ঢাকা ০২:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোলা-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী খোকনের গাড়ি ভাংচুর

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৩৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৭৮ বার পড়া হয়েছে

ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন–দৌলতখান) আসনের শান্ত সন্ধ্যাকে ছিন্নভিন্ন করে দিল আরেকটি সহিংস অধ্যায়। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট মহিবউল্যাহ খোকনের গণসংযোগে নেমে এলো দুঃসাহসিক হামলা। দক্ষিণমাথার বাতাসে তখন শুধু মানুষের হাঁকডাকই নয়—কাঁচ ভাঙার শব্দ, আতঙ্কে ছুটোছুটি আর অন্ধকারে ছুটে বেড়ানো সন্ত্রাসীদের ছায়া মিলেমিশে এক অস্বস্তিকর গা-ছমছমে দৃশ্য তৈরি করেছিল।

২৮ নভেম্বর (শুক্রবার) রাত ৮টার দিকে গণসংযোগ চলছিল আগের মতোই; সাধারণ মানুষ চারপাশে ভিড় করে প্রার্থীকে অভিবাদন জানাচ্ছিল। হঠাৎ করেই হারুন ও লাবুর নেতৃত্বে ২০–২৫ জনের একটি দল যেন অন্ধকার থেকে বেরিয়ে এসে আঘাত হানে। মুহূর্তেই ছিন্ন হয়ে যায় গণতন্ত্রের পথচলার নীরবতা। সন্ত্রাসীদের লোহার রড আর কাঠের আঘাতে অ্যাডভোকেট মহিবউল্যাহ খোকনের গাড়ির পেছনের গ্লাস ভেঙে চুরমার হয়ে যায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে কণ্ঠ ভারী করে তিনি বলেন, “আমি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলি—এই অপরাধেই আজ আমাকে আবার আঘাত করা হলো। আগেও হামলার শিকার হয়েছি, প্রশাসনকে জানিয়েছি। তবুও অন্ধকার যেন বারবার ফিরে আসে।”

তাঁর কথায় ছিল প্রতিবাদের আগুন, আবার ছিল আহত জনতার মনের ক্ষতচাপা বেদনা।

দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিল্লুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, “অ্যাডভোকেট মহিবউল্যাহ খোকন ঘটনাটি আমাকে জানিয়েছেন। তাঁকে থানায় একটি অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শুক্রবার রাতের দক্ষিণমাথা যেন শুধু একটি হামলার সাক্ষী নয়; এটি সাক্ষী হয়ে রইল অস্থির সময়ের, রাজনৈতিক উত্তেজনার, আর ভয়ভীতির মধ্যেও দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষের। ঘটনাস্থলের বাতাসে আজও চাপা শব্দে উচ্চারিত হয় মানুষের প্রশ্ন—? এই হামলা কি কেবল একজন প্রার্থীর ওপর, নাকি গণতন্ত্রের পথরেখায় আরেকটি নীরব আঘাত?

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

শূন্য থেকে শীর্ষে: মো: মাসুদ রানার অনুপ্রেরণার গল্প

ভোলা-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী খোকনের গাড়ি ভাংচুর

আপডেট সময় ১২:৩৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন–দৌলতখান) আসনের শান্ত সন্ধ্যাকে ছিন্নভিন্ন করে দিল আরেকটি সহিংস অধ্যায়। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট মহিবউল্যাহ খোকনের গণসংযোগে নেমে এলো দুঃসাহসিক হামলা। দক্ষিণমাথার বাতাসে তখন শুধু মানুষের হাঁকডাকই নয়—কাঁচ ভাঙার শব্দ, আতঙ্কে ছুটোছুটি আর অন্ধকারে ছুটে বেড়ানো সন্ত্রাসীদের ছায়া মিলেমিশে এক অস্বস্তিকর গা-ছমছমে দৃশ্য তৈরি করেছিল।

২৮ নভেম্বর (শুক্রবার) রাত ৮টার দিকে গণসংযোগ চলছিল আগের মতোই; সাধারণ মানুষ চারপাশে ভিড় করে প্রার্থীকে অভিবাদন জানাচ্ছিল। হঠাৎ করেই হারুন ও লাবুর নেতৃত্বে ২০–২৫ জনের একটি দল যেন অন্ধকার থেকে বেরিয়ে এসে আঘাত হানে। মুহূর্তেই ছিন্ন হয়ে যায় গণতন্ত্রের পথচলার নীরবতা। সন্ত্রাসীদের লোহার রড আর কাঠের আঘাতে অ্যাডভোকেট মহিবউল্যাহ খোকনের গাড়ির পেছনের গ্লাস ভেঙে চুরমার হয়ে যায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে কণ্ঠ ভারী করে তিনি বলেন, “আমি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলি—এই অপরাধেই আজ আমাকে আবার আঘাত করা হলো। আগেও হামলার শিকার হয়েছি, প্রশাসনকে জানিয়েছি। তবুও অন্ধকার যেন বারবার ফিরে আসে।”

তাঁর কথায় ছিল প্রতিবাদের আগুন, আবার ছিল আহত জনতার মনের ক্ষতচাপা বেদনা।

দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিল্লুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, “অ্যাডভোকেট মহিবউল্যাহ খোকন ঘটনাটি আমাকে জানিয়েছেন। তাঁকে থানায় একটি অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শুক্রবার রাতের দক্ষিণমাথা যেন শুধু একটি হামলার সাক্ষী নয়; এটি সাক্ষী হয়ে রইল অস্থির সময়ের, রাজনৈতিক উত্তেজনার, আর ভয়ভীতির মধ্যেও দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষের। ঘটনাস্থলের বাতাসে আজও চাপা শব্দে উচ্চারিত হয় মানুষের প্রশ্ন—? এই হামলা কি কেবল একজন প্রার্থীর ওপর, নাকি গণতন্ত্রের পথরেখায় আরেকটি নীরব আঘাত?


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481