ঢাকা ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা কূটনীতির নামে চরম বিশ্বাসঘাতকতা: ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:১৪:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
  • ৫০ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে ইরানের সাথে ‘ফলপ্রসূ আলোচনা’র যে দাবি করা হয়েছে, তাকে স্রেফ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছে তেহরান। বুধবার (২৫ মার্চ) ভারতের সংবাদমাধ্যম ‘ইন্ডিয়া টুডে’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়েই অত্যন্ত কঠোর ভাষায় জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের সাথে বর্তমানে কোনো ধরনের সংলাপ বা সমঝোতা চলছে না।

ইসমাইল বাঘায়েই মার্কিন কূটনীতির তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমাদের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত ভয়াবহ ও বিপর্যয়কর। গত ৯ মাসে আমরা যখনই পারমাণবিক ইস্যু সমাধানে আলোচনার টেবিলে বসেছি, ঠিক তখনই আমাদের ওপর দুবার বড় ধরনের হামলা চালানো হয়েছে। এটি কূটনীতির নামে চরম বিশ্বাসঘাতকতা ছাড়া আর কিছুই নয়।

উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন ধরেই ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করে আসছেন যে ইরানের নীতিনির্ধারকদের সাথে তার প্রশাসনের ‘খুবই ভালো’ আলোচনা হচ্ছে এবং ইরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে মরিয়া। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বন্ধুত্বপূর্ণ কিছু দেশ (যেমন পাকিস্তান) আলোচনার প্রস্তাব নিয়ে এলেও ইরান তাতে এখনো সাড়া দেয়নি। বরং ট্রাম্পের এই দাবিকে তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ করার একটি ‘মনস্তাত্ত্বিক চাল’ হিসেবে দেখছে তারা।

ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ এবং পররাষ্ট্র মুখপাত্র উভয়েই স্পষ্ট করে বলেছেন, ইরানের জ্বালানি ও সামরিক অবকাঠামোতে হামলা অব্যাহত রেখে আলোচনার কোনো প্রশ্নই আসে না। তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন বন্ধ না হবে এবং ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার নিশ্চয়তা না মিলবে, ততক্ষণ কোনো ‘ডিল’ সম্ভব নয়।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, একদিকে ওমান, কাতার ও পাকিস্তানের মাধ্যমে পর্দার আড়ালে বার্তার আদান-প্রদান চললেও প্রকাশ্যে ইরান কোনো নমনীয়তা দেখাতে চাইছে না। বিশেষ করে গত ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ অভিযানে বিপুল প্রাণহানি ও খামেনি-পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝে তেহরান এই মুহূর্তে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোকে নিজেদের জন্য ‘আত্মসমর্পণ’ হিসেবে মনে করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা কূটনীতির নামে চরম বিশ্বাসঘাতকতা: ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

আপডেট সময় ০৪:১৪:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে ইরানের সাথে ‘ফলপ্রসূ আলোচনা’র যে দাবি করা হয়েছে, তাকে স্রেফ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছে তেহরান। বুধবার (২৫ মার্চ) ভারতের সংবাদমাধ্যম ‘ইন্ডিয়া টুডে’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়েই অত্যন্ত কঠোর ভাষায় জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের সাথে বর্তমানে কোনো ধরনের সংলাপ বা সমঝোতা চলছে না।

ইসমাইল বাঘায়েই মার্কিন কূটনীতির তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমাদের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত ভয়াবহ ও বিপর্যয়কর। গত ৯ মাসে আমরা যখনই পারমাণবিক ইস্যু সমাধানে আলোচনার টেবিলে বসেছি, ঠিক তখনই আমাদের ওপর দুবার বড় ধরনের হামলা চালানো হয়েছে। এটি কূটনীতির নামে চরম বিশ্বাসঘাতকতা ছাড়া আর কিছুই নয়।

উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন ধরেই ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করে আসছেন যে ইরানের নীতিনির্ধারকদের সাথে তার প্রশাসনের ‘খুবই ভালো’ আলোচনা হচ্ছে এবং ইরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে মরিয়া। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বন্ধুত্বপূর্ণ কিছু দেশ (যেমন পাকিস্তান) আলোচনার প্রস্তাব নিয়ে এলেও ইরান তাতে এখনো সাড়া দেয়নি। বরং ট্রাম্পের এই দাবিকে তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ করার একটি ‘মনস্তাত্ত্বিক চাল’ হিসেবে দেখছে তারা।

ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ এবং পররাষ্ট্র মুখপাত্র উভয়েই স্পষ্ট করে বলেছেন, ইরানের জ্বালানি ও সামরিক অবকাঠামোতে হামলা অব্যাহত রেখে আলোচনার কোনো প্রশ্নই আসে না। তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন বন্ধ না হবে এবং ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার নিশ্চয়তা না মিলবে, ততক্ষণ কোনো ‘ডিল’ সম্ভব নয়।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, একদিকে ওমান, কাতার ও পাকিস্তানের মাধ্যমে পর্দার আড়ালে বার্তার আদান-প্রদান চললেও প্রকাশ্যে ইরান কোনো নমনীয়তা দেখাতে চাইছে না। বিশেষ করে গত ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ অভিযানে বিপুল প্রাণহানি ও খামেনি-পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝে তেহরান এই মুহূর্তে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোকে নিজেদের জন্য ‘আত্মসমর্পণ’ হিসেবে মনে করছে।