বর্তমানে ফাইনালের সবচেয়ে কম দামের টিকিটও বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৯৪৩ ডলারে। যদিও আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার আগে এই টিকিটের দাম ছিল প্রায় ৭ হাজার ২০০ ডলার। দুই ফাইনালিস্ট নিশ্চিত হওয়ার পর দাম কিছুটা কমলেও তা এখনো আকাশছোঁয়া।
টিকপিকের পরিসংখ্যান বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ক্রীড়া ইভেন্টের তালিকায় এখন শীর্ষে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল।
এর পর রয়েছে ২০২৪ সালের সুপার বোল এলভিআইআইআই (গড় মূল্য ৯,৪১১ ডলার), ২০২১ সালের সুপার বোল এলভি (৭,৩১৩ ডলার), ২০২০ সালের সুপার বোল এলআইভি (৬,৫৪৬ ডলার) এবং ২০২৬ সালের এনবিএ ফাইনালের তৃতীয় ম্যাচ (৬,৩০৮ ডলার)।
এদিকে, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের সবচেয়ে কম দামের টিকিট বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৯০০ ডলারে। ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়ার পর ওই ম্যাচের টিকিটের মূল্য প্রায় ৩০০ ডলার কমে গেছে।
টিকিট বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান সিটপিকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ বিশ্বকাপ ফিফার ৯৬ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিশ্বকাপে পরিণত হয়েছে। টুর্নামেন্টের শুরুতে গড় টিকিটের দাম ছিল ১ হাজার ৬২২ ডলার, যা সেমিফাইনাল পর্বে বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ১৬২ ডলারে।
তবে টুর্নামেন্টজুড়ে টিকিটের দাম শুধু বাড়েনি। পুনর্বিক্রয় (রিসেল) বাজারে কয়েকটি ম্যাচের টিকিটের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেও যায়। বিশেষ করে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল বিদায় নেওয়ার পর স্পেন-বেলজিয়াম কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিটের দাম প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত নেমে আসে।
শুরুতে যত ছিল ফাইনালের টিকিট?
প্রথম ধাপে টিকিট বিক্রির সময় ফিফা ফাইনাল ম্যাচের সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করেছিল ১০ হাজার ৯৯০ ডলার। পুনর্বিক্রয় বাজারের হিসাব বাদ দিলে সাধারণ দর্শকদের জন্য ফুটবল ইতিহাসে এটিই ছিল সর্বোচ্চ নির্ধারিত টিকিটমূল্য। এ কারণে অনেক সমর্থকের অভিযোগ, ২০২৬ বিশ্বকাপ সাধারণ দর্শকদের নাগালের বাইরে চলে গিয়ে ধনীদের আসরে পরিণত হয়েছে। সমর্থকদের এই সমালোচনার পর ফিফা জানিয়েছে, ২০৩০ বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রির কৌশল নতুন করে পর্যালোচনা করা হবে।

নিজস্ব সংবাদ : 

























