ঢাকা ০৮:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ‘আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত হোন’: খুলনার সমাবেশে জামায়াত আমির Logo বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থনকে বিশ্বব্যাপী প্রচার করতে চায় আর্জেন্টিনা Logo বাংলাদেশের সামনে এখন তিনটি বড় লড়াই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী Logo নেতানিয়াহুকে মানসিকভাবে সুস্থ রাখতে মাঝেমধ্যে কঠিন হতে হয়: ট্রাম্প Logo সরকারের কাঁধে হাসিনা ও আওয়ামী লীগের ভূত সওয়ার হয়েছে: মামুনুল হক Logo ২৩ জুন উপলক্ষে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo দেশের স্বার্থে প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রে যাব, আমাদের কাউকে খুশি করার জন্য নাচতে হবে না Logo সব মন্ত্রণালয়ে তিনি আজান দেন একামতও দেন, মাঝেমধ্যে সংসদে ফতোয়াও দেন Logo নারীকে ‘আপনি কি সেই মাল’ বলা ওসি এনামুল প্রত্যাহার Logo যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ‘বাজি’ ধরলে কখনো ‘পস্তাতে হবে না’: রাষ্ট্রদূত

মোজতবা খামেনি রাশিয়ায় চিকিৎসাধীন—গুঞ্জন নাকচ তেহরানের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:৩৫:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি রাশিয়ায় চিকিৎসা নিচ্ছেন—আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন খবরকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে তেহরান। রাশিয়ায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাস–এর বরাতে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) এ তথ্য জানা যায়। জালালি বলেন, মোজতবা খামেনি দেশেই অবস্থান করছেন এবং সুস্থভাবে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করছেন।

সম্প্রতি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ৫৬ বছর বয়সী এই নেতা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় আহত হয়ে মস্কোতে চিকিৎসাধীন আছেন। এমনকি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন–এর আমন্ত্রণে তাকে বিশেষ ফ্লাইটে রাশিয়ায় নেওয়া হয়েছে বলেও গুঞ্জন ছড়ায়।

তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি ক্রেমলিন, যা আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা আরও বাড়িয়েছে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর তার ছেলে মোজতবা খামেনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত তার নতুন কোনো ছবি বা ভিডিও প্রকাশ না পাওয়ায় তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা গুঞ্জন তৈরি হয়েছে।

এদিকে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর জেরে যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এবং ইসরায়েল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে।

এই যৌথ হামলায় ইরানে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। জবাবে ইরানও ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। টানা ১৮ দিনের এই সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

‘আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত হোন’: খুলনার সমাবেশে জামায়াত আমির

মোজতবা খামেনি রাশিয়ায় চিকিৎসাধীন—গুঞ্জন নাকচ তেহরানের

আপডেট সময় ০৯:৩৫:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি রাশিয়ায় চিকিৎসা নিচ্ছেন—আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন খবরকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে তেহরান। রাশিয়ায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাস–এর বরাতে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) এ তথ্য জানা যায়। জালালি বলেন, মোজতবা খামেনি দেশেই অবস্থান করছেন এবং সুস্থভাবে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করছেন।

সম্প্রতি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ৫৬ বছর বয়সী এই নেতা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় আহত হয়ে মস্কোতে চিকিৎসাধীন আছেন। এমনকি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন–এর আমন্ত্রণে তাকে বিশেষ ফ্লাইটে রাশিয়ায় নেওয়া হয়েছে বলেও গুঞ্জন ছড়ায়।

তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি ক্রেমলিন, যা আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা আরও বাড়িয়েছে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর তার ছেলে মোজতবা খামেনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত তার নতুন কোনো ছবি বা ভিডিও প্রকাশ না পাওয়ায় তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা গুঞ্জন তৈরি হয়েছে।

এদিকে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর জেরে যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এবং ইসরায়েল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে।

এই যৌথ হামলায় ইরানে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। জবাবে ইরানও ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। টানা ১৮ দিনের এই সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।