ঢাকা ১১:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেসি-এমবাপ্পের গোল সমান হলে কে জিতবেন গোল্ডেন বুট?

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:২৮:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

শেষের পথে এসে পৌঁছেছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ মহোৎসব। ফ্রান্সের স্বপ্ন ভেঙে ইতিমধ্যে ফাইনালে পা রেখেছে স্পেন।

তবে ফরাসিদের বিশ্বকাপ মিশন ট্র্যাজেডিতে শেষ হলেও দলটির অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পের সামনে এখনো সুযোগ থাকছে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ গৌরব ‘গোল্ডেন বুট’ নিজের করে নেওয়ার। আগামী ১৮ জুলাই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মাঠে নামবে ফ্রান্স। আর এই ম্যাচটিই এমবাপ্পেকে লিওনেল মেসির সঙ্গে গোল্ডেন বুটের দ্বৈরথে একধাপ এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে।
বর্তমানে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় ৮টি করে গোল নিয়ে যৌথভাবে শীর্ষে আছেন মেসি ও এমবাপ্পে।

তবে আর্জেন্টিনা অধিনায়কের সামনে সুযোগটা একটু বেশি। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আলবিসেলেস্তেরা। অর্থাৎ, মেসি নিশ্চিতভাবেই আরও দুটি ম্যাচ (সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল অথবা তৃতীয় স্থান নির্ধারণী) খেলার সুযোগ পাচ্ছেন।
কিন্তু প্রশ্ন হলো—টুর্নামেন্ট শেষে যদি মেসি ও এমবাপ্পে উভয়ের গোলসংখ্যা সমান থাকে, তবে গোল্ডেন বুট কার হাতে উঠবে? ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, এই পুরস্কার যৌথভাবে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

বিজয়ী নির্ধারণে ব্যবহার করা হবে সূক্ষ্ম কিছু টাইব্রেকার মানদণ্ডে।
গোল সমান হলে সবার আগে দেখা হবে অ্যাসিস্ট বা গোল করানোর সংখ্যা। এই জায়গায় বর্তমানে মেসির চেয়ে এগিয়ে আছেন এমবাপ্পে। ফরাসি তারকার অ্যাসিস্ট ৩টি, অন্যদিকে মেসির অ্যাসিস্ট ২টি। ফলে গোলসংখ্যা অপরিবর্তিত থাকলে বাজিমাত করবেন এমবাপ্পেই।

অ্যাসিস্টের সংখ্যাও যদি সমান হয়ে যায়, তবে দেখা হবে কে কত কম সময় মাঠে খেলেছেন। যিনি তুলনামূলক কম মিনিট খেলে সমান গোল ও অ্যাসিস্ট করেছেন, তিনিই পাবেন গোল্ডেন বুট।

সবকিছুতেই টাই হলে শেষ পর্যন্ত দেখা হবে পেনাল্টি ছাড়া মাঠের স্বাভাবিক খেলা (ওপেন প্লে) থেকে কার গোল বেশি। এই মানদণ্ডে আবার সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন লিওনেল মেসি। চলতি বিশ্বকাপে মেসি দুটি পেনাল্টি পেলেও অস্ট্রিয়া ও মিশরের গোলরক্ষকের নৈপুণ্যে তা জালে জড়াতে পারেননি। অর্থাৎ, তাঁর ৮টি গোলের সবকটিই এসেছে ওপেন প্লে থেকে। বিপরীতে, এমবাপ্পে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে একটি গোল করেছেন। ফলে এই মানদণ্ড পর্যন্ত হিসাব গড়ালে ট্রফি যাবে মেসির শোকেসে।

মেসি-এমবাপ্পের রাজত্বে হানা দেওয়ার অপেক্ষায় আছেন আরো কয়েকজন তারকা। ৬টি করে গোল নিয়ে তাদের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহাম। সেমিফাইনাল ও পরবর্তী ম্যাচের পারফরম্যান্স তাদেরও বসিয়ে দিতে পারে সিংহাসনে। এছাড়া ৫টি করে গোল করা উসমান দেম্বেলে (ফ্রান্স) ও মিকেল ওয়ারসাবালের (স্পেন) সামনেও রয়েছে ব্যবধান ঘুচানোর সুযোগ।

তবে দুর্ভাগ্য আর্লিং হালান্ডের। ৭টি গোল করে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও তার দল নরওয়ে টুর্নামেন্ট থেকে আগেই ছিটকে যাওয়ায় গোল্ডেন বুটের দৌড় থেকে ছিটকে গেছেন এই ম্যান সিটি তারকা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সব সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

মেসি-এমবাপ্পের গোল সমান হলে কে জিতবেন গোল্ডেন বুট?

আপডেট সময় ১০:২৮:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

শেষের পথে এসে পৌঁছেছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ মহোৎসব। ফ্রান্সের স্বপ্ন ভেঙে ইতিমধ্যে ফাইনালে পা রেখেছে স্পেন।

তবে ফরাসিদের বিশ্বকাপ মিশন ট্র্যাজেডিতে শেষ হলেও দলটির অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পের সামনে এখনো সুযোগ থাকছে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ গৌরব ‘গোল্ডেন বুট’ নিজের করে নেওয়ার। আগামী ১৮ জুলাই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মাঠে নামবে ফ্রান্স। আর এই ম্যাচটিই এমবাপ্পেকে লিওনেল মেসির সঙ্গে গোল্ডেন বুটের দ্বৈরথে একধাপ এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে।
বর্তমানে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় ৮টি করে গোল নিয়ে যৌথভাবে শীর্ষে আছেন মেসি ও এমবাপ্পে।

তবে আর্জেন্টিনা অধিনায়কের সামনে সুযোগটা একটু বেশি। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আলবিসেলেস্তেরা। অর্থাৎ, মেসি নিশ্চিতভাবেই আরও দুটি ম্যাচ (সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল অথবা তৃতীয় স্থান নির্ধারণী) খেলার সুযোগ পাচ্ছেন।
কিন্তু প্রশ্ন হলো—টুর্নামেন্ট শেষে যদি মেসি ও এমবাপ্পে উভয়ের গোলসংখ্যা সমান থাকে, তবে গোল্ডেন বুট কার হাতে উঠবে? ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, এই পুরস্কার যৌথভাবে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

বিজয়ী নির্ধারণে ব্যবহার করা হবে সূক্ষ্ম কিছু টাইব্রেকার মানদণ্ডে।
গোল সমান হলে সবার আগে দেখা হবে অ্যাসিস্ট বা গোল করানোর সংখ্যা। এই জায়গায় বর্তমানে মেসির চেয়ে এগিয়ে আছেন এমবাপ্পে। ফরাসি তারকার অ্যাসিস্ট ৩টি, অন্যদিকে মেসির অ্যাসিস্ট ২টি। ফলে গোলসংখ্যা অপরিবর্তিত থাকলে বাজিমাত করবেন এমবাপ্পেই।

অ্যাসিস্টের সংখ্যাও যদি সমান হয়ে যায়, তবে দেখা হবে কে কত কম সময় মাঠে খেলেছেন। যিনি তুলনামূলক কম মিনিট খেলে সমান গোল ও অ্যাসিস্ট করেছেন, তিনিই পাবেন গোল্ডেন বুট।

সবকিছুতেই টাই হলে শেষ পর্যন্ত দেখা হবে পেনাল্টি ছাড়া মাঠের স্বাভাবিক খেলা (ওপেন প্লে) থেকে কার গোল বেশি। এই মানদণ্ডে আবার সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন লিওনেল মেসি। চলতি বিশ্বকাপে মেসি দুটি পেনাল্টি পেলেও অস্ট্রিয়া ও মিশরের গোলরক্ষকের নৈপুণ্যে তা জালে জড়াতে পারেননি। অর্থাৎ, তাঁর ৮টি গোলের সবকটিই এসেছে ওপেন প্লে থেকে। বিপরীতে, এমবাপ্পে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে একটি গোল করেছেন। ফলে এই মানদণ্ড পর্যন্ত হিসাব গড়ালে ট্রফি যাবে মেসির শোকেসে।

মেসি-এমবাপ্পের রাজত্বে হানা দেওয়ার অপেক্ষায় আছেন আরো কয়েকজন তারকা। ৬টি করে গোল নিয়ে তাদের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহাম। সেমিফাইনাল ও পরবর্তী ম্যাচের পারফরম্যান্স তাদেরও বসিয়ে দিতে পারে সিংহাসনে। এছাড়া ৫টি করে গোল করা উসমান দেম্বেলে (ফ্রান্স) ও মিকেল ওয়ারসাবালের (স্পেন) সামনেও রয়েছে ব্যবধান ঘুচানোর সুযোগ।

তবে দুর্ভাগ্য আর্লিং হালান্ডের। ৭টি গোল করে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও তার দল নরওয়ে টুর্নামেন্ট থেকে আগেই ছিটকে যাওয়ায় গোল্ডেন বুটের দৌড় থেকে ছিটকে গেছেন এই ম্যান সিটি তারকা।