ঢাকা ১০:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিরসনে ইরানকে মধ্যস্থতার প্রস্তাব পাকিস্তানের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:১৬:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
  • ৫০ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইসলামাবাদ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধ এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতা করার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে পাকিস্তান।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় জানান, ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয়পক্ষ সম্মত থাকলে পাকিস্তান এই ‘অর্থবহ ও চূড়ান্ত’ আলোচনার আতিথেয়তা দিতে প্রস্তুত।

শান্তি প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তানের সদিচ্ছা শাহবাজ শরিফ তার বার্তায় বলেন, ‘আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তির স্বার্থে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধের চলমান সকল প্রচেষ্টাকে পাকিস্তান পূর্ণ সমর্থন জানায়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সম্মত হলে এই সংকটের একটি সমন্বিত সমাধানের লক্ষ্যে অর্থবহ আলোচনার আয়োজন করতে পাকিস্তান গর্বিত বোধ করবে।’

ব্যাক-চ্যানেল কূটনীতি ও সেনাপ্রধানের ভূমিকা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পর্দার আড়ালে এই সমঝোতা প্রক্রিয়ায় পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। গত রোববার পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। এর পরদিন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে আলোচনা করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, তুরস্ক ও মিসরের পাশাপাশি পাকিস্তানও উভয়পক্ষের মধ্যে বার্তার আদান-প্রদানকালী হিসেবে কাজ করছে। কেন পাকিস্তান? কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের সঙ্গে দীর্ঘ সীমান্ত এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্কের কারণে পাকিস্তান এই আলোচনার জন্য একটি আদর্শ ভেন্যু হতে পারে। ১৯৯২ সাল থেকে ওয়াশিংটনে ইরানের স্বার্থ দেখাশোনার বিষয়টিও পাকিস্তান দূতাবাসের মাধ্যমেই পরিচালিত হয়ে আসছে।

রয়টার্স ও অ্যাক্সিওস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে ইসলামাবাদে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের শীর্ষ প্রতিনিধিদের মধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতি যদিও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আলোচনার বিষয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক এবং দাবি করেছেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগে রাজি হয়েছে, তবে ইরান সরকার এখন পর্যন্ত সরাসরি কোনো বৈঠকের কথা স্বীকার করেনি। তবে তেহরান জানিয়েছে, তারা ‘বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর’ মাধ্যমে আসা প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করছে। এই কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই পাকিস্তানের এই প্রস্তাব যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টায় নতুন মাত্রা যোগ করল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিরসনে ইরানকে মধ্যস্থতার প্রস্তাব পাকিস্তানের

আপডেট সময় ০৪:১৬:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইসলামাবাদ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধ এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতা করার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে পাকিস্তান।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় জানান, ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয়পক্ষ সম্মত থাকলে পাকিস্তান এই ‘অর্থবহ ও চূড়ান্ত’ আলোচনার আতিথেয়তা দিতে প্রস্তুত।

শান্তি প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তানের সদিচ্ছা শাহবাজ শরিফ তার বার্তায় বলেন, ‘আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তির স্বার্থে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধের চলমান সকল প্রচেষ্টাকে পাকিস্তান পূর্ণ সমর্থন জানায়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সম্মত হলে এই সংকটের একটি সমন্বিত সমাধানের লক্ষ্যে অর্থবহ আলোচনার আয়োজন করতে পাকিস্তান গর্বিত বোধ করবে।’

ব্যাক-চ্যানেল কূটনীতি ও সেনাপ্রধানের ভূমিকা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পর্দার আড়ালে এই সমঝোতা প্রক্রিয়ায় পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। গত রোববার পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। এর পরদিন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে আলোচনা করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, তুরস্ক ও মিসরের পাশাপাশি পাকিস্তানও উভয়পক্ষের মধ্যে বার্তার আদান-প্রদানকালী হিসেবে কাজ করছে। কেন পাকিস্তান? কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের সঙ্গে দীর্ঘ সীমান্ত এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্কের কারণে পাকিস্তান এই আলোচনার জন্য একটি আদর্শ ভেন্যু হতে পারে। ১৯৯২ সাল থেকে ওয়াশিংটনে ইরানের স্বার্থ দেখাশোনার বিষয়টিও পাকিস্তান দূতাবাসের মাধ্যমেই পরিচালিত হয়ে আসছে।

রয়টার্স ও অ্যাক্সিওস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে ইসলামাবাদে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের শীর্ষ প্রতিনিধিদের মধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতি যদিও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আলোচনার বিষয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক এবং দাবি করেছেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগে রাজি হয়েছে, তবে ইরান সরকার এখন পর্যন্ত সরাসরি কোনো বৈঠকের কথা স্বীকার করেনি। তবে তেহরান জানিয়েছে, তারা ‘বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর’ মাধ্যমে আসা প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করছে। এই কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই পাকিস্তানের এই প্রস্তাব যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টায় নতুন মাত্রা যোগ করল।