ঢাকা ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৫৯:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন সামরিক বাহিনী সোমবার জানিয়েছে, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরী ও তার সঙ্গে থাকা স্ট্রাইক গ্রুপটি মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে, যা এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে।

ইরানে গণবিক্ষোভের বিরুদ্ধে দমন-পীড়ন জোরদার হওয়ার প্রেক্ষাপটে বিমানবাহী রণতরী ও তার সহগামী জাহাজগুলোকে এই অঞ্চলে মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরবর্তীতে তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ থেকে সরে এসেছেন, তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে সব বিকল্প এখনো টেবিলে রয়েছে।

 

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর দায়িত্বে থাকা ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানায়, স্ট্রাইক গ্রুপটি বর্তমানে ‘আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদার করতে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন রয়েছে’।

ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয় ডিসেম্বরের শেষ দিকে, মূলত অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে। তবে জানুয়ারির ৮ তারিখ থেকে টানা কয়েক দিন ধরে ব্যাপক সড়ক বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে তা ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে একটি গণআন্দোলনে রূপ নেয়।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো অভিযোগ করেছে, ইন্টারনেট বন্ধ থাকার সুযোগ নিয়ে কর্তৃপক্ষ নজিরবিহীন দমন অভিযান চালিয়েছে এবং বিক্ষোভকারীদের ওপর সরাসরি গুলি চালিয়েছে।

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ক্ষমতায় আসা ধর্মীয় নেতৃত্ব বিক্ষোভ সত্ত্বেও টিকে আছে।

তবে ব্যবস্থার অনেক বিরোধী মনে করছেন, পরিবর্তনের সবচেয়ে সম্ভাব্য চালিকাশক্তি হতে পারে বাইরের হস্তক্ষেপ।
ট্রাম্প বারবার ইরানকে সতর্ক করেছিলেন, বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করবে। একই সঙ্গে তিনি ইরানিদের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখলের আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন, ‘সহায়তা আসছে’।

তবে চলতি মাসের শুরুতে তিনি হামলার নির্দেশ দেওয়া থেকে সরে আসেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওয়াশিংটনের চাপের মুখে তেহরান আট শতাধিক পরিকল্পিত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা স্থগিত করেছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘাই হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে সতর্ক করে বলেন, দেশটি ‘নিজেদের সক্ষমতার ওপর আত্মবিশ্বাসী’।

আব্রাহাম লিংকনের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি আরো বলেন, ‘এ ধরনের একটি যুদ্ধজাহাজের আগমন ইরানি জাতিকে রক্ষার ক্ষেত্রে ইরানের দৃঢ়তা ও সংকল্পে কোনো প্রভাব ফেলবে না।’

 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী

আপডেট সময় ১০:৫৯:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

মার্কিন সামরিক বাহিনী সোমবার জানিয়েছে, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরী ও তার সঙ্গে থাকা স্ট্রাইক গ্রুপটি মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে, যা এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে।

ইরানে গণবিক্ষোভের বিরুদ্ধে দমন-পীড়ন জোরদার হওয়ার প্রেক্ষাপটে বিমানবাহী রণতরী ও তার সহগামী জাহাজগুলোকে এই অঞ্চলে মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরবর্তীতে তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ থেকে সরে এসেছেন, তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে সব বিকল্প এখনো টেবিলে রয়েছে।

 

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর দায়িত্বে থাকা ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানায়, স্ট্রাইক গ্রুপটি বর্তমানে ‘আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদার করতে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন রয়েছে’।

ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয় ডিসেম্বরের শেষ দিকে, মূলত অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে। তবে জানুয়ারির ৮ তারিখ থেকে টানা কয়েক দিন ধরে ব্যাপক সড়ক বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে তা ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে একটি গণআন্দোলনে রূপ নেয়।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো অভিযোগ করেছে, ইন্টারনেট বন্ধ থাকার সুযোগ নিয়ে কর্তৃপক্ষ নজিরবিহীন দমন অভিযান চালিয়েছে এবং বিক্ষোভকারীদের ওপর সরাসরি গুলি চালিয়েছে।

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ক্ষমতায় আসা ধর্মীয় নেতৃত্ব বিক্ষোভ সত্ত্বেও টিকে আছে।

তবে ব্যবস্থার অনেক বিরোধী মনে করছেন, পরিবর্তনের সবচেয়ে সম্ভাব্য চালিকাশক্তি হতে পারে বাইরের হস্তক্ষেপ।
ট্রাম্প বারবার ইরানকে সতর্ক করেছিলেন, বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করবে। একই সঙ্গে তিনি ইরানিদের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখলের আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন, ‘সহায়তা আসছে’।

তবে চলতি মাসের শুরুতে তিনি হামলার নির্দেশ দেওয়া থেকে সরে আসেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, ওয়াশিংটনের চাপের মুখে তেহরান আট শতাধিক পরিকল্পিত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা স্থগিত করেছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘাই হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে সতর্ক করে বলেন, দেশটি ‘নিজেদের সক্ষমতার ওপর আত্মবিশ্বাসী’।

আব্রাহাম লিংকনের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি আরো বলেন, ‘এ ধরনের একটি যুদ্ধজাহাজের আগমন ইরানি জাতিকে রক্ষার ক্ষেত্রে ইরানের দৃঢ়তা ও সংকল্পে কোনো প্রভাব ফেলবে না।’