ঢাকা ০৪:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন জমা না নিয়ে আধা ঘন্টা শৌচাগারে ইউএনও, অতঃপর প্রার্থীর বিরুদ্ধে অসদাচরণের দাবী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৫৬:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১১৩ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র গ্রহণে দেরি করার অভিযোগে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ করেছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা।

সোমবার বিকেলে পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদে এ ঘটনা ঘটে। এসময় বরগুনা- ২ (পাথরঘাটা, বেতাগী ও বামনা) আসনের প্রার্থী নুর ইসলাম মনির সঙ্গে ইউএনও’র উত্তপ্ত কথা কাটাকাটি হয়। ইউএনও ইসরাত জাহান দাবি করেছেন, তাকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে।

প্রার্থী মনি জানান, মনোনয়নপত্র জমা দিতে তিনি বেলা আড়াইটায় ইউএনও দপ্তরে যান। এ সময়ে ইউএনও বাথরুমে ঢুকে আধাঘণ্টার বেশী সময় ব্যয় করেন। এরপরে বের হয়ে নির্ধারিতর চেয়ে বেশী লোক ঢুকেছে দাবি করে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন। এতে অপমানিত হয়ে তিনি (মনি) মনোনয়ন জমা না দিয়ে নিচে নেমে যান।

প্রত্যক্ষদর্শী জানান, মনি নিচে পৌঁছানোর পর অপেক্ষমাণ নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ইউএনওর কক্ষে ঢুকে যান। তারা ইউএনওর চারপাশে অবস্থান নিয়ে তাকে ঘিরে রাখেন। তারা ইউএনওর সঙ্গে উচ্চবাচ্য এবং তার পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করেন। নৌবাহিনী ও পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে। পরে বিকেল পৌনে ৫টায় মনি গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন। মনি অভিযোগ করেন, ইউএনও একটি দলের পক্ষপাতিত্ব করছেন। তাকে অপসারণ করতে হবে।

ইউএনও ইসরাত জাহান জানান, তিনি চেয়ারেই বসা ছিলেন। তখন প্রার্থী মনি শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে পরিষদ চত্বরে ঢোকেন। তাদেরকে অফিসের নিচতলায় রেখে ৭ থেকে ৮ জন সঙ্গে নিয়ে আমার কক্ষে আসেন। কিন্তু তার সঙ্গীরা মনোনয়নপত্র আনতে দেরি করায় তিনি অপেক্ষা করেন। তখন ৫ জনের অধিক না থাকার অনুরোধ করা হয়। এতে প্রার্থী মনি ক্ষিপ্ত হয়ে শত শত লোক দিয়ে সরকারি কাজে বিঘ্ন ঘটিয়েছেন। আমাকে লাঞ্ছিত করেছেন। আমি এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেব।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন জমা না নিয়ে আধা ঘন্টা শৌচাগারে ইউএনও, অতঃপর প্রার্থীর বিরুদ্ধে অসদাচরণের দাবী

আপডেট সময় ০৬:৫৬:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র গ্রহণে দেরি করার অভিযোগে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ করেছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা।

সোমবার বিকেলে পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদে এ ঘটনা ঘটে। এসময় বরগুনা- ২ (পাথরঘাটা, বেতাগী ও বামনা) আসনের প্রার্থী নুর ইসলাম মনির সঙ্গে ইউএনও’র উত্তপ্ত কথা কাটাকাটি হয়। ইউএনও ইসরাত জাহান দাবি করেছেন, তাকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে।

প্রার্থী মনি জানান, মনোনয়নপত্র জমা দিতে তিনি বেলা আড়াইটায় ইউএনও দপ্তরে যান। এ সময়ে ইউএনও বাথরুমে ঢুকে আধাঘণ্টার বেশী সময় ব্যয় করেন। এরপরে বের হয়ে নির্ধারিতর চেয়ে বেশী লোক ঢুকেছে দাবি করে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন। এতে অপমানিত হয়ে তিনি (মনি) মনোনয়ন জমা না দিয়ে নিচে নেমে যান।

প্রত্যক্ষদর্শী জানান, মনি নিচে পৌঁছানোর পর অপেক্ষমাণ নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ইউএনওর কক্ষে ঢুকে যান। তারা ইউএনওর চারপাশে অবস্থান নিয়ে তাকে ঘিরে রাখেন। তারা ইউএনওর সঙ্গে উচ্চবাচ্য এবং তার পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করেন। নৌবাহিনী ও পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে। পরে বিকেল পৌনে ৫টায় মনি গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন। মনি অভিযোগ করেন, ইউএনও একটি দলের পক্ষপাতিত্ব করছেন। তাকে অপসারণ করতে হবে।

ইউএনও ইসরাত জাহান জানান, তিনি চেয়ারেই বসা ছিলেন। তখন প্রার্থী মনি শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে পরিষদ চত্বরে ঢোকেন। তাদেরকে অফিসের নিচতলায় রেখে ৭ থেকে ৮ জন সঙ্গে নিয়ে আমার কক্ষে আসেন। কিন্তু তার সঙ্গীরা মনোনয়নপত্র আনতে দেরি করায় তিনি অপেক্ষা করেন। তখন ৫ জনের অধিক না থাকার অনুরোধ করা হয়। এতে প্রার্থী মনি ক্ষিপ্ত হয়ে শত শত লোক দিয়ে সরকারি কাজে বিঘ্ন ঘটিয়েছেন। আমাকে লাঞ্ছিত করেছেন। আমি এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেব।