ঢাকা ০২:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রথমার্ধ শেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র Logo পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে: পাকিস্তান হাইকমিশনার Logo শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাবিতে নবীনবরণ, ‘পাইলট প্রকল্প’ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার ইঙ্গিত Logo এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ Logo আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা Logo পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের Logo আগস্টে সারা দেশে শোডাউনের চিন্তা আ.লীগের, ২ ডজন কমিটি গঠন Logo ইরানে হিজাববিহীন গান গাওয়ার অপরাধে গায়িকাকে ৭৪ দোররা মারার নির্দেশ Logo মেসির বাবার মৃত্যুর খবর প্রচার করে চাকরি হারালেন উপস্থাপিকাসহ পুরো টিম Logo ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১০

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের জন্য হরমুজ প্রণালী আর আগের অবস্থায় ফিরবে না: ইরান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:০৬:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪৩ বার পড়া হয়েছে

ইরানের আইআরজিসি নৌবাহিনী জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে অপরিবর্তনীয় কৌশলগত পরিবর্তন ঘটেছে এবং এটি আর কখনো আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না—বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য।

রোববার রাতে এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বিবৃতিতে আইআরজিসি নৌবাহিনী কমান্ড জানায়, এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথে বিদেশি আধিপত্যের যুগ শেষ হয়ে গেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক আঞ্চলিক পরিস্থিতি এমন এক নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে বহিরাগত শক্তিগুলো আর ইরানের সামুদ্রিক পরিবেশে নিজেদের প্রভাব বা নিয়ন্ত্রণ চাপিয়ে দিতে পারবে না।

আইআরজিসি নৌবাহিনী জোর দিয়ে বলে, ‘হরমুজ প্রণালী আর কখনো আগের অবস্থায় ফিরবে না, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী শাসনের জন্য।’ তারা ইরানের সার্বভৌমত্ব ও পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তা রক্ষায় দৃঢ় অবস্থানের কথাও পুনর্ব্যক্ত করে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ঘোষিত পরিকল্পনার চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে নৌবাহিনী। এর লক্ষ্য পারস্য উপসাগরে একটি নতুন ‘স্থানীয় নিরাপত্তা কাঠামো’ গড়ে তোলা, যেখানে অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে উপকূলীয় রাষ্ট্রগুলোই—বহিরাগত শক্তির উপস্থিতি ছাড়াই।

এই প্রস্তুতির মধ্যে রয়েছে নৌবাহিনীর মোতায়েন বৃদ্ধি, উন্নত নজরদারি ব্যবস্থা এবং সমন্বিত দ্রুত প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা, যা ইরানের জলসীমা সুরক্ষা এবং প্রণালী দিয়ে জ্বালানি পরিবহন অব্যাহত রাখার জন্য নেওয়া হয়েছে।

ইরানি সামরিক কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বা তাদের মিত্ররা যদি এই নতুন বাস্তবতাকে চ্যালেঞ্জ করে বা সামরিক আধিপত্য পুনঃপ্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, তাহলে তাৎক্ষণিক ও কঠোর জবাব দেওয়া হবে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ রাখা হলে ‘নরক নামিয়ে আনা হবে’ এবং দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু ধ্বংস করা হবে।

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, মঙ্গলবারই এসব স্থাপনায় হামলার দিন নির্ধারিত রয়েছে।

সূত্র: প্রেস টিভি

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রথমার্ধ শেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের জন্য হরমুজ প্রণালী আর আগের অবস্থায় ফিরবে না: ইরান

আপডেট সময় ১১:০৬:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের আইআরজিসি নৌবাহিনী জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে অপরিবর্তনীয় কৌশলগত পরিবর্তন ঘটেছে এবং এটি আর কখনো আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না—বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য।

রোববার রাতে এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বিবৃতিতে আইআরজিসি নৌবাহিনী কমান্ড জানায়, এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথে বিদেশি আধিপত্যের যুগ শেষ হয়ে গেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক আঞ্চলিক পরিস্থিতি এমন এক নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে বহিরাগত শক্তিগুলো আর ইরানের সামুদ্রিক পরিবেশে নিজেদের প্রভাব বা নিয়ন্ত্রণ চাপিয়ে দিতে পারবে না।

আইআরজিসি নৌবাহিনী জোর দিয়ে বলে, ‘হরমুজ প্রণালী আর কখনো আগের অবস্থায় ফিরবে না, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী শাসনের জন্য।’ তারা ইরানের সার্বভৌমত্ব ও পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তা রক্ষায় দৃঢ় অবস্থানের কথাও পুনর্ব্যক্ত করে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ঘোষিত পরিকল্পনার চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে নৌবাহিনী। এর লক্ষ্য পারস্য উপসাগরে একটি নতুন ‘স্থানীয় নিরাপত্তা কাঠামো’ গড়ে তোলা, যেখানে অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে উপকূলীয় রাষ্ট্রগুলোই—বহিরাগত শক্তির উপস্থিতি ছাড়াই।

এই প্রস্তুতির মধ্যে রয়েছে নৌবাহিনীর মোতায়েন বৃদ্ধি, উন্নত নজরদারি ব্যবস্থা এবং সমন্বিত দ্রুত প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা, যা ইরানের জলসীমা সুরক্ষা এবং প্রণালী দিয়ে জ্বালানি পরিবহন অব্যাহত রাখার জন্য নেওয়া হয়েছে।

ইরানি সামরিক কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বা তাদের মিত্ররা যদি এই নতুন বাস্তবতাকে চ্যালেঞ্জ করে বা সামরিক আধিপত্য পুনঃপ্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, তাহলে তাৎক্ষণিক ও কঠোর জবাব দেওয়া হবে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ রাখা হলে ‘নরক নামিয়ে আনা হবে’ এবং দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু ধ্বংস করা হবে।

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, মঙ্গলবারই এসব স্থাপনায় হামলার দিন নির্ধারিত রয়েছে।

সূত্র: প্রেস টিভি