ঢাকা ১০:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

মিনিয়াপোলিসে ১৫০০ সেনা মোতায়েনে প্রস্তুত ট্রাম্প প্রশাসন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৪০:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯২ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপোলিসে চলমান অভিবাসনবিরোধী (আইসিই) বিক্ষোভ দমনে দেড় হাজার সেনাকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির এক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি’র সহযোগী প্রতিষ্ঠান সিবিএস নিউজকে ওই কর্মকর্তা জানান, আলাস্কায় অবস্থানরত এই সেনাদের মোতায়েনের বিকল্পটি এখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে রয়েছে।

শনিবার শহরটিতে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই)-বিরোধী বিক্ষোভ অব্যাহত ছিল। ফোর্ট ওয়েনরাইটের ১১তম এয়ারবর্ন ডিভিশন-এর এই সেনাদের বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও তাদের স্ট্যান্ডবাই বা সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে।

চলতি মাসের ৭ জানুয়ারি আইসিই এজেন্টের গুলিতে মার্কিন নাগরিক রেনি গুড নিহত হওয়ার পর থেকেই মিনিয়াপোলিসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শহরের নেতারা জানিয়েছেন, ঘটনার সময় রেনি গুড আইসিই-এর কার্যক্রমের একজন আইনি পর্যবেক্ষক হিসেবে সেখানে ছিলেন। তবে ট্রাম্প প্রশাসন তাকে দেশীয় সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। রেনির মৃত্যুর পর দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়, যেখানে আন্দোলনকারীরা ‘রেনি গুডের বিচার চাই’ সংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গত সপ্তাহে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইনসারেকশন অ্যাক্ট বা বিদ্রোহ আইন জারির হুমকি দিয়েছেন। বিরল এই আইনটি কার্যকর হলে মার্কিন ভূখণ্ডে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে সরাসরি সক্রিয় সেনাসদস্যদের মোতায়েন করা সম্ভব। ইতোমধ্যে মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়ালজ ন্যাশনাল গার্ডকে তলব করেছেন এবং অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সতর্ক অবস্থায় রেখেছেন।

বিক্ষোভের মুখে এক ফেডারেল বিচারক আইসিই এজেন্টদের জনতা নিয়ন্ত্রণের কৌশলের ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছেন। বিচারক ক্যাথরিন মেনেন্দেজ শুক্রবার রুল জারি করেছেন যে, ফেডারেল এজেন্টরা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের গ্রেফতার করতে পারবে না এবং তাদের ওপর গোলমরিচের গুঁড়ো (পেপার স্প্রে) ব্যবহার করতে পারবে না। বিশেষ করে যারা আইসিই এজেন্টদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছেন, তাদের ওপর কোনও হস্তক্ষেপ করা যাবে না।

নিহত রেনি গুড একজন মার্কিন নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও প্রশাসনের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। মিনেসোটা কর্তৃপক্ষ বর্তমানে বিক্ষোভকারীদের শান্ত ও সুশৃঙ্খল থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

মিনিয়াপোলিসে ১৫০০ সেনা মোতায়েনে প্রস্তুত ট্রাম্প প্রশাসন

আপডেট সময় ০১:৪০:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপোলিসে চলমান অভিবাসনবিরোধী (আইসিই) বিক্ষোভ দমনে দেড় হাজার সেনাকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির এক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি’র সহযোগী প্রতিষ্ঠান সিবিএস নিউজকে ওই কর্মকর্তা জানান, আলাস্কায় অবস্থানরত এই সেনাদের মোতায়েনের বিকল্পটি এখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে রয়েছে।

শনিবার শহরটিতে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই)-বিরোধী বিক্ষোভ অব্যাহত ছিল। ফোর্ট ওয়েনরাইটের ১১তম এয়ারবর্ন ডিভিশন-এর এই সেনাদের বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও তাদের স্ট্যান্ডবাই বা সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে।

চলতি মাসের ৭ জানুয়ারি আইসিই এজেন্টের গুলিতে মার্কিন নাগরিক রেনি গুড নিহত হওয়ার পর থেকেই মিনিয়াপোলিসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শহরের নেতারা জানিয়েছেন, ঘটনার সময় রেনি গুড আইসিই-এর কার্যক্রমের একজন আইনি পর্যবেক্ষক হিসেবে সেখানে ছিলেন। তবে ট্রাম্প প্রশাসন তাকে দেশীয় সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। রেনির মৃত্যুর পর দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়, যেখানে আন্দোলনকারীরা ‘রেনি গুডের বিচার চাই’ সংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গত সপ্তাহে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইনসারেকশন অ্যাক্ট বা বিদ্রোহ আইন জারির হুমকি দিয়েছেন। বিরল এই আইনটি কার্যকর হলে মার্কিন ভূখণ্ডে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে সরাসরি সক্রিয় সেনাসদস্যদের মোতায়েন করা সম্ভব। ইতোমধ্যে মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়ালজ ন্যাশনাল গার্ডকে তলব করেছেন এবং অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সতর্ক অবস্থায় রেখেছেন।

বিক্ষোভের মুখে এক ফেডারেল বিচারক আইসিই এজেন্টদের জনতা নিয়ন্ত্রণের কৌশলের ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছেন। বিচারক ক্যাথরিন মেনেন্দেজ শুক্রবার রুল জারি করেছেন যে, ফেডারেল এজেন্টরা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের গ্রেফতার করতে পারবে না এবং তাদের ওপর গোলমরিচের গুঁড়ো (পেপার স্প্রে) ব্যবহার করতে পারবে না। বিশেষ করে যারা আইসিই এজেন্টদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছেন, তাদের ওপর কোনও হস্তক্ষেপ করা যাবে না।

নিহত রেনি গুড একজন মার্কিন নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও প্রশাসনের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। মিনেসোটা কর্তৃপক্ষ বর্তমানে বিক্ষোভকারীদের শান্ত ও সুশৃঙ্খল থাকার আহ্বান জানিয়েছে।