ঢাকা ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য খালাসে রাজস্ব ফাঁকি, তিনজনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দিচ্ছে দুদক

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:১৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১১২ বার পড়া হয়েছে

মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা পণ্য খালাস দিয়ে সরকারি রাজস্ব ক্ষতির অভিযোগে কাস্টম হাউসের সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা হুমায়ুন কবিরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এরই মধ্যে কমিশন অভিযোগপত্রের অনুমোদন দিয়েছে।

দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক ও তদন্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম শিগগির আদালতে অভিযোগপত্রটি পেশ করবেন।

সোমবার দুদকের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ এই তথ্য জানিয়েছেন।

অন্য আসামিরা হলেন– সাদমান এন্টারপ্রাইজের মালিক আবুল হাসনাত সোহাগ ও কাস্টম হাউসের সাবেক এপ্রেইজার (আমদানি) মুজিবুর রহমান। প্রয়াত মোহাম্মদ হারুন শাহের মালিকানাধীন কোম্পানি এম আর করপোরেশনও ওই অনিয়ম, দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিল।

দুদক জানায়, আসামি আবুল হাসনাত সোহাগের কোম্পানি সাদমান এন্টারপ্রাইজ চীন থেকে বিভিন্ন ধরনের ঘড়ি, টিভি, ডিভিডি, ক্যালকুলেটর, কসমেটিক এবং এক্সেসরিজ আমদানির জন্য সাউথইস্ট ব্যাংকের ঢাকার বংশাল শাখায় এলসি খোলে। পরে পণ্য চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছলে খালাসের জন্য তিনি মোহাম্মদ হারুন শাহের এম আর করপোরেশনকে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট বিল অব এন্ট্রি দাখিল করেন। শুল্ক-কর বাবদ দুই লাখ টাকা জমা দিয়ে মালপত্র খালাস করে সোহাগকে বুঝিয়ে দেন। গোপন সংবাদের মাধ্যমে অভিযোগ পাওয়ায় চালানটির আইজিএম অনলাইন ব্লক করা হয়। ব্লক থাকা অবস্থায় তারা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা ঘোষণায় চালানটি খালাস নিয়েছেন।

আসামি হুমায়ুন কবির ও মুজিবুর রহমান জেনেশুনে চালানটি ব্লক থাকা অবস্থায় মিথ্যা ঘোষণায় আমদানিকৃত পণ্য চালানটি যাচাই না করে কম শুল্কায়ন করে পণ্য খালাস দিয়েছেন। চালানটির বিপরীতে আমদানিকৃত পণ্যের বিপরীতে শ্রেণিবিন্যাসযোগ্য এবং এর ওপর প্রযোজ্য শুল্ক করহার ছাড়াও পণ্যটি বাধ্যতামূলক পিএসআই কার্যক্রমের আওতাভুক্ত। আমদানিকারক তার মনোনীত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট পরস্পর যোগসাজশে অসত্য ঘোষণায় প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে পণ্য খালাস নিয়েছেন।

চালানটি খালাসোত্তর যথাযথ এইচএস কোড ও প্রযোজ্য শুল্ক-কর হারে পুনঃশুল্কায়ন করা হয়। চালানটির প্রদেয় শুল্ক-করের প্রকৃত পরিমাণ ৯৬ লাখ ৬২ হাজার টাকা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য খালাসে রাজস্ব ফাঁকি, তিনজনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দিচ্ছে দুদক

আপডেট সময় ০২:১৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা পণ্য খালাস দিয়ে সরকারি রাজস্ব ক্ষতির অভিযোগে কাস্টম হাউসের সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা হুমায়ুন কবিরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এরই মধ্যে কমিশন অভিযোগপত্রের অনুমোদন দিয়েছে।

দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক ও তদন্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম শিগগির আদালতে অভিযোগপত্রটি পেশ করবেন।

সোমবার দুদকের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ এই তথ্য জানিয়েছেন।

অন্য আসামিরা হলেন– সাদমান এন্টারপ্রাইজের মালিক আবুল হাসনাত সোহাগ ও কাস্টম হাউসের সাবেক এপ্রেইজার (আমদানি) মুজিবুর রহমান। প্রয়াত মোহাম্মদ হারুন শাহের মালিকানাধীন কোম্পানি এম আর করপোরেশনও ওই অনিয়ম, দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিল।

দুদক জানায়, আসামি আবুল হাসনাত সোহাগের কোম্পানি সাদমান এন্টারপ্রাইজ চীন থেকে বিভিন্ন ধরনের ঘড়ি, টিভি, ডিভিডি, ক্যালকুলেটর, কসমেটিক এবং এক্সেসরিজ আমদানির জন্য সাউথইস্ট ব্যাংকের ঢাকার বংশাল শাখায় এলসি খোলে। পরে পণ্য চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছলে খালাসের জন্য তিনি মোহাম্মদ হারুন শাহের এম আর করপোরেশনকে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট বিল অব এন্ট্রি দাখিল করেন। শুল্ক-কর বাবদ দুই লাখ টাকা জমা দিয়ে মালপত্র খালাস করে সোহাগকে বুঝিয়ে দেন। গোপন সংবাদের মাধ্যমে অভিযোগ পাওয়ায় চালানটির আইজিএম অনলাইন ব্লক করা হয়। ব্লক থাকা অবস্থায় তারা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা ঘোষণায় চালানটি খালাস নিয়েছেন।

আসামি হুমায়ুন কবির ও মুজিবুর রহমান জেনেশুনে চালানটি ব্লক থাকা অবস্থায় মিথ্যা ঘোষণায় আমদানিকৃত পণ্য চালানটি যাচাই না করে কম শুল্কায়ন করে পণ্য খালাস দিয়েছেন। চালানটির বিপরীতে আমদানিকৃত পণ্যের বিপরীতে শ্রেণিবিন্যাসযোগ্য এবং এর ওপর প্রযোজ্য শুল্ক করহার ছাড়াও পণ্যটি বাধ্যতামূলক পিএসআই কার্যক্রমের আওতাভুক্ত। আমদানিকারক তার মনোনীত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট পরস্পর যোগসাজশে অসত্য ঘোষণায় প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে পণ্য খালাস নিয়েছেন।

চালানটি খালাসোত্তর যথাযথ এইচএস কোড ও প্রযোজ্য শুল্ক-কর হারে পুনঃশুল্কায়ন করা হয়। চালানটির প্রদেয় শুল্ক-করের প্রকৃত পরিমাণ ৯৬ লাখ ৬২ হাজার টাকা।