ঢাকা ১০:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বিস্ফোরণ সহনশীল ‘ভাসমান দ্বীপ’ নির্মাণ করছে চীন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৪৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭৮ বার পড়া হয়েছে

চীন বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম ভাসমান দ্বীপ নির্মাণ করছে যা পারমানবিক বিস্ফোরণসহ সব ধরনের চরম প্রাকৃতিক দুর্যোগ সহ্য করতে সক্ষম হবে। দ্বীপটির ওজন হবে ৭৮,০০০ টন এবং এটি সম্পূর্ণ কাজের অবস্থায় ২০২৮ সালে চালু হবে।

দ্বীপটি ৬–৯ মিটার উচ্চতার বড় ঢেউ এবং ক্যাটাগরি ১৭ পর্যন্ত শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় সহ্য করতে পারবে। এটি একটি চলনযোগ্য, অর্ধ-ডুবন্ত, টুইন-হাল প্ল্যাটফর্ম, যা চার মাস পর্যন্ত ২৩৮ জন মানুষকে কোনোকিছু সরবরাহ ছাড়াই আশ্রয় দিতে সক্ষম।

প্রকল্পটির প্রধান বৈজ্ঞানিক লিন ঝংকুইন জানিয়েছেন, আমরা ডিজাইন এবং নির্মাণ দ্রুত শেষ করতে কাজ করছি এবং লক্ষ্য ২০২৮ সালের মধ্যে দ্বীপটি চালু করা।

দক্ষিণ চীন মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বীপটির নির্মাণে ব্যবহৃত মেটামেটেরিয়াল স্যান্ডউইচ প্যানেলগুলি বিপজ্জনক ধাক্কাকে নরম চাপের মধ্যে পরিণত করতে সক্ষম। শাংহাই জিয়াও টং বিশ্ববিদ্যালয়ের (এসজেটিইউ) অধ্যাপক ইয়াং দেকিংয়ের নেতৃত্বে গবেষকরা জানিয়েছেন, এটি একটি সব-আবহাওয়া, দীর্ঘমেয়াদি আবাসন সক্ষম গভীর সমুদ্র বৈজ্ঞানিক সুবিধা।

দ্বীপটির সুপারস্ট্রাকচারে জরুরি বিদ্যুৎ, যোগাযোগ এবং নেভিগেশন নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ কক্ষ থাকবে, যা পারমানবিক বিস্ফোরণের সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সরকারিভাবে এই দ্বীপকে ডিপ-সি অল-ওয়েদার রেসিডেন্ট ফ্লোটিং রিসার্চ ফ্যাসিলিটি নামে পরিচয় দেয়া হয়েছে। যদিও চীন এটিকে নাগরিক বৈজ্ঞানিক অবকাঠামো হিসেবে বর্ণনা করেছে, এর নকশায় পারমানবিক বিস্ফোরণ প্রতিরোধের সামরিক মানদণ্ড জিজেবি ১০৬০.১-১৯৯১ ব্যবহার করা হয়েছে।

দ্বীপটির দৈর্ঘ্য হবে ১৩৮ মিটার এবং প্রস্থ ৮৫ মিটার, প্রধান ডেক সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪৫ মিটার উঁচুতে উঠবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বিস্ফোরণ সহনশীল ‘ভাসমান দ্বীপ’ নির্মাণ করছে চীন

আপডেট সময় ১০:৪৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

চীন বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম ভাসমান দ্বীপ নির্মাণ করছে যা পারমানবিক বিস্ফোরণসহ সব ধরনের চরম প্রাকৃতিক দুর্যোগ সহ্য করতে সক্ষম হবে। দ্বীপটির ওজন হবে ৭৮,০০০ টন এবং এটি সম্পূর্ণ কাজের অবস্থায় ২০২৮ সালে চালু হবে।

দ্বীপটি ৬–৯ মিটার উচ্চতার বড় ঢেউ এবং ক্যাটাগরি ১৭ পর্যন্ত শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় সহ্য করতে পারবে। এটি একটি চলনযোগ্য, অর্ধ-ডুবন্ত, টুইন-হাল প্ল্যাটফর্ম, যা চার মাস পর্যন্ত ২৩৮ জন মানুষকে কোনোকিছু সরবরাহ ছাড়াই আশ্রয় দিতে সক্ষম।

প্রকল্পটির প্রধান বৈজ্ঞানিক লিন ঝংকুইন জানিয়েছেন, আমরা ডিজাইন এবং নির্মাণ দ্রুত শেষ করতে কাজ করছি এবং লক্ষ্য ২০২৮ সালের মধ্যে দ্বীপটি চালু করা।

দক্ষিণ চীন মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বীপটির নির্মাণে ব্যবহৃত মেটামেটেরিয়াল স্যান্ডউইচ প্যানেলগুলি বিপজ্জনক ধাক্কাকে নরম চাপের মধ্যে পরিণত করতে সক্ষম। শাংহাই জিয়াও টং বিশ্ববিদ্যালয়ের (এসজেটিইউ) অধ্যাপক ইয়াং দেকিংয়ের নেতৃত্বে গবেষকরা জানিয়েছেন, এটি একটি সব-আবহাওয়া, দীর্ঘমেয়াদি আবাসন সক্ষম গভীর সমুদ্র বৈজ্ঞানিক সুবিধা।

দ্বীপটির সুপারস্ট্রাকচারে জরুরি বিদ্যুৎ, যোগাযোগ এবং নেভিগেশন নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ কক্ষ থাকবে, যা পারমানবিক বিস্ফোরণের সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সরকারিভাবে এই দ্বীপকে ডিপ-সি অল-ওয়েদার রেসিডেন্ট ফ্লোটিং রিসার্চ ফ্যাসিলিটি নামে পরিচয় দেয়া হয়েছে। যদিও চীন এটিকে নাগরিক বৈজ্ঞানিক অবকাঠামো হিসেবে বর্ণনা করেছে, এর নকশায় পারমানবিক বিস্ফোরণ প্রতিরোধের সামরিক মানদণ্ড জিজেবি ১০৬০.১-১৯৯১ ব্যবহার করা হয়েছে।

দ্বীপটির দৈর্ঘ্য হবে ১৩৮ মিটার এবং প্রস্থ ৮৫ মিটার, প্রধান ডেক সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪৫ মিটার উঁচুতে উঠবে।