ঢাকা ১২:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

যে কোনো মূল্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:১৮:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
যে কোনো মূল্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন বলেন, দেশের মানুষের পানির প্রবাহ নিশ্চিতে বর্তমান সরকার পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। এই ব্যারেজ নির্মাণের মাধ্যমে বর্ষা মৌসুমে যে অতিরিক্ত পানি আসে, সেই পানি আমরা ধরে রাখব, যাতে শুষ্ক মৌসুমে কৃষকসহ সবার কাছে সেই পানি সরবরাহ করা যায়। এ সময় জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই সরকার যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষ আমাদের ওপর দায়িত্ব অর্পণ করেছে। যে আস্থা দেশের মানুষ আমাদের ওপর রেখেছে, সেই আস্থা রক্ষা করা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব। দেশের স্বার্থ রক্ষায় যেমন আমাদের প্রথম দর্শন সবার আগে বাংলাদেশ, তেমনি দেশের জনগণের স্বার্থ রক্ষায় আমাদের দর্শন হলো সবার জন্য বাংলাদেশ। এই দর্শনের ভিত্তিতেই আমরা একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্য নিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়ন করছি।

সংসদ নেতা বলেন, আমি এই বাজেটকে জীবনবান্ধব বাজেট নাম দিতে চাই। এবারের বাজেটের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্থনীতিকে মুষ্টিমেয় সুবিধাভোগীদের কবল থেকে বের করে সব নাগরিকের এতে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং এর মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক, মর্যাদাপূর্ণ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

তিনি বলেন, এবারের বাজেটে সরকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বিষয়ে জোর দিচ্ছে। দরিদ্র, নিম্নআয় ও ঝুঁকিগ্রস্ত মানুষের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করে জীবনযাত্রার বোঝা যতটুকু সম্ভব লাঘব করা। স্বৈরাচারের সময় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে অর্থনীতিকে কীভাবে কুচিকুচি করা হয়েছে তা আমরা দেখেছি, এবারের বাজেটের অন্যতম মূল লক্ষ্য অর্থনীতিতে ধীরে ধীরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত সপ্তাহে আমি মালয়েশিয়া ও চীন সফর করে এসেছি। একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম তাদের পর্যালোচনায় বলেছে, আলোচনার বিষয়গুলো দেখে মনে হচ্ছে এবারের সফরের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাংলাদেশ সরকার অর্থনীতি ও বিনিয়োগের ওপর জোর দিয়েছে। তারা সঠিক বলেছেন। আমাদের বাজেটের তৃতীয় ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হলো বিনিয়োগ, উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের চাকা সচল করা এবং শুধু সচল নয়, সেটিকে বেগবান করা।

এর আগে বাজেটের ওপর বক্তব্য দেন বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। পরে ৩০০ বিধিতে একটি বিবৃতি দিতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের (বীর বিক্রম) কাছে অনুমতি চান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এরপর স্পিকার অনুমতি দিলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সংসদকে জানান, প্রধানমন্ত্রী নিজের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে বিরোধী দলের আসনগুলোয় সিটি করপোরেশন এলাকা বাদ দিয়ে প্রায় ২০ কোটি টাকার মসজিদ, কবরস্থান এবং ঈদগাহের জন্য মঞ্জুরি বরাদ্দ করেছেন।

এ সময় বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের জবাবে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে পরবর্তীতে সিটি করপোরেশনগুলোতেও বরাদ্দ দেওয়া হবে বলে জানান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

যে কোনো মূল্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:১৮:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
যে কোনো মূল্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন বলেন, দেশের মানুষের পানির প্রবাহ নিশ্চিতে বর্তমান সরকার পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। এই ব্যারেজ নির্মাণের মাধ্যমে বর্ষা মৌসুমে যে অতিরিক্ত পানি আসে, সেই পানি আমরা ধরে রাখব, যাতে শুষ্ক মৌসুমে কৃষকসহ সবার কাছে সেই পানি সরবরাহ করা যায়। এ সময় জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই সরকার যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষ আমাদের ওপর দায়িত্ব অর্পণ করেছে। যে আস্থা দেশের মানুষ আমাদের ওপর রেখেছে, সেই আস্থা রক্ষা করা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব। দেশের স্বার্থ রক্ষায় যেমন আমাদের প্রথম দর্শন সবার আগে বাংলাদেশ, তেমনি দেশের জনগণের স্বার্থ রক্ষায় আমাদের দর্শন হলো সবার জন্য বাংলাদেশ। এই দর্শনের ভিত্তিতেই আমরা একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্য নিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়ন করছি।

সংসদ নেতা বলেন, আমি এই বাজেটকে জীবনবান্ধব বাজেট নাম দিতে চাই। এবারের বাজেটের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্থনীতিকে মুষ্টিমেয় সুবিধাভোগীদের কবল থেকে বের করে সব নাগরিকের এতে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং এর মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক, মর্যাদাপূর্ণ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

তিনি বলেন, এবারের বাজেটে সরকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বিষয়ে জোর দিচ্ছে। দরিদ্র, নিম্নআয় ও ঝুঁকিগ্রস্ত মানুষের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করে জীবনযাত্রার বোঝা যতটুকু সম্ভব লাঘব করা। স্বৈরাচারের সময় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে অর্থনীতিকে কীভাবে কুচিকুচি করা হয়েছে তা আমরা দেখেছি, এবারের বাজেটের অন্যতম মূল লক্ষ্য অর্থনীতিতে ধীরে ধীরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত সপ্তাহে আমি মালয়েশিয়া ও চীন সফর করে এসেছি। একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম তাদের পর্যালোচনায় বলেছে, আলোচনার বিষয়গুলো দেখে মনে হচ্ছে এবারের সফরের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাংলাদেশ সরকার অর্থনীতি ও বিনিয়োগের ওপর জোর দিয়েছে। তারা সঠিক বলেছেন। আমাদের বাজেটের তৃতীয় ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হলো বিনিয়োগ, উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের চাকা সচল করা এবং শুধু সচল নয়, সেটিকে বেগবান করা।

এর আগে বাজেটের ওপর বক্তব্য দেন বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। পরে ৩০০ বিধিতে একটি বিবৃতি দিতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের (বীর বিক্রম) কাছে অনুমতি চান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এরপর স্পিকার অনুমতি দিলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সংসদকে জানান, প্রধানমন্ত্রী নিজের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে বিরোধী দলের আসনগুলোয় সিটি করপোরেশন এলাকা বাদ দিয়ে প্রায় ২০ কোটি টাকার মসজিদ, কবরস্থান এবং ঈদগাহের জন্য মঞ্জুরি বরাদ্দ করেছেন।

এ সময় বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের জবাবে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে পরবর্তীতে সিটি করপোরেশনগুলোতেও বরাদ্দ দেওয়া হবে বলে জানান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।