ঢাকা ০৬:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল তেল আবিব, পুলিশের ব্যাপক লাঠিচার্জ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:১১:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • ৫৯ বার পড়া হয়েছে

ইসরায়েলের বাণিজ্যিক কেন্দ্র তেল আবিবে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশটির পুলিশ। শনিবার রাতে আয়োজিত এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও জলকামান ব্যবহার করে। এতে অন্তত কয়েক ডজন বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

‘পিস পার্টনারশিপ’ কোয়ালিশনের ব্যানারে আয়োজিত এই বিক্ষোভে কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেন। তাদের মূল দাবি— অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ, হামাসের হাতে আটক ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি এবং প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের পদত্যাগ।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ও জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীরা শহরের প্রধান সড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশ সংঘর্ষে রূপ নেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশ ঘোড়সওয়ার ইউনিট মোতায়েন করে এবং ব্যাপক লাঠিচার্জ শুরু করলে হাবিমা স্কয়ার এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

পুলিশ এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, বিক্ষোভকারীরা আইন অমান্য করে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করছিল এবং সরকারি কাজে বাধা দিচ্ছিল। তবে আয়োজকদের অভিযোগ, নেতানিয়াহু সরকার যুদ্ধ পরিস্থিতিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে ভিন্নমত দমনের চেষ্টা করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে অসন্তোষ রয়েছে। সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতি, ব্যয় বৃদ্ধি এবং জিম্মিদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সেই অসন্তোষকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। তেল আবিব ছাড়াও হাইফা ও জেরুজালেম-এও একই ধরনের বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে পুলিশের বলপ্রয়োগের সমালোচনা করেছে। তাদের মতে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দমনে এমন পদক্ষেপ গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য উদ্বেগজনক।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল তেল আবিব, পুলিশের ব্যাপক লাঠিচার্জ

আপডেট সময় ০৫:১১:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

ইসরায়েলের বাণিজ্যিক কেন্দ্র তেল আবিবে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশটির পুলিশ। শনিবার রাতে আয়োজিত এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও জলকামান ব্যবহার করে। এতে অন্তত কয়েক ডজন বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

‘পিস পার্টনারশিপ’ কোয়ালিশনের ব্যানারে আয়োজিত এই বিক্ষোভে কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেন। তাদের মূল দাবি— অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ, হামাসের হাতে আটক ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি এবং প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের পদত্যাগ।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ও জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীরা শহরের প্রধান সড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশ সংঘর্ষে রূপ নেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশ ঘোড়সওয়ার ইউনিট মোতায়েন করে এবং ব্যাপক লাঠিচার্জ শুরু করলে হাবিমা স্কয়ার এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

পুলিশ এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, বিক্ষোভকারীরা আইন অমান্য করে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করছিল এবং সরকারি কাজে বাধা দিচ্ছিল। তবে আয়োজকদের অভিযোগ, নেতানিয়াহু সরকার যুদ্ধ পরিস্থিতিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে ভিন্নমত দমনের চেষ্টা করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে অসন্তোষ রয়েছে। সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতি, ব্যয় বৃদ্ধি এবং জিম্মিদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সেই অসন্তোষকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। তেল আবিব ছাড়াও হাইফা ও জেরুজালেম-এও একই ধরনের বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে পুলিশের বলপ্রয়োগের সমালোচনা করেছে। তাদের মতে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দমনে এমন পদক্ষেপ গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য উদ্বেগজনক।