ঢাকা ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

যুদ্ধের প্রথম দিনেই আহত হন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা, হামলায় পায়ে আঘাত লাগে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:২৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
  • ৫৬ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রথম দিনেই পায়ে আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস। বুধবার (১০ মার্চ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ইসরায়েলি ও ইরানি কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

৫৬ বছর বয়সী মুজতবা খামেনিকে গত রোববার ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তিনি দীর্ঘদিনের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির উত্তরসূরি। যুদ্ধের প্রথম দিনেই আলি খামেনি নিহত হন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলার প্রথম দিনেই মুজতবা খামেনিও আহত হন। হামলায় তার পায়ে আঘাত লাগে। ধারণা করা হচ্ছে, এ কারণেই তিনি এখনো জনসমক্ষে বা ভিডিও বার্তায় উপস্থিত হননি।

রোববার তাকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণার পর বুধবার সকাল পর্যন্ত অর্থাৎ দায়িত্ব গ্রহণের ৪৮ ঘণ্টার বেশি সময় পার হলেও তিনি কোনো প্রকাশ্য বক্তব্য দেননি বা জনসমক্ষে আসেননি। প্রতিবেদনটি বলছে, তার আঘাত ছাড়াও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। সূত্রগুলো জানিয়েছে, তিনি প্রকাশ্যে কোনো যোগাযোগ করলে তাকে লক্ষ্য করে হামলা হতে পারে, এ আশঙ্কাও রয়েছে।

এর আগে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে মুজতবা খামেনি যুদ্ধে আহত হয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে তাকে “জানবাজ” বা শত্রুর হামলায় আহত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে তার আঘাত রাষ্ট্র পরিচালনায় কোনো বাধা সৃষ্টি করছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

এদিকে ইরানের বর্তমানের প্রেসিডেন্টের ছেলে এবং সরকারের একজন উপদেষ্টা ইউসুফ পেজেশকিয়ান বুধবার এক টেলিগ্রাম পোস্টে বলেছেন, ‘মুজতবা খামেনি নিরাপদ ও সুস্থ আছেন।’ যদিও তিনি খামেনি আহত হওয়ার বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করেননি। পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমি শুনেছি মি. মুজতবা খামেনি আহত হয়েছেন। এ বিষয়ে আমি কিছু পরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেছি। তারা জানিয়েছেন, আল্লাহর রহমতে তিনি নিরাপদ ও ভালো আছেন।’

দীর্ঘদিন ধরে বাবার দপ্তর পরিচালনার মাধ্যমে প্রভাবশালী পেছনের সারির রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে কাজ করলেও মুজতবা খামেনি অনেক ইরানির কাছে তুলনামূলকভাবে অপরিচিত। জ্যেষ্ঠ ইরানি সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী আইআরজিসি তাকে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মনোনয়ন দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাদের মতে, তিনি তার বাবার তুলনায় বেশি অনুগত এবং কঠোর নীতির পক্ষে অবস্থান নেবেন।

সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর আইআরজিসির প্রভাব আরও বেড়েছে। জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতাদের কিছু আপত্তি থাকায় ঘোষণাটি কয়েক ঘণ্টা বিলম্বিত হয়েছিল, তবে শেষ পর্যন্ত সেই আপত্তি উপেক্ষা করা হয়।

এদিকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ গত সপ্তাহে বলেছেন, ইরানের শাসনব্যবস্থা যাকেই নেতা হিসেবে নিয়োগ দিক না কেন, তাকে নিশ্চিতভাবে নির্মূল করার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে দেখা হবে।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

যুদ্ধের প্রথম দিনেই আহত হন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা, হামলায় পায়ে আঘাত লাগে

আপডেট সময় ০৫:২৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রথম দিনেই পায়ে আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস। বুধবার (১০ মার্চ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ইসরায়েলি ও ইরানি কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

৫৬ বছর বয়সী মুজতবা খামেনিকে গত রোববার ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তিনি দীর্ঘদিনের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির উত্তরসূরি। যুদ্ধের প্রথম দিনেই আলি খামেনি নিহত হন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলার প্রথম দিনেই মুজতবা খামেনিও আহত হন। হামলায় তার পায়ে আঘাত লাগে। ধারণা করা হচ্ছে, এ কারণেই তিনি এখনো জনসমক্ষে বা ভিডিও বার্তায় উপস্থিত হননি।

রোববার তাকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণার পর বুধবার সকাল পর্যন্ত অর্থাৎ দায়িত্ব গ্রহণের ৪৮ ঘণ্টার বেশি সময় পার হলেও তিনি কোনো প্রকাশ্য বক্তব্য দেননি বা জনসমক্ষে আসেননি। প্রতিবেদনটি বলছে, তার আঘাত ছাড়াও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। সূত্রগুলো জানিয়েছে, তিনি প্রকাশ্যে কোনো যোগাযোগ করলে তাকে লক্ষ্য করে হামলা হতে পারে, এ আশঙ্কাও রয়েছে।

এর আগে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে মুজতবা খামেনি যুদ্ধে আহত হয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে তাকে “জানবাজ” বা শত্রুর হামলায় আহত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে তার আঘাত রাষ্ট্র পরিচালনায় কোনো বাধা সৃষ্টি করছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

এদিকে ইরানের বর্তমানের প্রেসিডেন্টের ছেলে এবং সরকারের একজন উপদেষ্টা ইউসুফ পেজেশকিয়ান বুধবার এক টেলিগ্রাম পোস্টে বলেছেন, ‘মুজতবা খামেনি নিরাপদ ও সুস্থ আছেন।’ যদিও তিনি খামেনি আহত হওয়ার বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করেননি। পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমি শুনেছি মি. মুজতবা খামেনি আহত হয়েছেন। এ বিষয়ে আমি কিছু পরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেছি। তারা জানিয়েছেন, আল্লাহর রহমতে তিনি নিরাপদ ও ভালো আছেন।’

দীর্ঘদিন ধরে বাবার দপ্তর পরিচালনার মাধ্যমে প্রভাবশালী পেছনের সারির রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে কাজ করলেও মুজতবা খামেনি অনেক ইরানির কাছে তুলনামূলকভাবে অপরিচিত। জ্যেষ্ঠ ইরানি সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী আইআরজিসি তাকে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মনোনয়ন দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাদের মতে, তিনি তার বাবার তুলনায় বেশি অনুগত এবং কঠোর নীতির পক্ষে অবস্থান নেবেন।

সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর আইআরজিসির প্রভাব আরও বেড়েছে। জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতাদের কিছু আপত্তি থাকায় ঘোষণাটি কয়েক ঘণ্টা বিলম্বিত হয়েছিল, তবে শেষ পর্যন্ত সেই আপত্তি উপেক্ষা করা হয়।

এদিকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ গত সপ্তাহে বলেছেন, ইরানের শাসনব্যবস্থা যাকেই নেতা হিসেবে নিয়োগ দিক না কেন, তাকে নিশ্চিতভাবে নির্মূল করার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে দেখা হবে।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল