ঢাকা ০২:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ন্যাটোতে যুক্তরাষ্ট্রের থাকা নিয়ে ট্রাম্পের সংশয় Logo ‘ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করে আমিরাত, কাতার ও সৌদি আরব’ Logo জিয়াউর রহমানই প্রথম স্বাধীনতার ঘোষণা দেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo হরমুজ প্রণালি থেকে ৩ জাহাজ ফিরিয়ে দিল ইরান Logo ইরানের পর পরবর্তী টার্গেট কোন দেশ, জানালেন ট্রাম্প Logo ইরানকে অবশ্যই ‘ট্রাম্প প্রণালী’ মানে ‘হরমুজ প্রণালী’ খুলে দিতে হবে: মার্কিন প্রেসিডেন্ট Logo আমি নিজেকে শান্তির দূত মনে করি: ট্রাম্প Logo ইউএনও খাদিজার ওপর কেন চটেছিলেন বিএনপি নেতারা Logo ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের টানা হামলাতেও থামছে না ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের গর্জন Logo আমার মিটিংয়ে যেন স্বাধীনতাবিরোধীদের ডাকা না হয় : ফজলুর রহমান

রাজারবাগে হামলা না হলে স্বাধীনতার ঘোষণা আসত আরও পরে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজারবাগ পুলিশ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকহানাদার বাহিনী যদি রাজারবাগে হামলা না চালাত, তবে স্বাধীনতার ঘোষণা হয়তো আরও দু-একদিন পরে আসত। রাজারবাগের এই নৃশংস ঘটনাই বাঙালি জাতিকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে ধাবিত করেছিল।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ৭টায় রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, ২৫শে মার্চের কালরাতে সবচেয়ে বড় গণহত্যা বা ম্যাসাকার শুরু হয়েছিল এই রাজারবাগ পুলিশ লাইনস থেকেই। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ হলসহ বিভিন্ন স্থানে পাকিস্তানি বাহিনী আক্রমণ চালায়। মূলত রাজারবাগের এই প্রতিরোধ ও আত্মত্যাগই ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণার প্রাথমিক ভিত্তি।

ইতিহাসের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান যখন পাকিস্তানি কমান্ডারের নির্দেশে চট্টগ্রাম বন্দরের দিকে যাচ্ছিলেন, তখনই তিনি রাজারবাগে আক্রমণের খবর পান। খবর পাওয়ার পরপরই তিনি অনুধাবন করেন যে বিদ্রোহ ও স্বাধীনতার ঘোষণার এখনই মোক্ষম সময়। তিনি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে ষোলশহর সামরিক বেইজে ফিরে গিয়ে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন এবং পরবর্তী সময়ে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে বিশ্ববাসীর সমর্থন কামনা করেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২৭শে মার্চ জিয়াউর রহমান প্রথমে ‘প্রভিশনাল হেড অফ দ্য স্টেট’ হিসেবে এবং পরে তৎকালীন জাতীয় নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে সংশোধিত আকারে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, এটিই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস।

দীর্ঘদিন পর স্বাধীনতা দিবসে কুচকাওয়াজ পুনরায় শুরু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী আমরা নতুন সংস্কৃতি গড়ে তুলছি। শহীদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না এবং সব ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত রাখা হবে।

রাজারবাগে শ্রদ্ধা নিবেদনের আগে ভোরে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পুষ্পস্তবক অর্পণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। এরপর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতেও শ্রদ্ধা জানানো হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

ন্যাটোতে যুক্তরাষ্ট্রের থাকা নিয়ে ট্রাম্পের সংশয়

রাজারবাগে হামলা না হলে স্বাধীনতার ঘোষণা আসত আরও পরে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজারবাগ পুলিশ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকহানাদার বাহিনী যদি রাজারবাগে হামলা না চালাত, তবে স্বাধীনতার ঘোষণা হয়তো আরও দু-একদিন পরে আসত। রাজারবাগের এই নৃশংস ঘটনাই বাঙালি জাতিকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে ধাবিত করেছিল।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ৭টায় রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, ২৫শে মার্চের কালরাতে সবচেয়ে বড় গণহত্যা বা ম্যাসাকার শুরু হয়েছিল এই রাজারবাগ পুলিশ লাইনস থেকেই। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ হলসহ বিভিন্ন স্থানে পাকিস্তানি বাহিনী আক্রমণ চালায়। মূলত রাজারবাগের এই প্রতিরোধ ও আত্মত্যাগই ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণার প্রাথমিক ভিত্তি।

ইতিহাসের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান যখন পাকিস্তানি কমান্ডারের নির্দেশে চট্টগ্রাম বন্দরের দিকে যাচ্ছিলেন, তখনই তিনি রাজারবাগে আক্রমণের খবর পান। খবর পাওয়ার পরপরই তিনি অনুধাবন করেন যে বিদ্রোহ ও স্বাধীনতার ঘোষণার এখনই মোক্ষম সময়। তিনি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে ষোলশহর সামরিক বেইজে ফিরে গিয়ে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন এবং পরবর্তী সময়ে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে বিশ্ববাসীর সমর্থন কামনা করেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২৭শে মার্চ জিয়াউর রহমান প্রথমে ‘প্রভিশনাল হেড অফ দ্য স্টেট’ হিসেবে এবং পরে তৎকালীন জাতীয় নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে সংশোধিত আকারে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, এটিই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস।

দীর্ঘদিন পর স্বাধীনতা দিবসে কুচকাওয়াজ পুনরায় শুরু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী আমরা নতুন সংস্কৃতি গড়ে তুলছি। শহীদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না এবং সব ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত রাখা হবে।

রাজারবাগে শ্রদ্ধা নিবেদনের আগে ভোরে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পুষ্পস্তবক অর্পণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। এরপর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতেও শ্রদ্ধা জানানো হয়।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481