ঢাকা ১২:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

বেনাপোল বন্দরে আজ আমদানি-রফতানি বন্ধ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৫৯:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫
  • ৭১ বার পড়া হয়েছে

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব কালীপূজা ও দীপাবলি উপলক্ষে ভারতে সরকারি ছুটি থাকায় আজ মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সব ধরনের আমদানি–রফতানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক রয়েছে।

বেনাপোল আমদানি-রফতানি সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জানান, দীপাবলি উপলক্ষে ভারতের পেট্রাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ সব ধরনের আমদানি–রফতানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে। বুধবার সকাল থেকে পুনরায় আমদানি–রফতানি কার্যক্রম চালু হবে, জানান তিনি।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের পরিদর্শক তাজুল ইসলাম বলেন, ‘ভারতে কালীপূজার ছুটির কারণে পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকলেও দুই দেশের পাসপোর্টযাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।’

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, ‘ছুটির কারণে আজ কোনো পণ্য আমদানি–রফতানি হচ্ছে না। তবে ভারত থেকে আসা খালি ট্রাক ফেরত পাঠানোর জন্য চেকপোস্টের কার্গো শাখা খোলা আছে।’

দেশের অর্থনীতিতে বেনাপোল স্থলবন্দর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভারত থেকে বাংলাদেশে আমদানি করা মোট পণ্যের প্রায় ৮০ শতাংশই এ বন্দর দিয়ে আসে। মাত্র সাত দিনের এলসিতে পণ্য আমদানির সুযোগ এবং কলকাতা থেকে বেনাপোলের দূরত্ব মাত্র ৮৪ কিলোমিটার হওয়ায় এটি ব্যবসায়ীদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় স্থলবন্দর।

তবে ধর্মীয় উৎসবের কারণে যখন আমদানি–রফতানি কার্যক্রম বন্ধ থাকে, তখন শিল্পপ্রতিষ্ঠান, গার্মেন্টস খাত ও বাজার ব্যবস্থায় এর প্রভাব পড়ে। দুই দেশের বন্দরে শত শত ট্রাক পণ্য নিয়ে অপেক্ষায় থাকে, যার মধ্যে শিল্পকারখানার কাঁচামাল, পচনশীল পণ্য ও রফতানিযোগ্য মালামাল থাকে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

বেনাপোল বন্দরে আজ আমদানি-রফতানি বন্ধ

আপডেট সময় ১২:৫৯:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব কালীপূজা ও দীপাবলি উপলক্ষে ভারতে সরকারি ছুটি থাকায় আজ মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সব ধরনের আমদানি–রফতানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক রয়েছে।

বেনাপোল আমদানি-রফতানি সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জানান, দীপাবলি উপলক্ষে ভারতের পেট্রাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ সব ধরনের আমদানি–রফতানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে। বুধবার সকাল থেকে পুনরায় আমদানি–রফতানি কার্যক্রম চালু হবে, জানান তিনি।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের পরিদর্শক তাজুল ইসলাম বলেন, ‘ভারতে কালীপূজার ছুটির কারণে পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকলেও দুই দেশের পাসপোর্টযাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।’

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, ‘ছুটির কারণে আজ কোনো পণ্য আমদানি–রফতানি হচ্ছে না। তবে ভারত থেকে আসা খালি ট্রাক ফেরত পাঠানোর জন্য চেকপোস্টের কার্গো শাখা খোলা আছে।’

দেশের অর্থনীতিতে বেনাপোল স্থলবন্দর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভারত থেকে বাংলাদেশে আমদানি করা মোট পণ্যের প্রায় ৮০ শতাংশই এ বন্দর দিয়ে আসে। মাত্র সাত দিনের এলসিতে পণ্য আমদানির সুযোগ এবং কলকাতা থেকে বেনাপোলের দূরত্ব মাত্র ৮৪ কিলোমিটার হওয়ায় এটি ব্যবসায়ীদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় স্থলবন্দর।

তবে ধর্মীয় উৎসবের কারণে যখন আমদানি–রফতানি কার্যক্রম বন্ধ থাকে, তখন শিল্পপ্রতিষ্ঠান, গার্মেন্টস খাত ও বাজার ব্যবস্থায় এর প্রভাব পড়ে। দুই দেশের বন্দরে শত শত ট্রাক পণ্য নিয়ে অপেক্ষায় থাকে, যার মধ্যে শিল্পকারখানার কাঁচামাল, পচনশীল পণ্য ও রফতানিযোগ্য মালামাল থাকে।