ঢাকা ১২:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

মেসি-ইয়ামালের সেই ভাইরাল ছবি নিয়ে ইউনিসেফের পোস্ট

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:২৭:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবারও ছড়িয়ে পড়েছে লিওনেল মেসি ও লামিনে ইয়ামালের প্রায় দুই দশক আগের একটি ছবি। ছবিটিতে তরুণ মেসিকে ছোট্ট একটি টাবে শিশু ইয়ামালকে গোসল করাতে দেখা যায়। ছবিটি কৃত্রিমভাবে তৈরি কি না, এমন প্রশ্ন ওঠার পর এবার এর সত্যতা নিশ্চিত করেছে ইউনিসেফ।

নিজেদের আনুষ্ঠানিক ফেসবুক পেজে ছবিগুলো প্রকাশ করে ইউনিসেফ লিখেছে, হ্যাঁ, আপনারা যে ছবিগুলো দেখেছেন, সেগুলো সত্যি।

জাতিসংঘের সংস্থাটি জানিয়েছে, ১৮ বছরেরও বেশি সময় আগে তহবিল সংগ্রহের একটি ফটোশুটে শিশু ইয়ামাল ও তার মা শেইলার সঙ্গে দেখা হয়েছিল মেসির। মাঠে দুজনের অর্জন এখন লাখো মানুষকে অনুপ্রাণিত করছে। মাঠের বাইরেও শিশুদের অধিকার রক্ষায় নিজেদের কণ্ঠ ও পরিচিতি কাজে লাগাচ্ছেন তারা।

মেসি ও ইয়ামাল দুজনই ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত। প্রত্যেক শিশু যেন বেঁচে থাকতে, বেড়ে উঠতে এবং নিজের সম্ভাবনা পূরণ করতে পারে, সেই লক্ষ্যে তাদের ভূমিকার কথাও পোস্টে তুলে ধরেছে সংস্থাটি।

ইউনিসেফ জানিয়েছে, আলোচিত ছবিটি তোলা হয়েছিল ২০০৭ সালে। তখন মেসির বয়স ২০ বছর এবং ইয়ামাল ছিলেন মাত্র পাঁচ মাসের শিশু। কাতালান ক্রীড়া দৈনিক স্পোর্ত ও ইউনিসেফ ২০০৮ সালের একটি দাতব্য ক্যালেন্ডার তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিল। সেই আয়োজনেই বার্সেলোনার খেলোয়াড়দের সঙ্গে স্থানীয় শিশুদের ছবি তোলা হয়।

একটি প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছিল ইয়ামালের পরিবার। ক্যাম্প ন্যুর ড্রেসিংরুমে অনুষ্ঠিত ফটোশুটে একটি নীল প্লাস্টিকের টাবে ইয়ামালকে গোসল করানোর দৃশ্যে অংশ নেন মেসি। পাশে ছিলেন ইয়ামালের মা শেইলা এবানা। ঐতিহাসিক ছবিগুলো তুলেছিলেন আলোকচিত্রী হোয়ান মনফোর্ত।

দীর্ঘদিন আড়ালে থাকার পর ২০২৪ সালে ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন ইয়ামালের বাবা মুনির নাসরাউই। ক্যাপশনে তিনি লিখেছিলেন, দুই কিংবদন্তির শুরু। এরপরই ছবিটি বিশ্বজুড়ে ভাইরাল হয়।

তবে এবার ছবিটি ফিরে এসেছে আরও নাটকীয় এক প্রেক্ষাপটে। সেদিন মেসির কোলে থাকা সেই শিশুই এখন স্পেন ও বার্সেলোনার অন্যতম বড় তারকা। বিশ্বকাপ ফাইনালে এবার মুখোমুখি হবেন মেসি ও ইয়ামাল।

নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সোমবার রাত ১টায় শিরোপার লড়াইয়ে নামবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। প্রায় ১৯ বছর আগে ইউনিসেফের একটি দাতব্য ফটোশুটে এক ফ্রেমে থাকা দুজন এবার দাঁড়াবেন বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় মঞ্চের দুই প্রান্তে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

মেসি-ইয়ামালের সেই ভাইরাল ছবি নিয়ে ইউনিসেফের পোস্ট

আপডেট সময় ০৪:২৭:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবারও ছড়িয়ে পড়েছে লিওনেল মেসি ও লামিনে ইয়ামালের প্রায় দুই দশক আগের একটি ছবি। ছবিটিতে তরুণ মেসিকে ছোট্ট একটি টাবে শিশু ইয়ামালকে গোসল করাতে দেখা যায়। ছবিটি কৃত্রিমভাবে তৈরি কি না, এমন প্রশ্ন ওঠার পর এবার এর সত্যতা নিশ্চিত করেছে ইউনিসেফ।

নিজেদের আনুষ্ঠানিক ফেসবুক পেজে ছবিগুলো প্রকাশ করে ইউনিসেফ লিখেছে, হ্যাঁ, আপনারা যে ছবিগুলো দেখেছেন, সেগুলো সত্যি।

জাতিসংঘের সংস্থাটি জানিয়েছে, ১৮ বছরেরও বেশি সময় আগে তহবিল সংগ্রহের একটি ফটোশুটে শিশু ইয়ামাল ও তার মা শেইলার সঙ্গে দেখা হয়েছিল মেসির। মাঠে দুজনের অর্জন এখন লাখো মানুষকে অনুপ্রাণিত করছে। মাঠের বাইরেও শিশুদের অধিকার রক্ষায় নিজেদের কণ্ঠ ও পরিচিতি কাজে লাগাচ্ছেন তারা।

মেসি ও ইয়ামাল দুজনই ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত। প্রত্যেক শিশু যেন বেঁচে থাকতে, বেড়ে উঠতে এবং নিজের সম্ভাবনা পূরণ করতে পারে, সেই লক্ষ্যে তাদের ভূমিকার কথাও পোস্টে তুলে ধরেছে সংস্থাটি।

ইউনিসেফ জানিয়েছে, আলোচিত ছবিটি তোলা হয়েছিল ২০০৭ সালে। তখন মেসির বয়স ২০ বছর এবং ইয়ামাল ছিলেন মাত্র পাঁচ মাসের শিশু। কাতালান ক্রীড়া দৈনিক স্পোর্ত ও ইউনিসেফ ২০০৮ সালের একটি দাতব্য ক্যালেন্ডার তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিল। সেই আয়োজনেই বার্সেলোনার খেলোয়াড়দের সঙ্গে স্থানীয় শিশুদের ছবি তোলা হয়।

একটি প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছিল ইয়ামালের পরিবার। ক্যাম্প ন্যুর ড্রেসিংরুমে অনুষ্ঠিত ফটোশুটে একটি নীল প্লাস্টিকের টাবে ইয়ামালকে গোসল করানোর দৃশ্যে অংশ নেন মেসি। পাশে ছিলেন ইয়ামালের মা শেইলা এবানা। ঐতিহাসিক ছবিগুলো তুলেছিলেন আলোকচিত্রী হোয়ান মনফোর্ত।

দীর্ঘদিন আড়ালে থাকার পর ২০২৪ সালে ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন ইয়ামালের বাবা মুনির নাসরাউই। ক্যাপশনে তিনি লিখেছিলেন, দুই কিংবদন্তির শুরু। এরপরই ছবিটি বিশ্বজুড়ে ভাইরাল হয়।

তবে এবার ছবিটি ফিরে এসেছে আরও নাটকীয় এক প্রেক্ষাপটে। সেদিন মেসির কোলে থাকা সেই শিশুই এখন স্পেন ও বার্সেলোনার অন্যতম বড় তারকা। বিশ্বকাপ ফাইনালে এবার মুখোমুখি হবেন মেসি ও ইয়ামাল।

নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সোমবার রাত ১টায় শিরোপার লড়াইয়ে নামবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। প্রায় ১৯ বছর আগে ইউনিসেফের একটি দাতব্য ফটোশুটে এক ফ্রেমে থাকা দুজন এবার দাঁড়াবেন বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় মঞ্চের দুই প্রান্তে।