ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

মির্জা ফখরুলের ‘বিতর্কিত’ বক্তব্যের প্রতিবাদে ঢাবিতে বিক্ষোভ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৫৮:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭৫ বার পড়া হয়েছে

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ‘আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যত মামলা আছে, সব মামলা তুলে নেব আমরা’— এমন বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে একদল শিক্ষার্থী।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে কলা ভবন, মলচত্বর ও ভিসি চত্বর প্রদক্ষিণ করে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

মিছিল চলাকালে শিক্ষার্থীরা “আবু সাইদের বাংলায় চাঁদাবাজের ঠাঁই নাই”, “মুগ্ধের বাংলায় চাঁদাবাজের ঠাঁই নাই”, “ওয়াসিমের বাংলায় চাঁদাবাজের ঠাঁই নাই”, “দিল্লিবাসীর পায়তারা করতে হবে দেশছাড়া”, “পুনর্বাসন করিস না, পিঠের চামড়া থাকবে না”, “একটা একটা লীগ ধর, ধইরা ধইরা জেলে ভর” সহ নানা স্লোগান দেন।

সমাবেশে সূর্যসেন হলের ভিপি আজিজুল হক বলেন, “জাতীয় নির্বাচন পিছিয়ে দিতে আওয়ামী লীগ লকডাউনের নামে দেশে বিশৃঙ্খলা ও ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করছে। ঠিক সেই সময় বিএনপির মহাসচিব ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি আওয়ামী লীগের সব মামলা তুলে নেবেন।”

তিনি বলেন, “ছাত্রজনতার পক্ষ থেকে জানতে চাই— এটা কি আপনার ব্যক্তিগত মত, নাকি দলীয় অবস্থান? নাকি বক্তব্যের ভুল স্বীকার করবেন? আমরা আশা করি, আপনি দ্রুত এই বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাইবেন।”

তিনি আরও বলেন, “একটি পক্ষ দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তাদের দোসররা আবার দিল্লির পতিত ফ্যাসিস্টদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টায় লিপ্ত। জুলাই জনতা থাকতে খুনি আওয়ামী লীগ, যাদের হাতে দুই হাজার শহীদের রক্ত, তাদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফিরে আসতে পারবে না।”

রিয়াজুল ইসলাম জুবা বলেন, “৫ আগস্টের পর থেকে তথাকথিত বৃহৎ রাজনৈতিক দলের কিছু নেতা পরিকল্পিতভাবে জুলাই আন্দোলনকে বিকৃত করার চেষ্টা করছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শবিরোধী বক্তব্য ও গণহত্যাকারীদের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন জাতির জন্য লজ্জাজনক। তারা যেন জুলাইয়ের পক্ষে থেকে নতুন বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফিরে আসে।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

মির্জা ফখরুলের ‘বিতর্কিত’ বক্তব্যের প্রতিবাদে ঢাবিতে বিক্ষোভ

আপডেট সময় ১২:৫৮:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ‘আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যত মামলা আছে, সব মামলা তুলে নেব আমরা’— এমন বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে একদল শিক্ষার্থী।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে কলা ভবন, মলচত্বর ও ভিসি চত্বর প্রদক্ষিণ করে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

মিছিল চলাকালে শিক্ষার্থীরা “আবু সাইদের বাংলায় চাঁদাবাজের ঠাঁই নাই”, “মুগ্ধের বাংলায় চাঁদাবাজের ঠাঁই নাই”, “ওয়াসিমের বাংলায় চাঁদাবাজের ঠাঁই নাই”, “দিল্লিবাসীর পায়তারা করতে হবে দেশছাড়া”, “পুনর্বাসন করিস না, পিঠের চামড়া থাকবে না”, “একটা একটা লীগ ধর, ধইরা ধইরা জেলে ভর” সহ নানা স্লোগান দেন।

সমাবেশে সূর্যসেন হলের ভিপি আজিজুল হক বলেন, “জাতীয় নির্বাচন পিছিয়ে দিতে আওয়ামী লীগ লকডাউনের নামে দেশে বিশৃঙ্খলা ও ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করছে। ঠিক সেই সময় বিএনপির মহাসচিব ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি আওয়ামী লীগের সব মামলা তুলে নেবেন।”

তিনি বলেন, “ছাত্রজনতার পক্ষ থেকে জানতে চাই— এটা কি আপনার ব্যক্তিগত মত, নাকি দলীয় অবস্থান? নাকি বক্তব্যের ভুল স্বীকার করবেন? আমরা আশা করি, আপনি দ্রুত এই বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাইবেন।”

তিনি আরও বলেন, “একটি পক্ষ দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তাদের দোসররা আবার দিল্লির পতিত ফ্যাসিস্টদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টায় লিপ্ত। জুলাই জনতা থাকতে খুনি আওয়ামী লীগ, যাদের হাতে দুই হাজার শহীদের রক্ত, তাদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফিরে আসতে পারবে না।”

রিয়াজুল ইসলাম জুবা বলেন, “৫ আগস্টের পর থেকে তথাকথিত বৃহৎ রাজনৈতিক দলের কিছু নেতা পরিকল্পিতভাবে জুলাই আন্দোলনকে বিকৃত করার চেষ্টা করছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শবিরোধী বক্তব্য ও গণহত্যাকারীদের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন জাতির জন্য লজ্জাজনক। তারা যেন জুলাইয়ের পক্ষে থেকে নতুন বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফিরে আসে।”