ঢাকা ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

মমতার প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান সিপিএমের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:৪২:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
পশ্চিমবঙ্গ সহ ভারতজুড়ে সমস্ত বিজেপি-বিরোধী শক্তিকে জোরদার করতে বাম ও অতিবাম দলগুলোকে নিয়ে একটি যৌথ মঞ্চ গড়ার ডাক দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সিপিএম সরাসরি এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনযায়ী, তৃণমূল নেত্রীর প্রস্তাব পত্রপাঠ খারিজ করে রাজ্যের সিপিএম সম্পাদক মহম্মদ সেলিম স্পষ্ট জানিয়েছেন, ‘না, একদম না।’

এতে বিজেপি বিরোধী বৃহত্তর মঞ্চ তৈরির সম্ভাবনা শুরুতেই বড় ধাক্কা খেল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এর আগে শনিবার (৯ মে) ব্রিগেড ময়দানে পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী শপথ নেওয়ার দিনেই বড় ঘোষণা দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা।

নিজের বাড়ির সামনে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালনকালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপিকে রুখতে জাতীয় স্তরের ‘ইন্ডিয়া’ জোটের আদলে রাজ্যেও সব বিরোধী শক্তির এক হওয়া প্রয়োজন।

এমনকি যারা একসময় ঘোর বিরোধী ছিল, সেই বাম ও অতিবামদেরও এই লড়াইয়ে শামিল হওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে এই বামদের সরাতেই তিনি কংগ্রেসের হাত ধরেছিলেন, আর ২০২৬-এ বিজেপি ক্ষমতায় আসায় সেই বামেদেরই আবার পাশে চাইছেন তিনি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই প্রস্তাবকে গুরুত্ব দিতে নারাজ সিপিএম।

দলের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেছেন, কোনো অপরাধী, তোলাবাজ বা দুর্নীতিগ্রস্ত শক্তির সঙ্গে তারা জোটে যাবেন না। সামাজিক যোগয়াযো গণমাধ্যমে লিখিত বিবৃতি দিয়ে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন ‘না। একদম না।’ সেলিম বলেন, তৃণমূলের দুর্নীতির ইতিহাস বিচার করেই তারা এই সিদ্ধান্তে অটল।

সিপিএমের তরুণ প্রজন্ম ও প্রাক্তন ছাত্রনেতারাও এই অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। সিপিএম নেতৃত্বের স্পষ্ট বক্তব্য, বিজেপির বিরোধিতা করতে গিয়ে তারা কারো হাত ধরবে না, বরং একাই লড়াই চালিয়ে যাবে।
তৃণমূলনেত্রীর এই প্রস্তাবের সমালোচনা করেছেন প্রাক্তন টিএমপিসি নেতা সুপ্রিয় চন্দও। সব মিলিয়ে নতুন সরকার শপথ নেওয়ার দিনেই রাজ্যের বিরোধী দলগুলোর মধ্যে দূরত্ব আরো স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

মমতার প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান সিপিএমের

আপডেট সময় ০৫:৪২:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
পশ্চিমবঙ্গ সহ ভারতজুড়ে সমস্ত বিজেপি-বিরোধী শক্তিকে জোরদার করতে বাম ও অতিবাম দলগুলোকে নিয়ে একটি যৌথ মঞ্চ গড়ার ডাক দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সিপিএম সরাসরি এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনযায়ী, তৃণমূল নেত্রীর প্রস্তাব পত্রপাঠ খারিজ করে রাজ্যের সিপিএম সম্পাদক মহম্মদ সেলিম স্পষ্ট জানিয়েছেন, ‘না, একদম না।’

এতে বিজেপি বিরোধী বৃহত্তর মঞ্চ তৈরির সম্ভাবনা শুরুতেই বড় ধাক্কা খেল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এর আগে শনিবার (৯ মে) ব্রিগেড ময়দানে পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী শপথ নেওয়ার দিনেই বড় ঘোষণা দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা।

নিজের বাড়ির সামনে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালনকালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপিকে রুখতে জাতীয় স্তরের ‘ইন্ডিয়া’ জোটের আদলে রাজ্যেও সব বিরোধী শক্তির এক হওয়া প্রয়োজন।

এমনকি যারা একসময় ঘোর বিরোধী ছিল, সেই বাম ও অতিবামদেরও এই লড়াইয়ে শামিল হওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে এই বামদের সরাতেই তিনি কংগ্রেসের হাত ধরেছিলেন, আর ২০২৬-এ বিজেপি ক্ষমতায় আসায় সেই বামেদেরই আবার পাশে চাইছেন তিনি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই প্রস্তাবকে গুরুত্ব দিতে নারাজ সিপিএম।

দলের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেছেন, কোনো অপরাধী, তোলাবাজ বা দুর্নীতিগ্রস্ত শক্তির সঙ্গে তারা জোটে যাবেন না। সামাজিক যোগয়াযো গণমাধ্যমে লিখিত বিবৃতি দিয়ে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন ‘না। একদম না।’ সেলিম বলেন, তৃণমূলের দুর্নীতির ইতিহাস বিচার করেই তারা এই সিদ্ধান্তে অটল।

সিপিএমের তরুণ প্রজন্ম ও প্রাক্তন ছাত্রনেতারাও এই অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। সিপিএম নেতৃত্বের স্পষ্ট বক্তব্য, বিজেপির বিরোধিতা করতে গিয়ে তারা কারো হাত ধরবে না, বরং একাই লড়াই চালিয়ে যাবে।
তৃণমূলনেত্রীর এই প্রস্তাবের সমালোচনা করেছেন প্রাক্তন টিএমপিসি নেতা সুপ্রিয় চন্দও। সব মিলিয়ে নতুন সরকার শপথ নেওয়ার দিনেই রাজ্যের বিরোধী দলগুলোর মধ্যে দূরত্ব আরো স্পষ্ট হয়ে উঠল।