ঢাকা ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া সেন্ট মার্টিন রক্ষা সম্ভব নয় : রিজওয়ানা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৫৯:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
‘যত বড় মাস্টারপ্ল্যানই হোক, রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া সেন্ট মার্টিন রক্ষা সম্ভব নয়’ বলে জানিয়েছেন তথ্য ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেছেন, ‘ট্যুরিজম আর সেন্ট মার্টিন এক জিনিস নয়, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, দ্বীপটিকে আগের প্রাকৃতিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা।’

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন তথ্য ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

দ্বীপটিকে ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া হিসেবে ঘোষণার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিশ্বের অনেক দেশে এমন দ্বীপে রাতযাপন নিষিদ্ধ।
ট্যুরিজম আর সেন্ট মার্টিন এক জিনিস নয়, লক্ষ্য হচ্ছে দ্বীপটিকে আগের প্রাকৃতিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা।’

এ সময় সেন্ট মার্টিন রক্ষায় প্রস্তাবিত পাঁচটি মাস্টারপ্ল্যান ধাপে ধাপে বাস্তবায়নে সরকার কাজ করবে বলে জানান পরিবেশ উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘সেন্ট মার্টিনে প্রস্তাবিত পাঁচটি মাস্টারপ্ল্যানের লক্ষ্য হচ্ছে দ্বীপটিকে আগের প্রাকৃতিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা। যত বড় মাস্টারপ্ল্যানই হোক, রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া সেন্ট মার্টিন রক্ষা সম্ভব নয়।
পর্যটন হতে হবে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেন্দ্রিক। বহিরাগত নিয়ন্ত্রিত বাণিজ্যিক কার্যক্রমই দ্বীপের পরিবেশ ধ্বংসের মূল কারণ।’

তিনি আরো বলেন, ‘দ্বীপবাসীর বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা জরুরি, যেখানে কৃষি, মৎস্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর ভূমিকা প্রয়োজন। মাস্টারপ্ল্যানের প্রথম অগ্রাধিকার হবে সংরক্ষণ, অর্থনীতি ও পর্যটন পরে।
সেন্ট মার্টিন কোনো বারবিকিউ বা লাউডস্পিকারের জায়গা নয়, এটি প্রকৃতির কাছে অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি এলাকা।’

উপদেষ্টা বলেন, ‘স্থানীয়দের ঘরে পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা গড়ে তুললে সেটিই হবে হোটেল-রিসোর্ট নির্ভরতার বিকল্প ও টেকসই পর্যটনের পথ। দ্বীপের ভাঙন, সংরক্ষণ ও কর্মসংস্থান—এই তিনটি বিষয় সরকারিভাবেই নজরদারিতে রয়েছে বলেও জানান তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া সেন্ট মার্টিন রক্ষা সম্ভব নয় : রিজওয়ানা

আপডেট সময় ০৬:৫৯:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
‘যত বড় মাস্টারপ্ল্যানই হোক, রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া সেন্ট মার্টিন রক্ষা সম্ভব নয়’ বলে জানিয়েছেন তথ্য ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেছেন, ‘ট্যুরিজম আর সেন্ট মার্টিন এক জিনিস নয়, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, দ্বীপটিকে আগের প্রাকৃতিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা।’

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন তথ্য ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

দ্বীপটিকে ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া হিসেবে ঘোষণার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিশ্বের অনেক দেশে এমন দ্বীপে রাতযাপন নিষিদ্ধ।
ট্যুরিজম আর সেন্ট মার্টিন এক জিনিস নয়, লক্ষ্য হচ্ছে দ্বীপটিকে আগের প্রাকৃতিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা।’

এ সময় সেন্ট মার্টিন রক্ষায় প্রস্তাবিত পাঁচটি মাস্টারপ্ল্যান ধাপে ধাপে বাস্তবায়নে সরকার কাজ করবে বলে জানান পরিবেশ উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘সেন্ট মার্টিনে প্রস্তাবিত পাঁচটি মাস্টারপ্ল্যানের লক্ষ্য হচ্ছে দ্বীপটিকে আগের প্রাকৃতিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা। যত বড় মাস্টারপ্ল্যানই হোক, রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া সেন্ট মার্টিন রক্ষা সম্ভব নয়।
পর্যটন হতে হবে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেন্দ্রিক। বহিরাগত নিয়ন্ত্রিত বাণিজ্যিক কার্যক্রমই দ্বীপের পরিবেশ ধ্বংসের মূল কারণ।’

তিনি আরো বলেন, ‘দ্বীপবাসীর বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা জরুরি, যেখানে কৃষি, মৎস্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর ভূমিকা প্রয়োজন। মাস্টারপ্ল্যানের প্রথম অগ্রাধিকার হবে সংরক্ষণ, অর্থনীতি ও পর্যটন পরে।
সেন্ট মার্টিন কোনো বারবিকিউ বা লাউডস্পিকারের জায়গা নয়, এটি প্রকৃতির কাছে অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি এলাকা।’

উপদেষ্টা বলেন, ‘স্থানীয়দের ঘরে পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা গড়ে তুললে সেটিই হবে হোটেল-রিসোর্ট নির্ভরতার বিকল্প ও টেকসই পর্যটনের পথ। দ্বীপের ভাঙন, সংরক্ষণ ও কর্মসংস্থান—এই তিনটি বিষয় সরকারিভাবেই নজরদারিতে রয়েছে বলেও জানান তিনি।