। তবে আপোসযোগ্য মামলা ৮০ শতাংশ নিষ্পত্তি দ্রুত সম্ভব। তিন মাসের মধ্যে সারা দেশের ৫০ হাজার মামলা নিষ্পত্তি করার চেষ্টা করা হবে। জাতীয় পর্যায় থেকে জেলা পর্যন্ত আইনগত সহায়তা চালু থাকতে হবে। মাঠ পর্যায়ের সুপারিশের আলোকে আইন পরিবর্তনসহ প্রয়োজনীয় সংস্কার হবে।’

এছাড়া বৈষম্যবিরোধী আইন নিয়ে- কোনো আইন যদি বৈষম্য সৃষ্টি করে থাকে তা বাতিল করা হবে তবে প্রয়োগের দিকেও মনোযোগ দেয়া উচিত বলে জানিয়েছেন তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

রামিসা হত্যা মামলার বিচার শুরু ঈদের পর: আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:১৩:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডিএনএ রিপোর্ট আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পাওয়া গেলে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগেই আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

শনিবার, (২৩ মে) তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘রমিসা হত্যা মামলার চার্জশিট যতদ্রুত সম্ভব আমরা দাখিল করে মামলার নিষ্পত্তি করবো। রামিসার ডিএনএ আসতে ৭২ ঘণ্টার বেশি সময় লাগবে না।’

তিনি বলেন, ‘ডিএনএ টেস্ট না করে চার্জশিট দিলে বড় ধরনের ভুল হতে পারে। ট্রায়াল শুরুর জন্য যত ধরনের প্রক্রিয়া রয়েছে তা সব ঈদের আগে শেষ করা হবে। আর ঈদের পর বিচার শুরু করতে সব সহায়তা দেওয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নেত্রকোণার মেঘলার ঘটনায় যত ধরনের বিচারিক প্রক্রিয়া দরকার সব গ্রহণ করা হচ্ছে। শিশু ধর্ষণে উচ্চ আদালতের পেপারবুক তৈরিতে বিশেষ অনুমতি নেওয়ার অনুরোধ করা হবে।’

বিগত সরকারের সময়ে গুমের শিকার হওয়া পরিবারগুলোর বিষয়ে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘গুম ও গুমের আইন না হওয়া পর্যন্ত গুমের শিকার পরিবারগুলোকে আইনি সহায়তা ও নিরাপত্তা দেবে সরকার, সেটি আইনে থাকুক বা না থাকুক।’

তিনি বলেন, ‘লিগ্যাল এইড কতটা ইফেক্টিভ করা যায় সেটা চেষ্টা করছে সরকার। তবে সীমিত আকারে নানা দাতা সংস্থার সুপারিশক্রমে হয়।’

ঝুলে থাকা মামলাগুলোর বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘৪৫ লাখ মামলা ঝুলে আছে। তবে আপোসযোগ্য মামলা ৮০ শতাংশ নিষ্পত্তি দ্রুত সম্ভব। তিন মাসের মধ্যে সারা দেশের ৫০ হাজার মামলা নিষ্পত্তি করার চেষ্টা করা হবে। জাতীয় পর্যায় থেকে জেলা পর্যন্ত আইনগত সহায়তা চালু থাকতে হবে। মাঠ পর্যায়ের সুপারিশের আলোকে আইন পরিবর্তনসহ প্রয়োজনীয় সংস্কার হবে।’

এছাড়া বৈষম্যবিরোধী আইন নিয়ে- কোনো আইন যদি বৈষম্য সৃষ্টি করে থাকে তা বাতিল করা হবে তবে প্রয়োগের দিকেও মনোযোগ দেয়া উচিত বলে জানিয়েছেন তিনি।