ঢাকা ১১:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

মেসির সফরে বিশৃঙ্খলার জেরে পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়ামন্ত্রীর পদত্যাগ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:২৫:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১২৩ বার পড়া হয়েছে

ভারতের কলকাতার সল্টলেক যুবভারতী স্টেডিয়ামে লিওনেল মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে হওয়া বিশৃঙ্খলার দায় মাথায় নিয়ে পদত্যাগ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ নিশ্চিত করেছেন জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। পদত্যাগপত্রে অরূপ বিশ্বাস উল্লেখ করেছেন, যেহেতু মুখ্যমন্ত্রী ইতোমধ্যেই এ ঘটনার তদন্তে কমিটি গঠন করেছেন, তাই তদন্তপ্রক্রিয়াকে প্রভাবমুক্ত রাখতেই তিনি সরে দাঁড়াচ্ছেন। তবে ক্রীড়া দপ্তর ছাড়লেও তিনি রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী হিসেবে বহাল থাকবেন।

মেসির আগমনকে কেন্দ্র করে স্টেডিয়ামে অব্যবস্থাপনা ও ভাঙচুরের ঘটনায় রাজ্য সরকার অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতোমধ্যেই অনাকাঙ্ক্ষিত এই পরিস্থিতির জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছেন এবং অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অসীম কুমার রায়ের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে।

প্রশাসনের ব্যর্থতা খতিয়ে দেখতে রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার মুকেশ কুমার এবং ক্রীড়া দপ্তরের সচিব রাজেশ কুমার সিনহাক শোকজ করা হয়েছে। এছাড়া দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে বিধাননগরের ডিসি অনীশ সরকারকে সাসপেন্ড এবং যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের সিইও দেবকুমার নন্দনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে এবং তদন্ত চলাকালীন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

মেসির সফরে বিশৃঙ্খলার জেরে পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়ামন্ত্রীর পদত্যাগ

আপডেট সময় ০৯:২৫:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

ভারতের কলকাতার সল্টলেক যুবভারতী স্টেডিয়ামে লিওনেল মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে হওয়া বিশৃঙ্খলার দায় মাথায় নিয়ে পদত্যাগ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ নিশ্চিত করেছেন জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। পদত্যাগপত্রে অরূপ বিশ্বাস উল্লেখ করেছেন, যেহেতু মুখ্যমন্ত্রী ইতোমধ্যেই এ ঘটনার তদন্তে কমিটি গঠন করেছেন, তাই তদন্তপ্রক্রিয়াকে প্রভাবমুক্ত রাখতেই তিনি সরে দাঁড়াচ্ছেন। তবে ক্রীড়া দপ্তর ছাড়লেও তিনি রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী হিসেবে বহাল থাকবেন।

মেসির আগমনকে কেন্দ্র করে স্টেডিয়ামে অব্যবস্থাপনা ও ভাঙচুরের ঘটনায় রাজ্য সরকার অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতোমধ্যেই অনাকাঙ্ক্ষিত এই পরিস্থিতির জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছেন এবং অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অসীম কুমার রায়ের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে।

প্রশাসনের ব্যর্থতা খতিয়ে দেখতে রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার মুকেশ কুমার এবং ক্রীড়া দপ্তরের সচিব রাজেশ কুমার সিনহাক শোকজ করা হয়েছে। এছাড়া দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে বিধাননগরের ডিসি অনীশ সরকারকে সাসপেন্ড এবং যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের সিইও দেবকুমার নন্দনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে এবং তদন্ত চলাকালীন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।